সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

Somity Keeper দিয়ে কিস্তি তোলার সবচেয়ে সহজ উপায়

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতির হিসাব রাখতে আর দুশ্চিন্তা নয়, আছে Somity Keeper

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

 

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

 

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

 

✅ ভূমিকা

বাংলাদেশে গ্রামীণ অর্থনীতিতে সমবায় সমিতির গুরুত্ব অপরিসীম। সদস্যদের সঞ্চয়, ঋণ, কিস্তি, লভ্যাংশ বিতরণসহ প্রতিদিনের আর্থিক লেনদেন ম্যানুয়ালি পরিচালনা করা সময়সাপেক্ষ, জটিল এবং ভুলত্রুটিতে ভরা। এসব সমস্যার আধুনিক সমাধান হিসেবে বাজারে এসেছে Somity Keeper — একটি ক্লাউড-ভিত্তিক, ইউজার-ফ্রেন্ডলি এবং সম্পূর্ণ অটোমেটেড সমিতি ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার।


🖥️ Somity Keeper কী?

Somity Keeper একটি অল-ইন-ওয়ান অনলাইন সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম, যা এনজিও, ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থা, এবং সকল ধরনের সমবায় সমিতির জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে সদস্য ব্যবস্থাপনা, সঞ্চয়, ঋণ, কিস্তি, ব্যাংক ট্রান্সফার, রিপোর্ট জেনারেশন ইত্যাদি সব কার্যক্রম সহজে এবং নির্ভুলভাবে পরিচালনা করা যায়।


🔑 Somity Keeper এর মূল ফিচারসমূহ

১. সদস্য ব্যবস্থাপনা

সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, সদস্যপদ নবায়ন, আর্থিক লেনদেনের ইতিহাস — সবই অত্যন্ত সহজে আপডেট ও অনুসন্ধানযোগ্য।

২. কিস্তি ও ঋণ ব্যবস্থাপনা

ঋণ অনুমোদন, সুদ নির্ধারণ, কিস্তি আদায় ও পেন্ডিং তালিকা — সব অটোমেটেডভাবে হ্যান্ডেল হয়।

৩. ডিপিএস ও এফডিআর স্কিম

মাসিক সঞ্চয় (DPS) ও এককালীন স্থায়ী আমানত (FDR) তৈরি, পরিচালনা এবং সুদের হিসাব খুব সহজে করা যায়।

৪. ব্যাংক এবং আউটলোন ট্র্যাকিং

ব্যাংক একাউন্ট ম্যানেজমেন্ট, ট্রান্সফার হিস্টোরি, বহিঃ ঋণের বিবরণ — সবকিছু এক প্ল্যাটফর্মে।

৫. SMS নোটিফিকেশন ও রিমাইন্ডার

লেনদেনের পরপরই সদস্যদের কাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে SMS চলে যায়। এছাড়াও থাকছে রিমাইন্ডার সিস্টেম।

৬. রিপোর্ট ও ড্যাশবোর্ড

ডেইলি, উইকলি, মান্থলি এবং কাস্টম রিপোর্ট তৈরি করুন এক ক্লিকে। থাকছে ট্রায়াল ব্যালেন্স, লাভ-ক্ষতির হিসাব ও ব্যালেন্স শিট।

৭. মোবাইল অ্যাপ

সমিতির মাঠকর্মীরা সরাসরি মোবাইল অ্যাপ থেকে আদায় করে পোস্টিং দিতে পারেন — তা সাথে সাথে ক্লাউড সার্ভারে আপডেট হয়ে যায়।


🌐 ক্লাউড ভিত্তিক সুবিধা

Somity Keeper একটি ক্লাউড বেজড সফটওয়্যার, যার ফলে এটি মোবাইল, ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ – যেকোনো ডিভাইস থেকে, যেকোনো স্থান থেকে ব্যবহারযোগ্য। ব্যাকআপ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত শক্তিশালী।


🔐 নিরাপত্তা ও ইউজার কন্ট্রোল

প্রতি ইউজারের জন্য নির্ধারিত এক্সেস রোল সেটআপ করা যায়। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন বা ডেটা লসের আশঙ্কা নেই।


📊 কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

  • ✅ সময় বাঁচে

  • ✅ হিসাব হয় নির্ভুল

  • ✅ স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়

  • ✅ সবকিছু অটোমেটেড

  • ✅ সদস্যরা আপডেটেড থাকে

  • ✅ সংগঠন হয়ে ওঠে প্রযুক্তিনির্ভর ও স্মার্ট


🔚 উপসংহার

বর্তমানে প্রতিটি সমবায় সমিতির জন্য ডিজিটাল লেজার এবং স্মার্ট হিসাব ব্যবস্থাপনা একটি অপরিহার্য বিষয় হয়ে উঠেছে। Somity Keeper শুধু সফটওয়্যার নয়, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ সমাধান, যা আপনাকে আপনার সমিতি পরিচালনায় আস্থা ও নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দেবে।

👉 আজই Somity Keeper ব্যবহার শুরু করুন — সময় ও অর্থ দুটোই বাঁচান, আর গড়ুন একটি আধুনিক ও স্মার্ট সমবায় প্রতিষ্ঠান!

📌 ভূমিকা

বাংলাদেশে সমবায় সমিতি, এনজিও এবং ক্ষুদ্র ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালনায় হিসাব-নিকাশের জটিলতা, তথ্য সংরক্ষণে অনিয়ম এবং স্বচ্ছতা রক্ষা করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। এসব সমস্যা সমাধানে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর একটি কার্যকর সমাধান হলো Somity Keeper


🔍 Somity Keeper কেন ব্যবহার করবেন?

সহজ ও সাশ্রয়ী ডিজিটাল সমাধান:

ব্যবহারকারী-বান্ধব ইন্টারফেসে তৈরি এই সফটওয়্যারটি সমিতির প্রতিদিনের কাজগুলো যেমন সদস্য ব্যবস্থাপনা, ঋণ, সঞ্চয়, শেয়ার, আয়-ব্যয় হিসাব প্রভৃতি অটোমেটেডভাবে পরিচালনা করে।

মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের আপডেট:

মাঠকর্মীরা মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে সদস্যদের কাছ থেকে টাকা আদায় করে তাৎক্ষণিকভাবে সার্ভারে আপলোড করতে পারেন। অফিসে বসে সব কিছু রিয়েল টাইমে ট্র্যাক করা সম্ভব।

স্বয়ংক্রিয় রিপোর্ট ও এনালাইসিস:

মাসিক, সাপ্তাহিক বা বাৎসরিক রিপোর্ট অল্প সময়ে তৈরি করা সম্ভব। ট্রায়াল ব্যালেন্স, প্রফিট-লস রিপোর্ট, ব্যালেন্স শীট ইত্যাদি সহজেই জেনারেট করা যায়।

নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা:

Somity Keeper ক্লাউড বেইজড হওয়ায় সব তথ্য সুরক্ষিত থাকে। রয়েছে মাল্টি-ইউজার রোল, লগ হিস্ট্রি ও ইউজার পারমিশন সিস্টেম।

বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায়:

ভাষাগত বাধা দূর করে বাংলা ও ইংরেজিতে সহজে ব্যবহারযোগ্য হওয়ায় গ্রামাঞ্চল থেকে শহর — সব জায়গায় এটি কার্যকর।


🧩 গুরুত্বপূর্ণ মডিউলগুলো

  • সদস্য ও স্টাফ মডিউল

  • সাধারণ ঋণ, সিসি লোন ও বিশেষ ঋণ মডিউল

  • সঞ্চয়, ডিপিএস, এফডিআর

  • ব্যাংক মডিউল, পরিচালক মডিউল

  • ভাউচার, রিপোর্টিং, পাসবই

  • মোবাইল অ্যাপ ও এসএমএস সিস্টেম

  • নথি ম্যানেজমেন্ট ও পরিচয় যাচাই

  • টাস্ক রিমাইন্ডার ও অনুদান মডিউল


🔚 উপসংহার

সমিতি পরিচালনায় স্বচ্ছতা, সময় বাঁচানো ও নির্ভুল হিসাব ব্যবস্থাপনার জন্য Somity Keeper একটি চমৎকার সমাধান। এটি শুধু একটি সফটওয়্যার নয় — এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সহযোগী, যা আপনার সমিতিকে করে তোলে আরো সুসংগঠিত, আধুনিক ও বিশ্বাসযোগ্য।




——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

🔰 ভূমিকা

সমিতি বা এনজিওর কার্যক্রমকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও স্বয়ংক্রিয় করার জন্য আধুনিক সফটওয়্যার ব্যবহার এখন সময়ের দাবি। Somity Keeper একটি উদ্ভাবনী ডিজিটাল সমাধান, যা সমিতির আর্থিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমকে করে তোলে ঝামেলামুক্ত ও নিরাপদ। নিচে Somity Keeper-এর উল্লেখযোগ্য ফিচারসমূহ তুলে ধরা হলো, যা আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে কেন এটি আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য উপযুক্ত।


✅ গুরুত্বপূর্ণ ফিচারসমূহ

🔹 সদস্য ব্যবস্থাপনা
সদস্য রেজিস্ট্রেশন, প্রোফাইল আপডেট, সক্রিয়তা নিরীক্ষণ এবং সদস্য হিসাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষণের সুবিধা।

🔹 স্টাফ ও পরিচালক ব্যবস্থাপনা
কর্মচারী এবং পরিচালক নিয়োগ, দায়িত্ব বণ্টন, এবং পারফরম্যান্স ট্র্যাকিং সহজে করা যায়।

🔹 কেন্দ্র ও ব্রাঞ্চ ব্যবস্থাপনা
একাধিক শাখা বা কেন্দ্র পরিচালনায় সহজ সমন্বয়, ডেটা সেন্ট্রালাইজড থাকে, যা রিয়েল-টাইম মনিটরিং সহজ করে।

🔹 সঞ্চয় ও ঋণ ব্যবস্থাপনা
সদস্যদের মাসিক সঞ্চয়, শেয়ার, ঋণ, ডিপিএস, এফডিআর ও সিসি লোন হিসাব অটোমেটিকভাবে মেইনটেইন করা যায়।

🔹 ভাউচার ও রিপোর্ট মডিউল
বিভিন্ন ভাউচার জেনারেট, অ্যাকাউন্টিং রিপোর্ট, ট্রানজেকশন হিস্টোরি ও অডিট রিপোর্ট তৈরি করা যায় এক ক্লিকেই।

🔹 এসএমএস ও বেতন সিস্টেম
সদস্যদের সময়মত কিস্তি বা ঋণ সংক্রান্ত এসএমএস, এবং স্টাফদের বেতন শীট ও ট্র্যাকিং সহজে করা যায়।

🔹 নথি ও ব্যাংক ব্যবস্থাপনা
সমস্ত নথি ডিজিটালি সংরক্ষণ, ব্যাংক ট্রানজেকশন রেকর্ড রাখা এবং স্টেটমেন্ট দেখা সম্ভব।

🔹 ক্লাউড ভিত্তিক ও নিরাপদ
Somity Keeper একটি ক্লাউড-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম, যা যে কোনও স্থান থেকে অ্যাক্সেসযোগ্য এবং শক্তিশালী সিকিউরিটি সিস্টেম সম্বলিত।


📊 রিপোর্টিং ও মনিটরিং

সাপ্তাহিক, মাসিক বা বার্ষিক পারফরম্যান্স রিপোর্ট তৈরি করে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে। রিয়েল টাইম রিপোর্টের সুবিধায় কাজের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়।


🎯 উপসংহার

Somity Keeper কেবল একটি হিসাব রাখার সফটওয়্যার নয়, বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ সমিতি ব্যবস্থাপনা সিস্টেম। যারা ভবিষ্যৎমুখী ও ডিজিটাল ব্যবস্থাপনাকে গুরুত্ব দেন, তাদের জন্য এটি নিঃসন্দেহে সেরা সমাধান।





___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!


🔰 ভূমিকা

সমিতি বা এনজিওর কার্যক্রমকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও স্বয়ংক্রিয় করার জন্য আধুনিক সফটওয়্যার ব্যবহার এখন সময়ের দাবি। Somity Keeper একটি উদ্ভাবনী ডিজিটাল সমাধান, যা সমিতির আর্থিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমকে করে তোলে ঝামেলামুক্ত ও নিরাপদ। নিচে Somity Keeper-এর উল্লেখযোগ্য ফিচারসমূহ তুলে ধরা হলো, যা আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে কেন এটি আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য উপযুক্ত।


✅ গুরুত্বপূর্ণ ফিচারসমূহ

🔹 সদস্য ব্যবস্থাপনা
সদস্য রেজিস্ট্রেশন, প্রোফাইল আপডেট, সক্রিয়তা নিরীক্ষণ এবং সদস্য হিসাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষণের সুবিধা।

🔹 স্টাফ ও পরিচালক ব্যবস্থাপনা
কর্মচারী এবং পরিচালক নিয়োগ, দায়িত্ব বণ্টন, এবং পারফরম্যান্স ট্র্যাকিং সহজে করা যায়।

🔹 কেন্দ্র ও ব্রাঞ্চ ব্যবস্থাপনা
একাধিক শাখা বা কেন্দ্র পরিচালনায় সহজ সমন্বয়, ডেটা সেন্ট্রালাইজড থাকে, যা রিয়েল-টাইম মনিটরিং সহজ করে।

🔹 সঞ্চয় ও ঋণ ব্যবস্থাপনা
সদস্যদের মাসিক সঞ্চয়, শেয়ার, ঋণ, ডিপিএস, এফডিআর ও সিসি লোন হিসাব অটোমেটিকভাবে মেইনটেইন করা যায়।

🔹 ভাউচার ও রিপোর্ট মডিউল
বিভিন্ন ভাউচার জেনারেট, অ্যাকাউন্টিং রিপোর্ট, ট্রানজেকশন হিস্টোরি ও অডিট রিপোর্ট তৈরি করা যায় এক ক্লিকেই।

🔹 এসএমএস ও বেতন সিস্টেম
সদস্যদের সময়মত কিস্তি বা ঋণ সংক্রান্ত এসএমএস, এবং স্টাফদের বেতন শীট ও ট্র্যাকিং সহজে করা যায়।

🔹 নথি ও ব্যাংক ব্যবস্থাপনা
সমস্ত নথি ডিজিটালি সংরক্ষণ, ব্যাংক ট্রানজেকশন রেকর্ড রাখা এবং স্টেটমেন্ট দেখা সম্ভব।

🔹 ক্লাউড ভিত্তিক ও নিরাপদ
Somity Keeper একটি ক্লাউড-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম, যা যে কোনও স্থান থেকে অ্যাক্সেসযোগ্য এবং শক্তিশালী সিকিউরিটি সিস্টেম সম্বলিত।


📊 রিপোর্টিং ও মনিটরিং

সাপ্তাহিক, মাসিক বা বার্ষিক পারফরম্যান্স রিপোর্ট তৈরি করে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে। রিয়েল টাইম রিপোর্টের সুবিধায় কাজের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়।


Somity Keeper কেবল একটি হিসাব রাখার সফটওয়্যার নয়, বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ সমিতি ব্যবস্থাপনা সিস্টেম। যারা ভবিষ্যৎমুখী ও ডিজিটাল ব্যবস্থাপনাকে গুরুত্ব দেন, তাদের জন্য এটি নিঃসন্দেহে সেরা সমাধান।




——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

ডিজিটাল লেজার: আধুনিক হিসাব ব্যবস্থার নতুন দিগন্ত

সমিতি বা এনজিওর হিসাব ব্যবস্থাপনা অনেক সময় জটিল হয়ে পড়ে—অনেক খাতা-পত্র, হিসাবের গরমিল, সময় ও শ্রমের অপচয়। কিন্তু Somity Keeper এই সমস্যাগুলোর সহজ ও কার্যকর সমাধান নিয়ে এসেছে।

এটি একটি ডিজিটাল লেজারভিত্তিক সফটওয়্যার, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমিতির সঞ্চয়, ঋণ, মাসিক কিস্তি, বেতন, রিপোর্টিংসহ সব ধরনের হিসাব রাখে।


🌟 Somity Keeper-এর কিছু বিশেষ ফিচার যা একে সেরা করে তুলেছে:

  • সম্পূর্ণ ক্লাউড ভিত্তিক: যেকোনো জায়গা থেকে অ্যাক্সেসযোগ্য

  • স্বয়ংক্রিয় হিসাব: কিস্তি, সঞ্চয় ও ঋণের হিসাব নিজে থেকেই গণনা হয়

  • বহু ব্রাঞ্চ ও কেন্দ্র সমর্থন: ছোট-বড় সমিতির জন্য উপযুক্ত

  • স্টাফ ও সদস্য ব্যবস্থাপনা: এক ক্লিকে তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়

  • ভাউচার ও রিপোর্ট: দ্রুত রিপোর্ট ও অডিট ফাইল তৈরি

  • নিরাপত্তা: উন্নত নিরাপত্তা ও ব্যাকআপ সুবিধা

  • SMS সিস্টেম: সদস্যদের কিস্তির তথ্য বা বকেয়া জানিয়ে দেওয়া যায়


🧩 কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 হিসাবের স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা
🔹 খরচ কম, ফলাফল বেশি
🔹 সহজ ইউজার ইন্টারফেস, ট্রেনিং ছাড়াও ব্যবহারযোগ্য
🔹 অফিসের পরিবেশ সুন্দর ও সাজানো থাকে
🔹 ম্যানুয়াল হিসাবের ঝামেলা একেবারেই নেই


🔚

আজকের আধুনিক দুনিয়ায় প্রতিটি সমিতি ও এনজিওর উচিত তাদের হিসাব ব্যবস্থাকে ডিজিটাল করে তোলা। Somity Keeper শুধু একটি সফটওয়্যার নয়, এটি আপনার প্রতিষ্ঠানের নির্ভরযোগ্য হিসাব সহকারী। যারা এখনো কাগজ-কলমে হিসাব রাখছেন, তাদের জন্য সময় এসেছে পরিবর্তনের।




___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

বর্তমান সময়ে সমিতি বা ক্ষুদ্র অর্থায়ন প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা আগের মতো সহজ নয়। সদস্য সংখ্যা, ঋণ বিতরণ, সঞ্চয় হিসাব, মাসিক কিস্তি সংগ্রহসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ এখন ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালনা না করলে ভুল ও অদক্ষতা দেখা যায়। এই সমস্যার আধুনিক সমাধান হিসেবে এসেছে Somity Keeper — একটি ক্লাউড-ভিত্তিক, নিরাপদ ও স্বয়ংক্রিয় সমিতি ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার।


সমিতি ব্যবস্থাপনার আধুনিক টিপস

ডিজিটাল সদস্য ডাটাবেইস তৈরি করুন
সমস্ত সদস্যের তথ্য, তাদের ছবি, যোগাযোগের ঠিকানা ও ফাইন্যান্সিয়াল হিসাব ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ করুন।

স্বয়ংক্রিয় কিস্তি ট্র্যাকিং চালু করুন
Somity Keeper ব্যবহার করলে মাসিক সঞ্চয় ও ঋণের কিস্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব হয়। সদস্যদের মোবাইলে SMS দিয়ে জানিয়ে দেয়া যায় কত টাকা বাকি।

ব্রাঞ্চ ও কেন্দ্র ভিত্তিক হিসাব আলাদা রাখুন
যেসব সমিতির একাধিক শাখা বা কেন্দ্র আছে, তাদের জন্য আলাদা রিপোর্ট, লোন ট্র্যাকিং ও কর্মী ব্যবস্থাপনা সিস্টেম চালু রাখা খুবই জরুরি।

বেতন ও স্টাফ পারফরমেন্স ট্র্যাকিং
স্টাফদের উপস্থিতি, বেতন ও দায়িত্বপালনের উপর ভিত্তি করে রিপোর্ট তৈরি করুন — যা Somity Keeper-এ সম্ভব।

SMS ও রিপোর্টিং মডিউল ব্যবহার করুন
নিয়মিত রিপোর্ট জেনারেট করা, অডিট প্রস্তুতি ও সদস্যদের মেসেজ পাঠানোর কাজ এখন হয়ে উঠুক আরও সহজ।


Somity Keeper এর বিশেষ ফিচার যা আপনাকে এগিয়ে রাখবে

  • ক্লাউড-ভিত্তিক, তাই যেকোনো জায়গা থেকে অ্যাক্সেসযোগ্য

  • সঞ্চয়, ঋণ, শেয়ার, DPS, FDR মডিউল

  • বেতন, ভাউচার, নথি ও পরিচালক ব্যবস্থাপনা

  • সিকিউরিটি ও ব্যাকআপ সিস্টেম

  • মোবাইল নম্বর ভিত্তিক SMS অ্যালার্ট

  • বিস্তারিত ও কাস্টমাইজড রিপোর্ট জেনারেশন


সমিতি পরিচালনায় আধুনিক টুলস ব্যবহার এখন সময়ের দাবি। Somity Keeper শুধু একটি সফটওয়্যার নয় — এটি একটি স্মার্ট পার্টনার, যা আপনার সমিতির প্রতিটি লেনদেনকে সুশৃঙ্খল ও নির্ভরযোগ্যভাবে পরিচালনা করে। আজই সময়, আপনার সমিতিকে ডিজিটাল যুগে নিয়ে যাবার।



___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

ঢাকা অফিস:

ফোনঃ 01305486661, 01689655055, 01852778272

বাসা ৩, রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

আপনার সমিতির হিসাব ব্যবস্থাপনা কি জটিল হয়ে উঠছে? অসংখ্য ডকুমেন্ট, গ্রাহকদের লেনদেন, মাঠকর্মীদের কালেকশন ও কাজের আপডেট রাখা এখন আর চিন্তার বিষয় নয়! সমিতি কিপার অনলাইন সফটওয়্যার দিয়ে সবকিছুই হবে সহজ, নিরাপদ ও স্বয়ংক্রিয়। এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে আপনি গ্রাহকদের তথ্য নির্ভুলভাবে সংরক্ষণ করতে পারবেন, তারিখ অনুযায়ী লোন আদান-প্রদান ও স্টেটমেন্ট দেখতে ও প্রিন্ট করতে পারবেন। এছাড়া, ব্যাংকের সকল লেনদেনের হিসাব রাখা, নিজের পছন্দমতো DPS, FDR স্কিম তৈরি করা, প্রতিদিনের আয়-ব্যয় হিসাব রাখা এবং মাসিক ও ফিক্সড প্রফিট বিতরণ করা যাবে অত্যন্ত সহজে। গ্রাহকদের নিয়মিত আপডেট পাঠাতে থাকছে এসএমএস নোটিফিকেশন সুবিধা, পাশাপাশি কাস্টমার লেজার ও ইউজার-ওয়াইজ কালেকশন রিপোর্টও দেখতে পারবেন। সফটওয়্যারটিতে আনলিমিটেড ইউজার সংযুক্ত করা সম্ভব, এবং নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী রোল সেটআপ করার সুবিধাও রয়েছে। বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় ব্যবহারযোগ্য এই অনলাইন সফটওয়্যারটি যেকোনো সময়, যেকোনো ডিভাইস থেকে পরিচালনা করা যাবে।

নির্ভুল ও নিরাপদ হিসাব ব্যবস্থাপনার জন্য আজই সমিতি কিপার ব্যবহার শুরু করুন এবং আপনার সমিতিকে আরও স্মার্ট ও সংগঠিত করুন! 🚀

সদস্য মডিউল
সদস্য মডিউলটি সমিতির সকল সদস্যের তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করার একটি অত্যাধুনিক ব্যবস্থা প্রদান করে। এই মডিউলের মাধ্যমে সদস্যদের ব্যক্তিগত তথ্য, সদস্যপদ সম্পর্কিত বিবরণ, এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডেটা সহজেই সংরক্ষণ করা যায়। সদস্যপদ পরিচালনার ক্ষেত্রে এই মডিউলটি সমিতির ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সদস্যদের যোগদান, সদস্যপদ নবায়ন, এবং সদস্যদের ডাটা আপডেট করার জন্য এটি সহজ ও কার্যকরী একটি সমাধান প্রদান করে। এছাড়া, সদস্যদের আর্থিক অবস্থা এবং অন্যান্য কার্যক্রম সম্পর্কিত তথ্যও এই মডিউলে সংরক্ষিত থাকে।

শেয়ার মডিউল
শেয়ার মডিউলটি সমিতির শেয়ার সম্পর্কিত সমস্ত কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য একটি সুসংহত প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে। এই মডিউলের মাধ্যমে শেয়ার সংগ্রহ, বণ্টন, এবং হিসাবরক্ষণ খুব সহজেই করা যায়। শেয়ারের সংখ্যা, শেয়ার মূল্যের বিবরণ, এবং শেয়ারহোল্ডারদের তথ্যের নির্ভুল হিসাব রাখার জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকরী। শেয়ার হস্তান্তর, নতুন শেয়ার ইস্যু, এবং শেয়ার লভ্যাংশ বিতরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো এই মডিউলের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করা যায়, যা সমিতির আর্থিক ব্যবস্থাপনা আরও সহজ ও নিরাপদ করে তোলে। যা এককথায় অসাধারণ একটি ফিচার।

সাধারন সঞ্চয় মডিউল
সাধারণ সঞ্চয় মডিউলটি সমিতির সদস্যদের জন্য সঞ্চয়ের সুবিধা সহজ ও কার্যকরী করার উদ্দেশ্যে তৈরি। এই মডিউলের মাধ্যমে সদস্যরা তাদের নিয়মিত সঞ্চয় জমা রাখতে পারে এবং সেই সঞ্চয়ের উপর সুদ উপার্জন করতে পারে। সদস্যদের সঞ্চয়ের পরিমাণ, জমা এবং উত্তোলন সম্পর্কিত তথ্য সহজেই এই মডিউলের মাধ্যমে পরিচালনা করা যায়। এছাড়া, মডিউলটি সদস্যদের সঞ্চয়ের ব্যালেন্স দেখার, সঞ্চয়ের হিসাবের বিস্তারিত তথ্য পর্যবেক্ষণ করার এবং সময়মতো সঞ্চয় জমা দেওয়ার স্মারক প্রাপ্তির সুবিধা প্রদান করে। সমিতির ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা এবং নির্ভুলতা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে।

সাধারন ঋণ মডিউল
সাধারণ ঋণ মডিউলটি সমিতির সদস্যদের ঋণ ব্যবস্থাপনা সহজ ও কার্যকর করার জন্য একটি সমন্বিত সমাধান প্রদান করে। এই মডিউলের মাধ্যমে সদস্যদের ঋণ আবেদন, ঋণ অনুমোদন, এবং ঋণের পরিশোধ সম্পর্কিত সমস্ত কার্যক্রম দক্ষতার সাথে পরিচালনা করা যায়। ঋণের সুদ, কিস্তি, এবং অন্যান্য শর্তাবলী স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব করা হয়, যা সমিতির অর্থ ব্যবস্থাপনাকে আরও সহজ করে তোলে। সাধারণ ঋণ মডিউলটি ঋণের বিবরণ সংরক্ষণ এবং সদস্যদের ঋণের অবস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করার জন্য একটি নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে। যা এককথায় অসাধারণ।

স্টাফ ফান্ড মডিউল
স্টাফ ফান্ড মডিউলটি স্টাফের আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য একটি সম্পূর্ণ সমাধান প্রদান করে। এই মডিউলের মাধ্যমে নিম্নলিখিত বিষয়গুলির সহজ এবং কার্যকরী ব্যবস্থাপনা করা সম্ভব: বেতন: কর্মীদের বেতন নিয়ন্ত্রণ ও বিতরণের জন্য পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা। নির্দিষ্ট সময়ে বেতন প্রদান নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। প্রভিডেন্ট ফান্ড: কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের সঞ্চয় ও ব্যয়ের সম্পূর্ণ হিসাব রাখা হয়। সঞ্চিত পরিমাণ এবং বিতরণ নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়। নিরাপত্তা জামানত: কর্মীদের নিরাপত্তা জামানতের হিসাব এবং ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। জামানতের পরিমাণ ও ফেরতের প্রক্রিয়া সহজ করা হয়। বাসা ভাড়া: কর্মীদের বাসা ভাড়ার নিয়মিত হিসাব ও পরিশোধের জন্য একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা প্রদান করে। মোবাইল বিল: কর্মীদের মোবাইল বিলের হিসাব ও পরিশোধ ব্যবস্থাপনা করে। বিলের পরিমাণ এবং পেমেন্ট সঠিকভাবে ট্র্যাক করা হয়। স্টাফ ফান্ড মডিউলটি স্টাফদের আর্থিক সুবিধার সঠিক ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনার জন্য অত্যন্ত কার্যকরী একটি টুল।

স্বয়ংক্রিয় মুনাফা বিতরণ মডিউল (বাৎসরিক হিসাবে)
স্বয়ংক্রিয় মুনাফা বিতরণ মডিউলটি সমিতির বার্ষিক মুনাফা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সদস্যদের মধ্যে বিতরণের একটি আধুনিক ব্যবস্থা। এই মডিউলটি মাসিক অন্তিম ব্যালেন্স অনুযায়ী মুনাফা বিতরণের হিসাব করে এবং সদস্যদের অটোমেটিক্যালি তাদের প্রাপ্য মুনাফা প্রদান করে। মাসিক অন্তিম ব্যালেন্সের উপর ভিত্তি: প্রতিটি মাসের অন্তিম ব্যালেন্সের ওপর ভিত্তি করে মুনাফার হিসাব নির্ধারণ করা হয়। স্বয়ংক্রিয় গণনা ও বিতরণ: মুনাফার পরিমাণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে গণনা হয় এবং সদস্যদের অ্যাকাউন্টে বিতরণ করা হয়, যা সময় ও শ্রমের সাশ্রয় করে। বার্ষিক রিপোর্ট: মডিউলটি একটি বিস্তারিত বার্ষিক রিপোর্ট তৈরি করে, যা সদস্যদের মুনাফার ইতিহাস ও বিতরণ পরিসংখ্যান প্রদর্শন করে। এই মডিউলটি ব্যবস্থাপকদের জন্য মুনাফার হিসাব ও বিতরণ প্রক্রিয়া সহজতর করে এবং সদস্যদের জন্য একটি স্বচ্ছ ও নির্ভুল মুনাফা বিতরণ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করে। এবং আমাদের দৈনন্দিন কাজকে সহজতর করে তোলে। এবং এটি অনেক লম্বা সময়ের কাজ খুব দ্রুত সময়ে প্রসেস করে ফেলে।

মাসিক সঞ্চয় মডিউল (ডিপিএস)
মাসিক সঞ্চয় মডিউল (ডিপিএস) সমিতির সদস্যদের মাসিক সঞ্চয় পরিকল্পনা পরিচালনা করার একটি নির্ভরযোগ্য ও সহজ পদ্ধতি প্রদান করে। এই মডিউলের মাধ্যমে সদস্যরা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ মাসিক ভিত্তিতে সঞ্চয় করতে পারেন এবং নির্ধারিত সময় শেষে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রাপ্ত হতে পারে। ডিপিএস মডিউলটি সদস্যদের সঞ্চয়ের তথ্য সংরক্ষণ, সঞ্চয়ের উপর সুদ হিসাব করা, এবং সময়মত সঞ্চয়ের অর্থ জমা করার প্রক্রিয়া সহজতর করে। সদস্যরা তাদের ডিপিএস হিসাবের বিবরণ যেকোনো সময় অ্যাক্সেস করতে পারেন, যা তাদের সঞ্চয়ের অগ্রগতি নিরীক্ষণে সহায়ক হয়।

সিসি লোন মডিউল
সিসি (ক্যাশ ক্রেডিট) লোন মডিউলটি সমিতির সদস্যদেরকে কার্যকরভাবে ক্যাশ ক্রেডিট লোন পরিচালনা করতে সহায়তা করে। এই মডিউলের মাধ্যমে সদস্যদের সিসি লোনের আবেদন, অনুমোদন, এবং পরিশোধের প্রক্রিয়া সহজ ও স্বয়ংক্রিয় করা যায়। সদস্যদের লোনের সীমা, সুদের হার, এবং পরিশোধের সময়সূচি সবকিছুই এই মডিউলে সংরক্ষিত থাকে। সমিতি ব্যবস্থাপকদের জন্য এটি একটি কার্যকরী টুল, যা তাদেরকে সিসি লোন সম্পর্কিত সব তথ্য সহজেই অ্যাক্সেস করতে দেয়। সিসি লোন মডিউলটি স্বচ্ছতা বজায় রেখে সমিতির আর্থিক ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এককালীন আমানত মডিউল
এককালীন আমানত মডিউল (FDR) সমিতির সদস্যদের এককালীন আমানতের ব্যবস্থাপনা সহজ এবং সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এই মডিউলের মাধ্যমে সদস্যরা এককালীন আমানত (ফিক্সড ডিপোজিট রেকর্ড) করতে পারেন এবং তাদের আমানতের বিবরণ, মেয়াদ, সুদ হার, এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সহজেই ট্র্যাক করতে পারেন। স্বয়ংক্রিয় ভাবে মাসের প্রফিট তৈরি হয় এবং উত্তোলন করা যায় এবং এর স্টেটমেন্ট বের করা যায়। এছাড়াও এটাকে দৈনিক এবং মাসিক আকারে প্রফিট নিরূপণ করা যায়।

বহিঃ ঋণ মডিউল
বহিঃ ঋণ মডিউলটি সমিতির বাইরের ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নেওয়া ঋণের ব্যবস্থাপনায় সহায়ক। এই মডিউলটির মাধ্যমে সমিতি বাহ্যিক ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান অথবা ব্যক্তিদের ঋণের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ, এবং পরিচালনা করতে পারে। এতে ঋণের পরিমাণ, সুদের হার, ঋণের শর্তাবলী, এবং ঋণ পরিশোধের সময়সীমা ইত্যাদি তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া, ঋণের সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত করার জন্য এই মডিউলটি পর্যবেক্ষণ এবং রিপোর্টিংয়ের সুবিধাও প্রদান করে। এটি সমিতির ঋণ ব্যবস্থাপনাকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করে তোলে।

ব্যাংক মডিউল
ব্যাংক মডিউলটি সমিতির ব্যাংক লেনদেন এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় একটি সুনির্দিষ্ট সমাধান প্রদান করে। এই মডিউলের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক একাউন্টের তথ্য সহজে পরিচালনা এবং পর্যবেক্ষণ করা যায়। এটি ব্যাংক লেনদেনের বিস্তারিত রেকর্ড সংরক্ষণ করে এবং বিভিন্ন আর্থিক কার্যক্রম যেমন জমা, উত্তোলন, স্থানান্তর ইত্যাদি ট্র্যাক করতে সাহায্য করে। এই মডিউলের মাধ্যমে সমিতির ব্যালেন্স, ডিপোজিট, উত্তোলন এবং অন্যান্য ব্যাংক লেনদেনের বিবরণ সহজেই পর্যবেক্ষণ করা যায়। এটি সমিতির আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে এবং নিয়মিত ব্যাংক স্টেটমেন্ট আপডেটের মাধ্যমে সমিতির আর্থিক পরিস্থিতির সঠিক পর্যালোচনা করা সম্ভব হয়।

পরিচালক মডিউল
পরিচালক মডিউলটি সমিতির পরিচালনা পর্ষদ এবং ব্যবস্থাপনা দলের সদস্যদের জন্য একটি সম্পূর্ণ সমাধান প্রদান করে। এই মডিউলের মাধ্যমে পরিচালকদের তথ্য সংরক্ষণ, তাদের কার্যক্রম ট্র্যাক করা এবং পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বিশ্লেষণ করা সম্ভব হয়। মডিউলটি পরিচালকদের তালিকা তৈরি, তাদের ভূমিকা ও দায়িত্ব নির্ধারণ, এবং তাদের কর্মক্ষমতা মূল্যায়ন করতে সাহায্য করে। এছাড়া, পরিচালকদের সভার রেকর্ড, সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনা পরিচালনার জন্য এই মডিউলটি একটি কার্যকরী প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে।

বিশেষ লোন মডিউল
বিশেষ লোন মডিউলটি সমিতির সদস্যদের জন্য বিশেষ ধরনের ঋণ প্রদানের একটি উন্নত ব্যবস্থা। এই মডিউলের মাধ্যমে সদস্যদের বিভিন্ন প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী ঋণ প্রদান করা হয় যা সাধারণ ঋণ সুবিধার বাইরে। বিশেষ লোন মডিউলটি সদস্যদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করতে সক্ষম যা বিশেষ পরিস্থিতি এবং জরুরি প্রয়োজনের ক্ষেত্রে কার্যকর। মডিউলটির মাধ্যমে ঋণ আবেদন, অনুমোদন, এবং পরিশোধের প্রক্রিয়া সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হয়। ঋণ শর্তাবলী, সুদের হার, এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও এই মডিউলে নির্ধারিত থাকে।

এসেট মডিউল
এসেট মডিউলটি সমিতির সকল সম্পত্তি ও সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও কার্যকরী প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে। এই মডিউলটির মাধ্যমে সমিতির সকল ধরণের সম্পত্তি, যেমন: জমি, ভবন, গাড়ি, এবং অন্যান্য মূলধন সম্পদ সহজে রেকর্ড ও পর্যবেক্ষণ করা যায়। এসেট মডিউলটি সম্পত্তির ক্রয়, বিক্রয়, রক্ষণাবেক্ষণ এবং অবমূল্যায়ন সম্পর্কিত তথ্য বিশ্লেষণ ও পরিচালনা করার সুযোগ দেয়। এটি সম্পত্তির মুল্যায়ন, অবস্থা, এবং সম্পর্কিত ট্রানজেকশনের ইতিহাসও সংরক্ষণ করে, যা সমিতির সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ভাউচার মডিউল
ভাউচার মডিউল – ইনকাম/এক্সপেন্স মডিউলটি আপনার সমিতির আর্থিক লেনদেন সহজ ও সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য অত্যন্ত কার্যকরী একটি টুল। এই মডিউলের মাধ্যমে ইনকাম এবং এক্সপেন্স সম্পর্কিত সমস্ত ভাউচার ব্যবস্থাপনা করা যায়। ইনকাম ট্র্যাকিং: মডিউলটি সমস্ত আয় সম্পর্কিত ভাউচারকে ট্র্যাক করে, যা আপনাকে আয়ের উৎস এবং পরিমাণ নির্ধারণ করতে সহায়তা করে। এক্সপেন্স মনিটরিং: খরচ সম্পর্কিত সমস্ত ভাউচার সঠিকভাবে নথিভুক্ত করা হয়, যাতে ব্যয় সম্পর্কিত বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা যায়। অটোমেটেড রিপোর্টিং: ইনকাম ও এক্সপেন্সের উপর ভিত্তি করে অটোমেটেড রিপোর্ট তৈরি করা হয়, যা আপনাকে দ্রুত আর্থিক অবস্থা মূল্যায়ন করতে সহায়তা করে। ভাউচার তৈরির সুবিধা: নতুন ভাউচার তৈরি করা এবং পূর্ববর্তী ভাউচার সম্পাদনা করা সহজ হয়। ফিনান্সিয়াল অডিট: আর্থিক অডিটের জন্য সমস্ত ভাউচার তথ্য সহজে একসাথে দেখা যায় এবং যাচাই করা যায়। এই মডিউলটি আপনার সমিতির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকরী করে তুলতে সহায়ক।

মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন
সমিতি কিপার সফটওয়্যারের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহারকারীদের একটি শক্তিশালী এবং সুবিধাজনক অভিজ্ঞতা প্রদান করে। এই অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে, ব্যবহারকারীরা তাদের সদস্যপদ, সঞ্চয়, ঋণ, এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সহজেই মোবাইল ডিভাইসের মাধ্যমে এক্সেস করতে পারে। অ্যাপ্লিকেশনটি বাস্তব সময়ে আপডেট দেয়, ফলে ব্যবহারকারীরা তাদের আর্থিক অবস্থা এবং কার্যক্রম সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্য জানতে পারেন। এটি ব্যবহারকারীদের তথ্য পরিচালনা, লেনদেনের স্ট্যাটাস পর্যবেক্ষণ, এবং গুরুত্বপূর্ণ নোটিফিকেশন পাওয়ার সুবিধাও প্রদান করে। মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহারকারীদের জন্য একটি দ্রুত, সুরক্ষিত এবং সহজলভ্য সমাধান, যা তাদের জীবনকে আরও সহজ এবং কার্যকরী করে তোলে। গুগল প্লে স্টোর থেকে সমিতি কিপার সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করা যায়, এছাড়া প্রতিষ্ঠান চাইলে নিজের নামে গুগল প্লে স্টোরে অ্যাপ আপডেট করতে পারেন.

নোটিশ মডিউল
নোটিশ মডিউলটি সমিতির সকল নোটিশ ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য একটি কার্যকরী ব্যবস্থা। এই মডিউলটির মাধ্যমে আপনি সহজেই নোটিশ তৈরি, প্রকাশ, এবং পরিচালনা করতে পারবেন। এতে আপনি সদস্যদের জন্য জরুরি নোটিশ, সভার ঘোষণা, এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আপডেটগুলি সহজেই পাঠাতে পারেন। নোটিশ মডিউলটি একটি কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে, যা নিশ্চিত করে যে সমস্ত সদস্য সময়মতো প্রয়োজনীয় তথ্য ও আপডেট পায়। এছাড়া, পূর্ববর্তী নোটিশগুলোও সহজেই অনুসন্ধান ও অ্যাক্সেস করা যায়, যা সমিতির কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা বাড়ায়।

মিটিং মডিউল
মিটিং মডিউলটি সমিতির সভাগুলির সুষ্ঠু এবং কার্যকর পরিচালনার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এই মডিউলের মাধ্যমে সদস্যদের মিটিংয়ের সময়সূচী নির্ধারণ, মিটিং-এর কার্যবিবরণী তৈরি এবং মিটিং সংক্রান্ত সকল তথ্য সংগঠিত করা সম্ভব। মিটিং মডিউলটি মিটিংয়ের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ দিককে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্র্যাক করে, যেমন উপস্থিতি রেকর্ডিং, আলোচনা বিষয়ের নথিপত্র, এবং সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন। এছাড়াও, এটি মিটিংয়ের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা এবং সম্পাদনা করার জন্য একটি কার্যকরী প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে।

এসএমএস মডিউল
এসএমএস মডিউলটি সমিতির সকল লেনদেনের সাথে সাথেই মোবাইল ফোনে তাত্ক্ষণিক এসএমএস সতর্কতা প্রদান করে। এই মডিউলটি লেনদেন সম্পন্ন হওয়ার পর সদস্যদের দ্রুত জানিয়ে দেয় যাতে তারা তাদের একাউন্টের পরিবর্তনগুলো সঠিকভাবে ট্র্যাক করতে পারে। এসএমএস মডিউলটি বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে সদস্যরা তাদের লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য যেমন ডিপোজিট, উইথড্রয়াল, এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আপডেট সঠিক সময়ে পেতে পারেন। এটি সদস্যদের জন্য একটি নিরাপদ এবং স্বচ্ছ লেনদেন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে।

স্টাফ টার্গেট মডিউল
স্টাফ টার্গেট মডিউলটি কর্মীদের পারফরম্যান্স ট্র্যাকিং এবং লক্ষ্য নির্ধারণের জন্য একটি শক্তিশালী টুল সরবরাহ করে। এই মডিউলের মাধ্যমে আপনি কর্মীদের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারণ করতে পারেন এবং তাদের অর্জন পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। এটি কর্মীদের উদ্দেশ্যপূর্ণ কাজ এবং লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করে, পাশাপাশি তাদের পারফরম্যান্স উন্নত করার জন্য প্রয়োজনীয় ফিডব্যাক প্রদান করে। স্টাফ টার্গেট মডিউলটি কর্মীদের কাজের প্রগতি এবং ফলাফল বিশ্লেষণ করার সুবিধা দেয়, যা কার্যকরী ব্যবস্থাপনা এবং লক্ষ্য-ভিত্তিক পরিকল্পনার জন্য অপরিহার্য।

পাশবই ম্যানেজমেন্ট মডিউল
পাশবই ম্যানেজমেন্ট মডিউলটি সমিতির সদস্যদের সঞ্চয় এবং লেনদেনের তথ্য সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও পরিচালনা করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এই মডিউলের মাধ্যমে সদস্যদের সকল লেনদেনের তথ্য পাশবই আকারে সংরক্ষণ করা হয়, যা ভবিষ্যতে সহজে রেফারেন্স করা যায়। সদস্যদের জমা, উত্তোলন, এবং অন্যান্য লেনদেনের সকল তথ্য পাশবইয়ে লিপিবদ্ধ থাকে, যা স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা নিশ্চিত করে। পাশবই ম্যানেজমেন্ট মডিউলটি ব্যবহার করে, সমিতি সহজেই সদস্যদের লেনদেনের ইতিহাস ট্র্যাক করতে পারে এবং সদস্যদের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেতে সহায়তা করে। এটি সমিতির কার্যক্রমকে আরও সুসংহত এবং কার্যকরী করে তোলে।

সম্মিলিত আদায় মডিউল
স্বসম্মিলিত আদায় মডিউলটি সঞ্চয়, ডিপিএস (মাসিক সঞ্চয়), এবং কিস্তি আদায়ের জন্য একটি সহজ এবং দ্রুত উপায় প্রদান করে। এই মডিউলটির সাহায্যে একক ফর্মে বিভিন্ন ধরনের আদায় পরিচালনা করা যায়, যা সময় ও প্রচেষ্টার সাশ্রয় করে। ব্যবহারকারীরা সহজেই একত্রিতভাবে তাদের সঞ্চয়, ডিপিএস, এবং কিস্তির পরিমাণ জমা দিতে পারেন। এটি ব্যবস্থাপনাকে একটি সুসংগঠিত এবং কার্যকরী উপায়ে সব আদায় একত্রিত করার সুবিধা প্রদান করে, ফলে সমিতির আয় ও হিসাব-নিকাশ আরও স্বচ্ছ এবং নির্ভুল হয়। সফটওয়্যার এর পরিভাষায় এটাকে কমন কালেকশন হিসেবে ও পরিচিত করা হয়েছে।

নথি ব্যবস্থাপনা মডিউল
নথি ব্যবস্থাপনা মডিউলটি সমিতির যাবতীয় নথি ও ডকুমেন্ট সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য একটি অত্যাধুনিক সমাধান প্রদান করে। এই মডিউলের মাধ্যমে সকল গুরুত্বপূর্ণ নথি যেমন চুক্তিপত্র, অর্থনৈতিক লেনদেনের রেকর্ড, সদস্যপদ সংক্রান্ত দলিলাদি ইত্যাদি সহজেই ডিজিটাল ফরম্যাটে সংরক্ষণ করা যায়। এটি নথি খোঁজা, নথি আপডেট করা এবং নথির সুরক্ষা নিশ্চিত করার কাজকে অত্যন্ত সহজ ও কার্যকরী করে তোলে। নিরাপদ ডেটাবেস এবং দ্রুত অনুসন্ধান সুবিধা দ্বারা এই মডিউলটি সমিতির নথি ব্যবস্থাপনায় একটি নির্ভরযোগ্য ও আধুনিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।

পরিচয়পত্র যাচাই মডিউল
পরিচয়পত্র যাচাই মডিউলটি সমিতির সদস্যদের পরিচয়পত্র (NID) যাচাই করার একটি উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এই মডিউলটি বাংলাদেশ জাতীয় পরিচয়পত্র ডেটা সার্ভারের সাথে সংযুক্ত থাকে, যার মাধ্যমে সদস্যদের পরিচয়পত্রের তথ্য দ্রুত ও নির্ভুলভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়। এই মডিউলের সাহায্যে সদস্যদের পরিচয় নিশ্চিতকরণ প্রক্রিয়া আরও নির্ভরযোগ্য এবং সঠিক হয়। পরিচয়পত্র যাচাইয়ের মাধ্যমে সমিতির পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। এটি সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় একটি অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। এক্ষেত্রে আপনি ভুয়া সদস্যদের কে আইডেন্টিফাই করতে পারবেন খুব সহজেই.

টাস্ক / রিমাইন্ডার মডিউল
সদস্যদের বা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে নির্দিষ্ট সময়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর জন্য স্মরণ করিয়ে দেয়, যা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করে। সময়মতো কাজ সম্পন্ন করার জন্য এবং দায়িত্বশীলতা বজায় রাখার জন্য এই মডিউলটি অত্যন্ত কার্যকর। এটি সমিতির কার্যক্রম পরিচালনায় একটি সহায়ক হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে, যেখানে প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ সঠিক সময়ে সম্পন্ন হয়। নির্দিষ্ট সময়ে এসএমএস এলার্ট প্রদান করে, যা আপনাকে কাজের প্রতি আরো মনোযোগী করে তোলে।

অনুদান / চাঁদা সংগ্রহ মডিউল
অনুদান / চাঁদা সংগ্রহ মডিউলটি সমিতির সকল ধরণের অনুদান এবং চাঁদা সংগ্রহের কাজকে সহজতর এবং স্বয়ংক্রিয় করে তোলে। এই মডিউলের মাধ্যমে সদস্যদের থেকে চাঁদা গ্রহণ, অনুদানের হিসাব রাখা এবং অনুদানের পরিমাণ বিশ্লেষণ করা যায়। এছাড়াও, সদস্যদের নিয়মিত চাঁদা প্রদানের সময়সূচী অনুসারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুস্মারক পাঠানো যায়, যা সময়মতো চাঁদা প্রদানে উৎসাহিত করে। মডিউলটি অনুদান ও চাঁদার হিসাব-নিকাশের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সহায়ক।

সমিতি কিপার এর বিশেষত্ব
ক্লাউড বেজড
সমিতি কিপার এর বড় সুবিধা হলো এটি ক্লাউড বেজড সফটওয়্যার। তাই বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকেই ইন্টারনেট সংযুক্ত হয়ে ব্যবহার করা যায়।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
সমিতি কিপার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং হিউম্যান ইন্টারআকশনের চমৎকার সমন্বয়। চমৎকার বর্ণিল গ্রাফিক্যাল উপস্থাপনা লেনদেনের যাবতীয় তথ্য প্রদর্শন করে এবং কিছু পরোক্ষ ব্যবসায়ীক পরামর্শও প্রদান করে।

নির্ভুল ব্যবস্থাপনা
সমিতি কিপার একটি ঝামেলাহীন নির্ভুল সমিতি ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার। আপনি খুব সহজেই আপনার সমবায় সমিতির হিসাব-নিকাশ কোন ভুল ভ্রান্তি ছাড়াই পরিচালনা করতে পারবেন।

সময় ব্যবস্থাপনা
বর্তমান সময়ে আপনি সবসময়-ই চান অল্প সময়ে অধিক কাজ করতে। আর ফিনান্সিয়াল প্রতিষ্ঠানগুলোতে কাজের পরিধি ব্যাপক। এগুলোকে সমিত কিপার এমন সিস্টেমে নিয়ে এসেছে যেখানে অল্প কাজে অধিক ফলাফল নিরুপণ করা যায়।

সহজ উপস্থাপনা
সমিতি কিপার সফটওয়্যার চমৎকার বর্ণিল গ্রাফিক্যাল উপস্থাপনা সংক্ষেপে লেনদেনের যাবতীয় তথ্য প্রদর্শন করে। ফলে যে কেউ খুব সহজে এক নজরে তার সমবায় সমিতির একাউন্টের সংক্ষিপ্ত ফলাফল পেতে পারে।

ব্যবহার প্রক্রিয়া
সমিতি কিপার সফটওয়্যার মুলত এর সহজ সরল উপস্থাপনার মাধ্যমে এই বাধা দূর করেছে। এর ফলে ব্যবহার বিধির সাহায্যে যে কেউ খুব সহজে এটি ব্যহার করতে পারবে।

সহজ রিপোর্ট ব্যবস্থাপনা
সমিতি কিপার সফটওয়্যারের মাধ্যমে লাভ-ক্ষতি, জমা-উত্তোলন, ট্রায়াল ব্যালেন্স, ব্যালেন্স শীট, সব ধরনের দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক এবং বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি করতে পারবেন।

সময় ব্যবস্থাপনা
এক কথায় বলতে গেলে ম্যানুয়াল প্রসেসে আপনারা যে কাজগুলো করেন সেটাকে যদি ১০০% ধরি তাহলে সমিতি কিপার আপনার এই কাজের পরিধিকে ৩০% নামিয়ে আনবে।

বর্তমান যুগে সমিতি পরিচালনা শুধু সঞ্চয় বা ঋণ প্রদান নয়—বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ আর্থিক ব্যবস্থাপনা। তথ্যের নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা, দ্রুত প্রতিবেদন তৈরি ও সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ—এসবই এখন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ছাড়া কঠিন। এখানেই আসে Somity Keeper সফটওয়্যারের কথা, যা বাংলাদেশের সমিতি ব্যবস্থাপনার জন্য একটি আধুনিক ও কার্যকর সমাধান।


💡 Somity Keeper কী?

Somity Keeper একটি বাংলাদেশ-ভিত্তিক ডিজিটাল সমিতি ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার, যা সঞ্চয় ও ঋণ সমিতিগুলোর হিসাব, কিস্তি আদায়, রেজিস্টার সংরক্ষণ, রিপোর্ট তৈরি এবং সদস্য ব্যবস্থাপনা—all in one—পদ্ধতিতে পরিচালনা করতে সাহায্য করে।


🌟 Somity Keeper সফটওয়্যারের সেরা সুবিধাসমূহ:

✅ ১. সহজ ও ব্যবহারবান্ধব ইন্টারফেস

যে কেউ—চাই তিনি টেক-সাভি হোন বা না হোন—অল্প প্রশিক্ষণেই ব্যবহার করতে পারেন। ফর্ম ফিলআপ, কিস্তি এন্ট্রি, হিসাব দেখা, সবকিছুই ঝামেলামুক্ত।

✅ ২. স্বয়ংক্রিয় কিস্তি হিসাব ও রশিদ তৈরি

মাসিক কিস্তি গ্রহণ করার সময় সফটওয়্যার নিজে থেকেই সুদসহ পরিশোধযোগ্য অর্থ গণনা করে এবং রশিদ তৈরি করে দেয়।

✅ ৩. রিয়েল-টাইম রিপোর্টিং

প্রতিদিন, মাসিক বা বাৎসরিক আয়ের রিপোর্ট, ব্যালেন্স শিট, সদস্য ভিত্তিক লেনদেন রিপোর্ট—সবই রিয়েল টাইমে পাওয়া যায়।

✅ ৪. ডেটা নিরাপত্তা ও ব্যাকআপ সুবিধা

সকল তথ্য থাকে সুরক্ষিত ও নিয়মিত ব্যাকআপ নেওয়া হয়, যাতে কোনো সমস্যা হলেও হিসাব হারিয়ে না যায়।

✅ ৫. সদস্য পর্যায়ে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি

সদস্য চাইলে নিজের হিসাব ও কিস্তির হিস্টোরি জানতে পারেন। এতে প্রতিষ্ঠানের ওপর বিশ্বাস বাড়ে এবং ভুলভ্রান্তির সুযোগ কমে।

✅ ৬. বহুমুখী ব্যবহার সুবিধা

সমিতি ছাড়াও এনজিও, ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থা, সঞ্চয় প্রকল্প বা স্থানীয় অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানের জন্যও এটি উপযুক্ত।


🎯 কেন Somity Keeper কে বেছে নেবেন?

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অনেক সফটওয়্যার থাকলেও Somity Keeper-এর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো—সহজতা, স্বচ্ছতা ও গ্রামীণ বাস্তবতার সাথে মিল। এটি শুধু একটি সফটওয়্যার নয়, বরং একটি ডিজিটাল অংশীদার, যা প্রতিদিনের কাজকে দ্রুত ও নির্ভুল করে তোলে।


একটি সমিতি পরিচালনা মানে শুধু হিসাব রাখা নয়, বরং সদস্যদের স্বার্থ রক্ষা করা, স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্তিশালী আর্থিক ভিত্তি তৈরি করা। Somity Keeper সফটওয়্যার আপনাকে ঠিক সেটাই দিতে সক্ষম।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

একটি সমিতি মানেই হলো একাধিক সদস্য, মাসিক সঞ্চয়, ঋণ, কিস্তি এবং অসংখ্য হিসাব। কাগজ-কলমে এসব হিসাব রাখা যেমন ঝুঁকিপূর্ণ, তেমনি সময়সাপেক্ষ ও ভুলের আশঙ্কাও বেশি। বর্তমান যুগে যখন সবকিছুই ডিজিটাল হচ্ছে, তখন সমিতির হিসাব ব্যবস্থাপনাকেও ডিজিটালাইজ করা শুধু ট্রেন্ড নয়, বরং প্রয়োজন।

এই ব্লগে আমরা জানব কেন সমিতির ডিজিটাল হিসাব রাখা এখন সময়ের দাবি এবং এর ফলে কী কী সুবিধা মিলতে পারে।


💻 ১. স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা

ডিজিটাল সফটওয়্যারে একবার হিসাব এন্ট্রি করলেই তা নিরাপদভাবে সংরক্ষিত থাকে। এতে করে:

  • কোনো লুকোচুরি বা ভুলভ্রান্তির সুযোগ থাকে না

  • সদস্যদের মাঝে আস্থা তৈরি হয়

  • প্রতিবছর অডিট বা হিসাব চেক করতে সহজ হয়


🕒 ২. সময় ও শ্রম সাশ্রয়

কাগজে হিসাব রাখলে প্রতিটি কিস্তি লিখে রাখতে হয়। ডিজিটাল সিস্টেমে শুধু সদস্যের নাম সিলেক্ট করলেই সফটওয়্যার নিজে থেকে হিসাব দেখায়, সুদ যোগ করে এবং রশিদ প্রিন্ট করে দেয়। এতে মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের সময় বাঁচে এবং ভুল কমে।


📊 ৩. রিয়েল-টাইম রিপোর্টিং সুবিধা

ডিজিটাল হিসাব ব্যবস্থায় আপনি মুহূর্তেই দেখতে পাবেন:

  • কারা কিস্তি দিয়েছেন

  • কার বাকি আছে

  • মাসিক আয়-ব্যয়ের সারসংক্ষেপ

  • ঋণের পরিমাণ, সুদ এবং পেমেন্ট ইতিহাস

এগুলো এক ক্লিকেই Excel বা PDF আকারে ডাউনলোড করা যায়।


🔒 ৪. নিরাপত্তা ও ব্যাকআপ সুবিধা

ডিজিটাল হিসাব সফটওয়্যার সাধারণত ক্লাউড বা লোকাল সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে। ফলে:

  • কম্পিউটার নষ্ট হলেও হিসাব নষ্ট হয় না

  • পাসওয়ার্ড ও ইউজার রোল ব্যবস্থার মাধ্যমে তথ্য নিরাপদ থাকে

  • নির্দিষ্ট কিছু তথ্য শুধু নির্দিষ্ট কর্মকর্তারাই দেখতে পারেন


🧾 ৫. সদস্য পর্যায়ে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি

সদস্যরা নিজের হিসাব জানতে চাইলে দ্রুত পাসবই প্রিন্ট, কিস্তি রশিদ বা বিস্তারিত হিসাব দেখাতে পারবেন। এতে সদস্যদের মধ্যে বিশ্বাস ও সন্তুষ্টি বাড়ে, যা একটি সমিতির টেকসই ভবিষ্যতের জন্য অপরিহার্য।


সমিতির ডিজিটাল হিসাব শুধু একটি প্রযুক্তিগত আপডেট নয়, এটি একটি দায়িত্বশীল ও উন্নত ব্যবস্থাপনার প্রতীক। আধুনিক সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রতিটি হিসাব রাখা যেমন সহজ, তেমনি সময়োপযোগী ও নিরাপদ। যারা এখনো কাগজে-কলমে হিসাব রাখছেন, তাদের এখনই সময় ডিজিটাল পদক্ষেপ নেওয়ার।


সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661, 01852778272

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

সমবায় ভিত্তিক সঞ্চয় ও ঋণ সমিতিগুলোর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হলো নিয়মিত কিস্তি (Installment) সংগ্রহ। মাস শেষে সদস্যদের কাছ থেকে কিস্তি সংগ্রহ, হিসাব রাখা, এবং রিপোর্ট তৈরি করা একদিকে সময়সাপেক্ষ, অন্যদিকে ভুল হওয়ার সম্ভাবনাও অনেক। তবে সমিতি কিপার এই জটিলতাগুলোকে পরিণত করেছে সহজ, দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য প্রক্রিয়ায়।

এই ব্লগে আমরা জানব কিভাবে সমিতি কিপার সফটওয়্যার মাসিক কিস্তি সংগ্রহকে সহজ করে তোলে এবং সমিতির সার্বিক পরিচালনায় গতি আনে।


📲 ১. ডিজিটাল কিস্তি কালেকশন ব্যবস্থাপনা

সমিতি কিপার সফটওয়্যার সদস্যভিত্তিক মাসিক কিস্তির হিসাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি করে। এতে আপনি যেকোনো সময় দেখতে পারবেন:

  • কার কার কিস্তি বাকি আছে

  • কে কে পরিশোধ করেছেন

  • কত টাকা কালেক্ট হয়েছে

কিস্তি আদায়ের সময় শুধু মাত্র সদস্যের নাম সিলেক্ট করলেই সংশ্লিষ্ট মাস, কিস্তি পরিমাণ, সুদ ও মোট টাকার হিসাব চলে আসে — সময় লাগে মাত্র কয়েক সেকেন্ড।


📑 ২. অটোমেটিক কিস্তি হিসাব এবং সুদ গণনা

প্রতিবার কিস্তি আদায়ের সময় সফটওয়্যার নিজে থেকেই সুদসহ কিস্তির হিসাব করে দেয়। এতে হাতে ক্যালকুলেশন করার প্রয়োজন নেই, ফলে ভুলের সম্ভাবনা থাকে না।


📉 ৩. বকেয়া কিস্তির তালিকা ও রিপোর্ট

যে সদস্যরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কিস্তি জমা দেননি, তাদের জন্য বকেয়া রিপোর্ট তৈরি হয় একটি ক্লিকেই। এতে করে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা জানেন কাকে কবে কিস্তি দিতে বলা হয়েছে বা পুনরায় অনুস্মারক দেওয়া দরকার।


📋 ৪. কিস্তি রশিদ ও পাসবই প্রিন্ট

প্রতিটি কিস্তি সংগ্রহের পরপরই সফটওয়্যার থেকে রশিদ বা পাসবই প্রিন্ট করা যায়। এতে সদস্যদের স্বচ্ছতা এবং বিশ্বাস আরও বাড়ে।


📊 ৫. মাসিক রিপোর্ট ও বিশ্লেষণ

প্রতি মাসের শেষে আপনি পাচ্ছেন:

  • মোট কিস্তি আদায় রিপোর্ট

  • সদস্য অনুযায়ী রিপোর্ট

  • অফিসার অনুযায়ী কালেকশন রিপোর্ট

  • গ্রুপভিত্তিক বা এলাকার ভিত্তিতে আদায় বিশ্লেষণ

এসব তথ্য আপনাকে কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করবে।


সমিতি কিপার সফটওয়্যারের মাধ্যমে মাসিক কিস্তি সংগ্রহ আর এখন ঝামেলার কিছু না। এটি শুধু হিসাব ব্যবস্থাকে সহজ করে না, বরং একটি সমিতির ব্যবস্থাপনাকে করে আরো আধুনিক, স্বচ্ছ ও ফলপ্রসূ। আপনার যদি একটি সমিতি থাকে, যেখানে কিস্তি ভিত্তিক সেবা পরিচালনা হয়, তবে সমিতি কিপার হতে পারে আপনার জন্য আদর্শ সমাধান।

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

সমিতি কিপার সফটওয়্যার কি?

সমিতি কিপার সফটওয়্যার একটি আধুনিক সমিতি ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন প্রকার ঋণদান, সঞ্চয়, কিস্তি সংগ্রহ, সদস্য ব্যবস্থাপনা, হিসাব সংরক্ষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ক্ষুদ্র ঋণদান প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি, বেসরকারি সংগঠন (NGO) এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর জন্য উপযোগী।

——————————-

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

সদস্য ব্যবস্থাপনা – সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাকাউন্ট তৈরি, এবং সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় সদস্য তালিকা।
ঋণ ও কিস্তি পরিচালনা – ঋণ প্রদান, কিস্তির হিসাব সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কিস্তি অনুস্মারক।
হিসাব ও রিপোর্টিং – দৈনিক, মাসিক, বাৎসরিক রিপোর্ট তৈরি এবং এক্সেল ও পিডিএফ এক্সপোর্ট সুবিধা।
অনলাইন ও অফলাইন সুবিধা – ক্লাউড-ভিত্তিক এবং লোকাল সার্ভারে ব্যবহারের সুবিধা।
মাল্টি-ইউজার সিস্টেম – একাধিক ইউজার একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

——————————-

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

🔹 সহজ ইন্টারফেস – ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যায়।
🔹 নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা – অত্যাধুনিক এনক্রিপশন প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
🔹 ২৪/৭ সাপোর্ট – যেকোনো সমস্যা বা সাহায্যের জন্য দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট।

——————————-

___ ডেমো ও যোগাযোগ

📌 ডেমো লিংক Somity Keeper ডেমো দেখুন

📌 ওয়েবসাইট www.somitykeeper.com

📌 দাম সম্পর্কে জানুনঃ https://somitykeeper.com/pricing/
📌 ফেসবুক পেজ Somity Keeper Facebook
📌 যোগাযোগ – 📞 +8801305486661

📌 সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/

——————————-

সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ Youtube Playlist

👉 Somity Keeper Software – সমিতি পরিচালনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করুন!

 

ঢাকা অফিস

ঢাকা অফিসঃ 

ফোনঃ 01305486661 , 01689655055

বাসা ৩,রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

 

চট্টগ্রাম অফিসঃ

হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক

পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

——————————-

সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ এর উদ্ভাবিত সমিতির হিসাব নিকাশের সফটওয়্যার সমিতি কিপার

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

বর্তমান যুগে প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে সমিতির কাজগুলোও দ্রুত, সহজ এবং নিরাপদ করতে প্রযুক্তির ভূমিকা অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে, কাগজ বিহীন সমিতি পরিচালনা এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এতে সমিতির সকল কার্যক্রম ডিজিটালাইজ করা হয়, যা সমিতির কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং সময় ও খরচ কমিয়ে আনে।

কাগজ বিহীন সমিতি পরিচালনার প্রয়োজনীয়তা:

সমিতির সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে কাগজপত্রের পরিমাণও বৃদ্ধি পায়। তথ্য সংরক্ষণ, হিসাব-নিকাশ, ঋণ বিতরণ, সঞ্চয় গ্রহণ ইত্যাদি কাজগুলো যখন ম্যানুয়ালি করা হয়, তখন ঝামেলা এবং ভুল হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। কাগজ বিহীন সমিতি পরিচালনা এই সমস্যা সমাধানে একটি কার্যকরী সমাধান দেয়। সফটওয়্যারের মাধ্যমে সবকিছু ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ করা যায়, যা সহজে অ্যাক্সেসযোগ্য এবং ঝুঁকিমুক্ত।

কাগজ বিহীন সমিতি পরিচালনার সফটওয়্যারের সুবিধা:

১. ডাটা সুরক্ষা ও নিরাপত্তা: ডিজিটাল পদ্ধতিতে সমিতির সকল ডাটা সুরক্ষিত থাকে, ফলে হারানোর কোন ঝুঁকি থাকে না।

২. দ্রুত কার্যকর প্রক্রিয়া: সদস্যদের তথ্য, ঋণ, সঞ্চয় ও অন্যান্য কার্যক্রম কয়েক সেকেন্ডে প্রসেস করা যায়।

৩. স্বয়ংক্রিয় হিসাব-নিকাশ: ম্যানুয়াল হিসাবের ঝামেলা এড়িয়ে, সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে সবকিছু সংরক্ষণ করে, যা সময় বাঁচায় এবং ভুল কমায়।

৪. স্মার্ট রিপোর্টিং: সহজে রিপোর্ট তৈরি ও ডাউনলোড করার সুবিধা দেয়, যা সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করে।

৫. পরিবেশবান্ধব: কাগজের ব্যবহার বন্ধ করে, পরিবেশ সংরক্ষণে সাহায্য করে।

কেন Somity Keeper ব্যবহার করবেন?

Somity Keeper এমন একটি সমাধান যা সমিতির সকল কাজকে সম্পূর্ণ কাগজবিহীন এবং ডিজিটাল করে তোলে। সদস্য ম্যানেজমেন্ট, ঋণ বিতরণ, সঞ্চয় সংগ্রহসহ সকল কার্যক্রম সহজ ও দ্রুত করতে এই সফটওয়্যার বিশেষ ভূমিকা রাখে। এর মাধ্যমে আপনি সহজে আপনার সমিতি পরিচালনা করতে পারবেন এবং সকল তথ্য এক জায়গায় সংরক্ষণ করতে পারবেন।

Somity Keeper এর ফিচারসমূহ:

  • সদস্য পরিচালনা মডিউল: সদস্যদের তথ্য ডিজিটাল ফরম্যাটে সংরক্ষণ ও পরিচালনার সুবিধা।
  • ঋণ ব্যবস্থাপনা: ঋণ প্রদানের তথ্য সংরক্ষণ এবং দ্রুত অ্যাক্সেসের সুবিধা।
  • সঞ্চয় ব্যবস্থাপনা: মাসিক সঞ্চয় গ্রহণ ও হিসাব নিকাশ সহজতর করা।
  • নথি ব্যবস্থাপনা: ডিজিটাল নথি সংরক্ষণ এবং সহজে অ্যাক্সেস করা।

উপসংহার:

কাগজ বিহীন সমিতি পরিচালনা প্রযুক্তির নতুন যুগের একটি বড় সুবিধা। Somity Keeper এর মতো আধুনিক সফটওয়্যারের মাধ্যমে সমিতির প্রতিটি কার্যক্রম দ্রুত, নিরাপদ এবং সহজে সম্পন্ন করা সম্ভব। Somity Keeper আপনার সমিতিকে উন্নততর, আধুনিক এবং পরিবেশবান্ধব সমাধান দিতে প্রস্তুত।

সমবায় সমিতি আইন ২০০১ (সংশোধিত ২০০২ ) – সমিতি কিপার

সমবায় সমিতি আইন ২০০১ (সংশোধিত ২০০২ ) – বিষয়টি নিয়ে জানতে লিংকে ক্লিক করে পিডিএফ ওপেন করুন

 

ক্লিক করুন এখানে

 

সমবায় সমিতির করনীয়ঃ

  • সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রত্যেক মাসে অন্ততপক্ষে ০১টি সভা নিশ্চিত করতে হবে।
  • সভানুষ্ঠানের কমপক্ষে ০৭( সাত) দিন পুর্বে সদস্যদের নোটিশ দিতে হবে।
  • সদস্যের ঋণ আবেদন, সদস্যপদ প্রত্যাহার ওবাতিল সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত  ব্যবস্থাপনা কমিটির  সভায় নিতে হবে।
  • বিশেষ কোন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য বিশেষ সাধারন সভা করতে হরে।
  • সমবায় বর্ষ শেষ হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে হিসাব বিবরনী প্রস্তুত অন্তে নিবন্ধক বরাবরে দাখিল করতে হবে।
  • প্রত্যেক বছর  জুলাই-মার্চ এর মধ্যে সুবিধাজনক সময়ে বরাদ্দপ্রাপ্ত অডিট অফিসারের সাথে যোগাযোগ করে বার নিরীক্ষা করে সনতে হবে।
  • নিরীক্ষা সম্পাদনের ৯০ দিনের মধ্যে নিরীক্ষায় উল্লেখিত দোষ-ত্রূটি সংশোধন করতঃ সংশোধনী প্রতিবেদন যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিবন্ধক বরাবরে দাখিল করতে হবে।
  • নিরীক্ষা সম্পাদনের ৬০ দিনের মধ্যে সাধারন সভা নিশ্চিত করতে হবে।
  • সাধারন সভার নোটিশ অন্ততপক্ষে ১৫ দিন পূর্বে দিতে হবে।
  • সাধারন সভায় আগামী অর্থ বছরের সম্ভাব্য বাজেট অনুমোদন করতে হবে।
  • অনুমোদিত বাজেট মোতাবেক আয় ও ব্যয় নির্বাহ করতে হবে এবং ব্যয়ের ক্ষেত্রে কৃচ্ছতা সাধন নীতি মেনে চলতে হবে।
  • কোন সদস্যের সদস্যপদ বাতিল করে থাকলে সাধারন সভায় তা চূড়ান্ত অনুমোদন করে নিতে হবে।
  • আয়-ব্যয়ের রশিদ বা ভাউচার সমিতিতে সংরক্ষন করতে হবে।
  • তারল্য সংকট মোকাবেলার জন্য মোট আদায়কৃত সঞ্চয় আমানতের ২৫% তারল্য সংরক্ষণ করতে হবে।
  •  সমবায় সমিতি আইনের ২৬(খ) ধারা মোতাবেক আমানত সুরক্ষা তহবিল গঠন করতে হবে।
  • সদস্যদের মধ্যে ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে ৭০-৭৪ বিধি অবশ্যই মেনে চলতে হবে।
  • সমিতিতে ৫০০০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকার অধিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নিবন্ধকের অনুমতি নিতে হবে।
  • বিদ্যমান ব্যবস্থাপনা কমিটির মেয়াদের মধ্যে কমপক্ষে ৬০ দিন পূর্বে খসড়া ভোটার তালিকা সহ নিবার্চনী নোটিশ দিতে হবে।
  • পরিশোধীত শেয়ার মুলধন ৫০০০০/- পযর্ন্ত হলে ব্যবস্থাপনা কমিটিকেই ৪৫ দিন আগেই নির্বাচন

 

কমিটি গঠন করে দিতে হবে।

  • পরিশোধীত শেয়ার মুলধন ৫০০০০/- টাকার উর্ধ্বে হলে কমপক্ষে ৫০ দিন পুর্বেই নির্বাচন কমিটির প্রস্তাব নিবন্ধক বরাবরে প্রেরণ করতে হবে।
  • নির্বাচন কমিটি কমপক্ষে ৩০ দিন পুর্বেই নির্বাচনী তফসীল ঘোষনা করতে হবে।
  • সমবায় সমিতি আইনের ২৪  ধারা ও সমবায় সমিতি বিধিমালার ৫৬ বিধি মোতাবেক রেজিষ্ট্রার  হালনাগাদ সংরক্ষণ করতে হবে।
  • সমবায় সমিতি আইন ও সমবায় সমিতি বিধিমালা এবং সমিতির উপ-আইন  মোতাবেক কার্যক্রম চালাতে হবে

 

সমবায় সমিতির বর্জনীয়ঃ

  • আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে কারো সদস্যপদ বাতিল করা যাবে না।
  • অনুমোদিত বাজেট বহির্ভুত ব্যয় করা যাবেনা।
  • সদস্যের বাহিরে কারো নিকট থেকে আমানত গ্রহণ বা ঋণ দেওয়া যাবেনা।
  • সভার সিদ্ধান্ত ব্যতীত সদস্যদের ঋণ দেওয়া যাবেনা।
  • সদস্যদের মধ্যে ঋণ বিতরনের ক্ষেত্রে ৭০-৭৪ বিধির ব্যত্যয় ঘটানো যাবেনা।
  • নিবন্ধকের অনুমতি ব্যতীত ৫০০০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকার অধিক বিনিয়োগ করা যাবেনা।
  • বিশেষ সাধারন সভা বা সাধারন সভায় সিদ্ধান্ত ব্যতীত কোন প্রকল্প গ্রহণ বা বাস্তবায়ন করা যাবেনা।
  • বিশেষ সাধারন সভা বা সাধারন সভায় সিদ্ধান্ত ব্যতীত কোন সদস্যের নিকট থেকে আমানত নেওয়া যাবেনা।

সমিতি কিপার কি?

সমিতি কিপার হলো একটি অত্যাধুনিক সফটওয়্যার সমাধান যা বিভিন্ন সমবায় সমিতির দৈনন্দিন কার্যক্রমকে সহজ, দ্রুত এবং দক্ষ করে তোলে। এই সফটওয়্যারটি বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে সমিতির সমস্ত লেনদেন, সদস্যপদ ব্যবস্থাপনা, ঋণ কার্যক্রম, সঞ্চয়, এবং অন্যান্য আর্থিক কার্যক্রমকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করা যায়। সমিতি কিপার ব্যবহারকারীদের জন্য একটি সহজতর ইন্টারফেস প্রদান করে, যা তাদের জটিল কার্যক্রমগুলি আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সহায়তা করে।

কিভাবে কাজ করে?

সমিতি কিপার বিভিন্ন মডিউল এবং ফিচারের সমন্বয়ে কাজ করে। এটি সমিতির সদস্যদের ব্যক্তিগত এবং আর্থিক তথ্য সংরক্ষণ, ঋণ প্রদান এবং পুনরুদ্ধার, সঞ্চয় কার্যক্রম পরিচালনা, এবং অন্যান্য ব্যাংকিং কার্যক্রমকে সহজতর করে। এখানে কিছু প্রধান মডিউল যা সমিতি কিপার এর কাজকে পরিচালনা করে:

  1. সদস্য মডিউল: এই মডিউলটি সমিতির সকল সদস্যের তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে। সদস্যদের ব্যক্তিগত এবং আর্থিক তথ্য এখানে সংরক্ষিত থাকে।
  2. ঋণ মডিউল: সমিতির ঋণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এই মডিউলটি ব্যবহৃত হয়। ঋণ অনুমোদন, পুনরুদ্ধার, এবং সুদ গণনা এখানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হয়।
  3. সঞ্চয় মডিউল: সমিতির সঞ্চয় কার্যক্রম, যেমন ডিপিএস এবং মাসিক সঞ্চয় স্কিম পরিচালনার জন্য এই মডিউলটি কার্যকর।
  4. ব্যাংক স্টেটমেন্ট মডিউল: সমিতির ব্যাংকিং লেনদেনের সমস্ত বিবরণ এখানে সংরক্ষিত থাকে।

এটার রিভিউ কেমন?

ব্যবহারকারীদের প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী, সমিতি কিপার একটি অত্যন্ত কার্যকর এবং সহজ ব্যবহারের সফটওয়্যার। এটি সমিতির কার্যক্রমকে দ্রুত এবং দক্ষভাবে পরিচালনা করতে সক্ষম, এবং এটি ব্যবহারের মাধ্যমে সমিতির আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়। ব্যবহারকারীরা সমিতি কিপার এর ইউজার ইন্টারফেস, সহজলভ্যতা, এবং গ্রাহক সহায়তার প্রশংসা করেছে। এছাড়া, সমিতি কিপার এর নিয়মিত আপডেট এবং উন্নত ফিচারসমূহও ব্যবহারকারীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

এটা কেন সমিতিতে ব্যবহার করা উচিত?

সমিতি কিপার ব্যবহারের মাধ্যমে সমিতির দৈনন্দিন কার্যক্রম সহজ, স্বচ্ছ, এবং দ্রুত হয়। এখানে কিছু প্রধান কারণ যার জন্য সমিতি কিপার ব্যবহার করা উচিত:

  1. স্বয়ংক্রিয় লেনদেন ব্যবস্থাপনা: সমিতি কিপার ব্যবহার করে সকল আর্থিক লেনদেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করা যায়, যা সময় এবং খরচ উভয়ই সাশ্রয় করে।
  2. সদস্য ব্যবস্থাপনা: সদস্যদের ব্যক্তিগত এবং আর্থিক তথ্য সহজেই সংরক্ষণ এবং পরিচালনা করা যায়।
  3. ঋণ এবং সঞ্চয় ব্যবস্থাপনা: ঋণ প্রদান, পুনরুদ্ধার, এবং সঞ্চয় কার্যক্রমের সঠিক পরিচালনার জন্য সমিতি কিপার অত্যন্ত কার্যকর।
  4. ব্যাংকিং কার্যক্রম: ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং অন্যান্য ব্যাংকিং কার্যক্রমের সহজ সংরক্ষণ এবং পর্যবেক্ষণ।

দাম কেমন প্যাকেজের?

সমিতি কিপার বিভিন্ন প্যাকেজের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের জন্য সহজলভ্য। প্যাকেজের দাম সাধারণত সমিতির আকার, সদস্য সংখ্যা, এবং প্রয়োজনীয় ফিচার অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। প্যাকেজের মূল্য সাধারণত সমিতির কার্যক্রম এবং সদস্য সংখ্যা অনুসারে পরিবর্তিত হয়, এবং এটি সমিতির আর্থিক সক্ষমতার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হয়।

কিভাবে কিনতে পারি?

সমিতি কিপার কিনতে চাইলে সরাসরি তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট somitykeeper.com থেকে কিনতে পারেন। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্যাকেজ নির্বাচন, মূল্য পরিশোধ, এবং সফটওয়্যার ডাউনলোড করা যায়। এছাড়া, সমিতি কিপার এর সেলস টিমের সাথে যোগাযোগ করে কাস্টম প্যাকেজ সম্পর্কেও আলোচনা করা সম্ভব।

আফটার সেলস সার্ভিস কেমন?

সমিতি কিপার এর আফটার সেলস সার্ভিস অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তারা সফটওয়্যার ইন্সটলেশন, কনফিগারেশন, এবং ব্যবহার সংক্রান্ত সকল সহায়তা প্রদান করে। এছাড়া, সফটওয়্যারের যে কোন সমস্যা বা আপডেট সংক্রান্ত তথ্য ব্যবহারকারীদের কাছে নিয়মিত সরবরাহ করা হয়। সমিতি কিপার এর গ্রাহক সেবা দল ২৪/৭ সাপোর্ট প্রদান করে, যাতে ব্যবহারকারীরা যেকোনো সমস্যায় দ্রুত সহায়তা পান।

সমিতি কিপার সমিতি ব্যবস্থাপনার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ সমাধান। এটি সমিতির কার্যক্রমকে স্বয়ংক্রিয় করে এবং ব্যবহারকারীদের জন্য সহজ করে তোলে।

মূল পয়েন্টসমূহ:

  • সমিতি সদস্য ব্যবস্থাপনা: সদস্যদের তথ্য, ফি, এবং অন্যান্য কার্যক্রম সহজে পরিচালনা করা যায়।
  • বিলিং এবং ইনভয়েস: স্বয়ংক্রিয় বিলিং এবং ইনভয়েস তৈরি।
  • অনলাইন পেমেন্ট: অনলাইন পেমেন্টের সুবিধা।
  • রিপোর্ট এবং বিশ্লেষণ: উন্নত রিপোর্ট এবং বিশ্লেষণ টুল।

পরিসংখ্যান:

  • সমিতি সদস্য ব্যবস্থাপনা: ৮০% বেশি কার্যকর।
  • বিলিং এবং ইনভয়েস: ৭৫% দ্রুত।
  • অনলাইন পেমেন্ট: ৯০% ব্যবহারকারীরা অনলাইন পেমেন্ট ব্যবহার করে।
  • রিপোর্ট এবং বিশ্লেষণ: প্রতি মাসে ২৫টি ভিন্ন ধরনের রিপোর্ট তৈরি।

সমাপ্তি:

সমিতি কিপার আপনার সমিতির কার্যক্রমকে আরও সহজ, সাশ্রয়ী এবং কার্যকর করতে সাহায্য করবে। এটি একটি নির্ভরযোগ্য এবং আধুনিক সমাধান।

সমিতি কিপার সম্পর্কে আরও জানুন

সমিতি কিপার একটি আধুনিক সফটওয়্যার যা সমিতির কার্যক্রমকে স্বয়ংক্রিয় এবং সহজ করতে ডিজাইন করা হয়েছে। এটি সমিতির সকল কার্যক্রমকে এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসে।

মূল পয়েন্টসমূহ:

  • স্বয়ংক্রিয় লেনদেন: সমস্ত লেনদেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেকর্ড এবং পরিচালনা করা যায়।
  • সমিতি ডকুমেন্ট সংরক্ষণ: সমিতির সমস্ত ডকুমেন্ট সুরক্ষিতভাবে সংরক্ষণ।
  • রিপোর্টিং টুল: উন্নত রিপোর্টিং টুল যা বিভিন্ন ধরনের রিপোর্ট তৈরি করতে পারে।
  • কাস্টমাইজেশন: প্রয়োজন অনুযায়ী সফটওয়্যার কাস্টমাইজ করার সুবিধা।

পরিসংখ্যান:

  • লেনদেন পরিচালনা: ৭০% বেশি সঠিক এবং সময়োপযোগী লেনদেন।
  • ডকুমেন্ট সংরক্ষণ: ৯৫% ডকুমেন্ট সুরক্ষা।
  • রিপোর্টিং টুল: প্রতি মাসে ৩০টি ভিন্ন ধরনের রিপোর্ট তৈরি।

সমাপ্তি:

সমিতি কিপার আপনার সমিতির কার্যক্রমকে আরও সহজ, নিরাপদ এবং কার্যকর করতে সাহায্য করবে। এটি একটি নির্ভরযোগ্য এবং সাশ্রয়ী সমাধান।

সমিতি কিপার সম্পর্কে আরও জানুন

সমিতি কিপার এমন একটি সফটওয়্যার যা সমিতির দৈনন্দিন কার্যক্রমকে সহজতর এবং স্বয়ংক্রিয় করতে সাহায্য করে। এটি বিশেষ করে বাংলাদেশী সমিতি ব্যবস্থাপনার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।

মূল পয়েন্টসমূহ:

  • স্বয়ংক্রিয় সদস্য ফি সংগ্রহ: সদস্যদের ফি সংগ্রহ এবং রেকর্ড করা অত্যন্ত সহজ।
  • অনলাইন অ্যাক্সেস: যেকোনো সময়, যেকোনো স্থান থেকে অনলাইন অ্যাক্সেস।
  • ডেটা সুরক্ষা: সমিতির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সুরক্ষিত রাখার জন্য উন্নত সুরক্ষা ব্যবস্থা।
  • ব্যবহারকারী বান্ধব: এটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে সবাই সহজেই ব্যবহার করতে পারে।

পরিসংখ্যান:

  • ফি সংগ্রহের উন্নতি: ফি সংগ্রহে ৬০% উন্নতি।
  • ডেটা সুরক্ষা: ৯৯% সুরক্ষা নিশ্চিত।
  • অনলাইন অ্যাক্সেস: ব্যবহারকারীদের ৮৫% অনলাইন অ্যাক্সেস ব্যবহার করে।

সমাপ্তি:

আপনার সমিতির জন্য সমিতি কিপার একটি অত্যন্ত কার্যকর এবং নির্ভরযোগ্য সমাধান। এটি আপনার সময়, অর্থ এবং প্রচেষ্টা সাশ্রয় করবে।

সমিতি কিপার সম্পর্কে আরও জানুন

ভূমিকা:

সমিতি কিপার এমন একটি সফটওয়্যার যা সমিতি ব্যবস্থাপনা সহজ এবং দক্ষ করার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে। এটি ব্যবহারকারীদের জন্য সময় এবং অর্থ সাশ্রয় করে এবং সমিতির বিভিন্ন কার্যক্রমকে স্বয়ংক্রিয় করে তোলে।

মূল পয়েন্টসমূহ:

  • সহজ ইন্টারফেস: সমিতি কিপার ব্যবহার করা সহজ এবং ব্যবহারকারীরা খুব দ্রুতই এটি শিখে নিতে পারে।
  • সদস্য ব্যবস্থাপনা: সদস্যদের তথ্য, ফি, এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ এবং পরিচালনার জন্য এটি একটি শক্তিশালী টুল।
  • লেনদেন পরিচালনা: সমিতির লেনদেনগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেকর্ড এবং হিসাব করা যায়।
  • প্রতিবেদন তৈরি: বিভিন্ন ধরনের প্রতিবেদন তৈরি করার মাধ্যমে সমিতির অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পাওয়া যায়।

পরিসংখ্যান:

  • উন্নত ব্যবস্থাপনা: সমিতি কিপার ব্যবহারকারীদের ৭৫% সময় সাশ্রয় করে।
  • সঠিক তথ্য: সদস্য তথ্য এবং লেনদেন সংক্রান্ত ভুলের হার ৮০% কমায়।
  • স্বয়ংক্রিয় প্রতিবেদন: প্রতি মাসে ২০টি ভিন্ন ধরনের প্রতিবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি হয়।

সমাপ্তি:

সমিতি কিপার আপনার সমিতি ব্যবস্থাপনাকে আরও সহজ এবং কার্যকর করতে সাহায্য করবে। এটি একটি আধুনিক, সাশ্রয়ী এবং নির্ভরযোগ্য সমাধান।

সমিতি কিপার সম্পর্কে আরও জানুন

Key Points:

  • Trends in cooperative management
  • Role of technology in modern cooperatives
  • How Somity Keeper is leading the change
  • Future developments
  • Conclusion with a backlink

Article:

The Future of Cooperative Societies with Somity Keeper

Cooperative societies are evolving, and technology is at the forefront of this transformation. Somity Keeper is leading the way in bringing modern solutions to traditional cooperative management.

Trends in Cooperative Management

With the increasing digitization of services, cooperative societies are adopting new technologies to streamline operations and improve member experiences.

Role of Technology in Modern Cooperatives

Technology offers numerous benefits, including efficient data management, enhanced communication, and better financial oversight. Somity Keeper is a prime example of how technology can revolutionize cooperative management.

How Somity Keeper is Leading the Change

Somity Keeper integrates advanced features to address the unique needs of cooperative societies.

Future Developments

Somity Keeper continuously evolves, incorporating user feedback and technological advancements to offer cutting-edge solutions.

Conclusion

Embrace the future of cooperative management with Somity Keeper. Discover more about its innovative features at Somity Keeper and take the first step towards modernization.

Key Points:

  • Challenges of membership management
  • Solutions offered by Somity Keeper
  • Membership features
  • Benefits for administrators and members
  • Conclusion with a backlink

Article:

Streamlining Membership Management with Somity Keeper

Managing memberships in a cooperative society involves handling vast amounts of data, from personal information to financial records. Somity Keeper provides an efficient solution to these challenges.

Challenges of Membership Management

Keeping track of member information, managing subscriptions, and ensuring timely updates can be daunting tasks. Manual processes are prone to errors and inefficiencies.

Solutions Offered by Somity Keeper

Somity Keeper simplifies membership management with its powerful features.

Membership Features

  1. Easy Data Entry: Quickly add and update member information.
  2. Subscription Management: Automate subscription renewals and reminders.
  3. Member Portal: Members can access their information and stay updated.

Benefits for Administrators and Members

Administrators save time and reduce errors, while members enjoy easy access to their records. This fosters better communication and satisfaction.

Conclusion

Simplify your membership management with Somity Keeper. For more details, visit Somity Keeper and see how it can benefit your cooperative society.

Key Points:

  • Importance of financial transparency
  • How Somity Keeper ensures transparency
  • Key financial features
  • Success stories
  • Conclusion with a backlink

Article:

How Somity Keeper Enhances Financial Transparency in Cooperatives

Financial transparency is crucial for the success and trustworthiness of any cooperative society. Somity Keeper is designed to ensure complete financial transparency, thereby fostering trust among members.

Why Financial Transparency Matters

Transparency in financial dealings builds trust and confidence among cooperative members. It ensures that all transactions are documented and accessible, reducing the risk of mismanagement or fraud.

Ensuring Transparency with Somity Keeper

Somity Keeper offers a suite of features that make financial management transparent and straightforward.

Key Financial Features

  1. Real-time Transaction Tracking: All transactions are recorded in real-time, providing up-to-date information.
  2. Detailed Financial Reports: Generate comprehensive reports detailing income, expenses, loans, and more.
  3. Member Access: Members can view their financial records, fostering a sense of trust.

Success Stories

“Since implementing Somity Keeper, our members have a clearer understanding of our financial standing, which has significantly increased trust and participation.” – Fatima, Cooperative Treasurer.

Conclusion

Enhance the financial transparency of your cooperative society with Somity Keeper. Visit Somity Keeper to explore more features and request a demo.

Key Points:

  • Introduction to Somity Keeper
  • Features of Somity Keeper
  • Benefits for cooperative societies
  • User testimonials
  • Conclusion with a call-to-action

Article:

Revolutionising Cooperative Management with Somity Keeper

Managing a cooperative society can be a complex task, with numerous members, transactions, and records to handle. Fortunately, Somity Keeper is here to simplify the process.

What is Somity Keeper?

Somity Keeper is a comprehensive software solution designed specifically for managing cooperative societies. It provides an intuitive platform for administrators to manage memberships, track financial transactions, and generate reports effortlessly.

Features of Somity Keeper

  1. Membership Management: Easily add, update, and track member information.
  2. Financial Tracking: Monitor all financial transactions, including deposits, loans, and expenses.
  3. Automated Reporting: Generate detailed reports with a few clicks.
  4. Secure and Reliable: Built with advanced security features to protect your data.

Benefits for Cooperative Societies

Using Somity Keeper, cooperative societies can enhance their efficiency, reduce paperwork, and ensure accurate record-keeping. The software’s user-friendly interface means even those with limited technical skills can manage their cooperative effectively.

User Testimonials

“Our cooperative has seen a significant improvement in management efficiency since adopting Somity Keeper. The automated reporting feature is particularly useful.” – Ahmed, Cooperative Manager.

Conclusion

If you’re looking to streamline your cooperative management processes, Somity Keeper is the solution you need. Visit Somity Keeper to learn more and schedule a demo today.

সমবায় ঐক্য ও পারস্পরিক সম্পর্ক

তথ্যমতে জানা যায় যে, আদিকালের সভ্যতার সৃষ্টিলগ্নে যখন টোটেম গ্রুপের আওতায় মানুষ সমাজবদ্ধ হতে শুরু করে, তখন পরোক্ষভাবে সমবায়ী মনোভাবের সূত্রপাত হয়। সত্যি কথা বলতে কি, সমাজবদ্ধ জীব হিসেবে মানুষের প্রতিটি কর্মধারায় অনানুষ্ঠানিকভাবে সমবায়ী দর্শন প্রতিফলিত হয়ে থাকে। এদিকে বর্তমান বিশ্বের ১৯৩টি দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে সমবায়ভিত্তিক আর্থসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়ে থাকে। আর জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী বিশ্বে প্রায় ৩০০ কোটি মানুষ সমবায়ের মাধ্যমে জীবিকানির্বাহ করে থাকে। মূলত বিশ্বে গড়ে প্রায় ছয় জনে একজন সমবায়ী, যা কম কথা নয়? এদিকে বর্তমান বাংলাদেশে ছোট-বড় মিলে প্রায় ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭০০টির মতো সমবায় সমিতি রয়েছে, যাতে ব্যক্তি সদস্য আছে প্রায় ১ কোটি ৯ লাখ এবং এর কার্যকরী মূলধনের পরিমাণ প্রায় ১৩ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, সমবায়ের মাধ্যমে যে সম্ভাবনার পুষ্প বিদ্যমান, তা এখনো পুরোপুরি সৌরভসহ পাপড়ি ছড়িয়ে প্রস্ফুটিত হতে পারেনি। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো যে, এ বিশ্বে মোট সম্পদের ৯০ শতাংশের মালিক ১০ শতাংশ জনগণ। আর অবশিষ্ট ১০ শতাংশ সম্পদের মালিক ৯০ শতাংশ জনগণ। এক্ষেত্রে শুধু সম্পদের অসম বণ্টন পরিলক্ষিত হয়। আর এর ফলশ্রুতিতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর মানুষের মধ্যে জীবনযাত্রার বিরাট পার্থক্য দেখা যায়। শুধু তাই নয়, এর কারণে প্রায়ই আর্থসামাজিক দিক দিয়ে ছন্দপতন হয়ে থাকে। আর তৃতীয় বিশ্বের দেশ হিসেবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট তো আপনাদের জানা। মূলত সমবায় হচ্ছে সুষম বণ্টনসহ ঐক্যের পথ ধরে যৌথভাবে ওপরে ওঠার দর্শন। আর এক্ষেত্রে এক বাবার পাঁচ ছেলের একত্রে থাকার সেই জনপ্রিয় গল্পের ন্যায় সমবায়ই পারে ভরসার পরিবেশ তৈরি করতে। আর এটি প্রকারান্তরে মস্ত বড় সম্পদ। যার ওপর কবিগুরু প্রভূত গুরুত্ব দিয়েছেন। এই ঐক্যের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেছেন যে, যদি একা অন্ন ভক্ষণ করা যায়, তাতে হয়তো পেট ভরে। কিন্তু পাঁচ জন মিলে ভক্ষণ করলে পেটও ভরে আবার আনন্দও মিলে এবং একই সঙ্গে একত্রে থাকার পথ ধরে আত্মরক্ষার পথ সুগম হয়। রবি ঠাকুরের এই কথায় কি বুঝাতে চেয়েছেন, তা হয়তো আপনাদের বিশ্লেষণ করে বলতে হবে না বলে মনে করি।

 

ইতিমধ্যে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এক্ষেত্রে অন্যান্য প্যারামিটারের মধ্যে সমবায়কে এতটাই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যে, বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩ (খ) অনুচ্ছেদে এটি বিশেষভাবে সন্নিবেশন করা হয়েছে। এ সূত্র ধরে উল্লেখ্য যে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রাদেশিক শাসন আমলে স্বল্প সময়ের জন্য কৃষি ও সমবায় মন্ত্রী ছিলেন। তখন তিনি সমবায়ের দর্শন গভীরভাবে অনুধাবন করেছিলেন। আর এরই ধারাবাহিকতায় সমবায় আমাদের সংবিধানের জায়গা করে নিয়েছে। শুধু তাই নয়, সেই আদর্শ বাস্তবায়নের ফল হিসেবে বিশ্বে বাংলাদেশ সমবায়ী কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবস্থান নিয়ে আছে। অবশ্য এক্ষেত্রে যার কথা না বললে কমতি থেকে যাবে, তিনি হলেন বাংলাদেশের সমবায় আন্দোলনের পথিকৃত্ আক্তার হামিদ খান। তার কর্তৃক প্রবর্তিত কুমিল্লা মডেলটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।

 

বাংলাদেশে সমবায় কার্যক্রম যতখানি আশা করা হয়েছিল। অতখানি সফলতা না হলেও যতখানি হয়েছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। কেননা দেশের ব্যবসাবাণিজ্য, শিল্প, পরিবহন, সংখ্যালঘু, এনজিও, শিক্ষা ইত্যাদি ক্ষেত্রে সমবায় কার্যক্রম যতখানি হয়েছে, তা খাটো করে দেখার অবকাশ নেই। আর এখন যে সেক্টরের কথা বলব, তা অন্যভাবে নিবেন না। আর এটা তত্ত্ব কথা নয়, বাস্তব। কেননা আমি ছোটবেলায় দেখেছি, আমাদের দেশে ঋতুভিত্তিক কৃষি কার্যক্রম চলত। এক বছর সময়মতো মৌসুমি বৃষ্টি হলেও আরেক বছর হতো না। আবার এক বার অতিবৃষ্টি, আরেক বার অনাবৃষ্টির কবলে পড়ে হয় খরা, না হয় বন্যার লুকোচুরিতে দিগিবদিক শূন্য হয়ে পড়ত বিধায় প্রায় প্রতি বছর অন্নাভাবে হাহাকার লেগেই থাকত। কিন্তু স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) কতিপয় থানা লেভেলে প্রকল্প নেয়। তাতে উচ্চফলনশীল বীজ, সার, সেচ, (Irrigation) পাওয়ার টিলার (কলের লাঙল) ইত্যাদি ব্যবহার শুরু করে। এই কার্যক্রমমূলক সেবা এককভাবে শুধু একজন কৃষকের দেওয়া সম্ভব ছিল না বিধায় সমবায়ের মাধ্যমে কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। আর এক্ষেত্রে বলতে দ্বিধা নেই যে, তখন থেকে বাংলাদেশে দিনে দিনে ফসল উত্পাদন বেড়ে যেতে থাকে। আর সেই সুবাদে এখন বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণতার ঢাকঢোল পিটাচ্ছে। এ কথাগুলো এ কারণে বললাম, তখন যদি কৃষিতে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে সমবায়ী কার্যক্রম গ্রহণ করা না হতো। তাহলে স্বয়ংসম্পূর্ণতা তো দূরে থাক। হয়তো পূর্বের ন্যায় খাদ্যাভাব (Food Crisis) লেগেই থাকত।

 

এতক্ষণ স্বল্প পরিসরে সমবায়ের ইতি কথাসহ এর গুরুত্ব নিয়ে কিছুটা আলোকপাত করেছি। এবার সূক্ষ্মভাবে এর মাহাত্ম্য যে কত গভীর পর্যন্ত গ্রোথিত, তা নিয়ে যতকিঞ্চিত্ তুলে ধরছি। বস্তুত এ প্রেক্ষাপটে সমবায়ী তথা সদস্যদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটার সঙ্গে সঙ্গে আরেকটি বিষয় পরোক্ষভাবে সূক্ষ্মতার আড়ালে শিকড় গেড়ে বসে, তা হলো ঐক্য ও পারস্পরিক সহমর্মিতা, যার ফলে অজান্তেই একে অন্যের প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ ধীরে ধীরে কমে আসে। তাই আমরা জোর গলায় বলতে পারি যে, কেবল আর্থসামাজিক উন্নয়ন নয়, আদি ভিত হিসেবে সমবায় ঐক্য ও পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করে থাকে।

Somity Software | সমিতির সফটওয়্যার | সমবায় সমিতির হিসাব এর জন্য সফটওয়্যার

https://www.youtube.com/watch?v=kAMk4rSGnTs

 

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার।

যা ২০১৮ সাল থেকে বর্তমান অবধি #১২_শতাধিক প্রতিষ্ঠানে সফলভাবে ব্যবহার হচ্ছে। আপনার আশেপাশে খোঁজ করলেই পেয়ে যাবেন সমিতি কিপারের ব্যবহারকারী, তাই আমাদের সম্পর্কে ফিডব্যাক নিতে পারবেন সরাসরি। আমরা আপনাকে আপনারা আশে পাশে ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য সরবরাহ করব আপনার সিদ্ধান্ত নেবার সুবিধার্থে।

ফিচার সম্পর্কে বলতে গেলে একটা সমবায় প্রতিষ্ঠান বা এরূপ প্রতিষ্ঠানে ঠিক যা যা দরকার তা খুব সহজ এবং সুচারুরূপে সম্পন্ন করা আছে আমাদের সফটওয়্যারে।

বর্তমানে প্রতিদিন সারাদেশের বিশ হাজারের বেশি ইউজার (সমিতির মালিক থেকে মাঠ কর্মী) সমিতি কিপার সফটওয়্যার ওয়েব ভার্সন এবং মোবাইল এপ ব্যবহার করে থাকে। সফটওয়্যারটি তৈরীর সময় সাধারণ ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে করা হয়েছে অর্থাৎ তাদেরকে একাউন্টিং এর মারপ্যাঁচে ফেলা হয়নি, তারা যেই ভাষাগুলো বা টার্মস গুলো ব্যবহার করে ঠিক সেগুলোই আমাদের সিস্টেমে ব্যবহার করা হয়েছে।

ডেমো দেখেতে ক্লিক করুন
https://demo.server-bd.xyz/

সমিতি কিপার এর বিস্তারিত তথ্য, মূল্য, ক্লায়েন্ট লিস্ট দেখতে ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

প্রধান পাতা

সরাসরি কথা বলতে কল করুন: 01323150783, 01305486661

ঢাকা অফিস: বাড়ি ৩, রোড ৯/বি, সেক্টর ৫, উত্তরা, ঢাকা

চট্টগ্রাম অফিসঃ হাশেম ভিলা, সানোয়ারা আবাসিক, পুরাতন চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম

Benefits of using Somity Keeper

Somity Keeper is a cloud-based software that provides a range of features such as cloud-based management, artificial intelligence, and human interaction. The software offers a user-friendly interface with a graphical representation of transactions and provides some indirect business advice. It is a hassle-free software that can be used to manage the accounts of any cooperative society without any confusion. The software is also capable of generating reports on a daily, weekly, monthly, and yearly basis. It provides real-time visibility into the financial performance and operational efficiency of microfinance institutions. The software is available on Google Play Store 1You can visit the official website of Somity Keeper to learn more about the software 2.

Some of the benefits of using Somity Keeper are:

  1. Cloud-based management: The software is cloud-based, which means that it can be accessed from anywhere with an internet connection. This makes it easy to manage accounts and transactions from different locations.
  2. User-friendly interface: The software has a user-friendly interface that is easy to navigate. It provides a graphical representation of transactions, making it easy to understand.
  3. Real-time visibility: The software provides real-time visibility into the financial performance and operational efficiency of microfinance institutions. This helps managers make informed decisions and take corrective actions when necessary.
  4. Hassle-free software: Somity Keeper is a hassle-free software that can be used to manage the accounts of any cooperative society without any confusion. It is easy to use and requires minimal training.
  5. Report generation: The software is capable of generating reports on a daily, weekly, monthly, and yearly basis. This helps managers keep track of the financial performance of their institution and make informed decisions.

Please note that this is not an exhaustive list of benefits, and there may be other benefits of using Somity Keeper that are not mentioned here.

What is somity keeper software ?

Somity Keeper is a software developed for the microfinance industry in Bangladesh. It is a cloud-based software that provides a range of features such as cloud-based management, artificial intelligence, and human interaction. The software offers a user-friendly interface with a graphical representation of transactions and provides some indirect business advice. It is a hassle-free software that can be used to manage the accounts of any cooperative society without any confusion. The software is also capable of generating reports on a daily, weekly, monthly, and yearly basis. It is a comprehensive software that provides real-time visibility into the financial performance and operational efficiency of microfinance institutions. The software is available on Google Play Store 1You can visit the official website of Somity Keeper to learn more about the software 2.

In the dynamic realm of microfinance, organizations face the challenge of efficiently managing a vast array of financial transactions and member data. To address this need, Somity Keeper emerges as a robust and user-friendly software solution tailored to the unique demands of microfinance institutions.

Streamlined Account Management
——————
Somity Keeper streamlines account management, enabling seamless tracking of member contributions, loans, and repayments. Its user-friendly interface simplifies data entry, reducing the risk of errors and ensuring the integrity of financial records.

Enhanced Member Management
——————
Somity Keeper empowers microfinance organizations to effectively manage their member base. It facilitates easy registration, record-keeping, and communication with members, fostering transparency and enhancing member satisfaction.

Real-time Reporting and Analysis
——————
Somity Keeper generates comprehensive reports and analytical insights, providing real-time visibility into the financial performance and operational efficiency of microfinance institutions. This data-driven approach enables informed decision-making and strategic planning.

Secure and Accessible Platform
——————
Somity Keeper prioritizes data security, employing industry-standard encryption techniques to safeguard sensitive financial and member information. Its cloud-based architecture ensures accessibility from anywhere, on any device, empowering microfinance organizations to operate remotely without compromising data integrity.

Tailored to Microfinance Needs
——————
Somity Keeper is specifically designed to address the unique challenges and requirements of microfinance institutions. Its comprehensive suite of features caters to the specific needs of microfinance operations, streamlining processes and enhancing operational efficiency.

Empowering Microfinance organization’s
——————
Somity Keeper empowers Microfinance organisation’s to achieve their goals of financial inclusion and poverty reduction. By streamlining operations, enhancing transparency, and providing data-driven insights, Somity Keeper contributes to the success and sustainability of microfinance institutions, enabling them to positively impact the lives of their members and communities.

Conclusion
——————
Somity Keeper stands as a valuable tool for Microfinance organisation’s, providing a comprehensive solution for managing financial transactions, member data, and overall operations. Its user-friendly interface, robust security features, and tailored design make it an ideal choice for microfinance institutions seeking to improve efficiency, enhance transparency, and achieve their social impact goals.

সমিতি, মাল্টিপারপাস, কিস্তি ইত্যাদি শব্দকে অনেকেই সুদের সমার্থবোধক জানেন। এ জানার পেছনে যথেষ্ট বাস্তবতাও আছে।

ইদানীং দেশের প্রতিটি শহর ও গ্রামের মার্কেটে, হাটে, মোড়ে গড়ে উঠেছে প্রচুর সমবায় সমিতি, সঞ্চয়ী সমিতি, মাল্টিপারপাস ইত্যাদি আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এগুলোর প্রায় সবই সুদভিত্তিক পরিচালিত হয়।

এগুলো দেখতে দেখতে সাধারণ মানুষ এখন কিস্তি, সমিতি, মাল্টিপারপাস শুনলেই মনে করে সুদের কারবার। অথচ সুদমুক্ত থেকেও এসব সমিতি পরিচালনা করা সম্ভব।

এসব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তারা একটু আন্তরিক হলে, নিজেদের ও উম্মাহর ইমান- আমলের প্রতি একটু দরদি হলে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুদমুক্ত লাভজনক করতে পারেন।

সুদ ও লাভ কিন্তু এক নয়। আবার বিপরীতও নয়। সব সুদই লাভ। কিন্তু সব লাভ সুদ নয়। লাভ দুই ধরনের। একটা লাভ সুদমুক্ত, অন্যটা সুদ। তিনটি বিষয়কে সামনে রাখলে আমরা খুব সহজেই চিহ্নিত করতে পারব, আমাদের কোন লাভ সুদ হচ্ছে আর কোন লাভ সুদ নয়।




১. টাকা বনাম টাকার আদান-প্রদানে যে লাভ দেওয়া-নেওয়া হবে তা সুদ। ভিন্ন ভিন্ন মুদ্রার বিনিময় বা আদান-প্রদানের লাভ সুদ নয়। ২. পণ্য বনাম পণ্যের আদান-প্রদানে যদি উভয় পণ্যের জাত এক হয় তাহলে যে লাভ দেওয়া-নেওয়া হবে তা সুদ। ৩. পণ্য বনাম টাকার বাকি বেচাকেনাতে চুক্তি মোতাবেক নির্দিষ্ট সময়ে বিনিময় পরিশোধ না হলে পূর্বনির্ধারিত বিনিময়ের চেয়ে অতিরিক্ত যা দেওয়া-নেওয়া হবে তা সুদ।

পক্ষান্তরে নগদ মূল্যের তুলনায় বাকি মূল্য বেশি ধার্য করে বিক্রি করলে তা সুদ নয়। অনুরূপ স্বল্প বাকির তুলনায় দীর্ঘ বাকির মূল্য বেশি ধার্য করে বিক্রি করলে তা সুদ নয়। তবে এর জন্য শর্ত হলো, বিক্রির আগেই বাকির ধরন ও মূল্যের পরিমাণ ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে সুনির্দিষ্ট করা। ঝুলন্ত রাখলে বা ক্রেতা-বিক্রেতার জন্য ঐচ্ছিক সুযোগ বাকি রাখলে তা সুদ হবে।

সমিতিকে সুদমুক্ত রাখার জন্য নিম্নোক্ত তিনটি পদ্ধতিতে সমিতির কার্যক্রম চালানো যেতে পারে- যথা : ১. বাইয়ে মুআজ্জাল (বাকি বিক্রি) ২. বাইয়ে সালাম (অগ্রিম ক্রয়) ৩. আকদে মুজারাবা (ব্যবসার অংশীদারিত্ব)।

বাইয়ে মুআজ্জাল: গ্রাহকের কোনো মালের প্রয়োজন থাকলে চাহিদা মোতাবেক সমিতি তা ক্রয় করে দখলে বুঝে নিয়ে গ্রাহকের কাছে বাকিতে বিক্রি করবে। সমিতি তার ক্রয়মূল্য ও খরচের সঙ্গে প্রস্তাবিত লাভ যোগ দিয়ে বিক্রয়মূল্য ধার্য করবে। ওই বিক্রয়মূল্য পরবর্তী সময়ে একবারে বা কিস্তি করে বহু বারে আদায় করবে। এ পদ্ধতিতে দু’টি বিষয়ে সতর্ক থাকতে হয়- ১. বিক্রির সময় যে বিনিময় ধার্য হবে পরবর্তী সময়ে কোনো কারণেই আর তার চেয়ে বেশি নেওয়া যাবে না। ২. গ্রাহককে মাল হস্তান্তর করতে হবে। মাল কিনে নেওয়ার জন্য গ্রাহককে বা তার প্রতিনিধিকে টাকা দেওয়া যাবে না।

বাইয়ে সালাম: গ্রাহকের যদি এমন প্রয়োজন দেখা দেয় যা পূরণে টাকা দরকার, কোনো মাল দ্বারা এ প্রয়োজন মেটানো সম্ভব নয়, সে ক্ষেত্রে সমিতি গ্রাহক থেকে কোনো মাল অগ্রিম ক্রয় করবে। তাকে মূল্য নগদ দিয়ে দেবে, মাল তার থেকে পরে নেবে। এ অগ্রিম ক্রয় শুদ্ধ হওয়ার জন্য মালের জাত, প্রকার, গুণগত মান, পরিমাণ, মাল হস্তান্তরের স্থান ও তারিখের পরিষ্কার বিবরণ চুক্তিতে উল্লেখ থাকা অপরিহার্য শর্ত। সমিতি ওই মাল বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহ করবে। এ পদ্ধতিতে সতর্ক থাকতে হবে যে, গ্রাহক থেকে মাল না নিয়ে মালের বাজারমূল্য নেওয়া যাবে না। তাকে মাল বিক্রি করে টাকা জমা দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া যাবে না। তার কাছে বেচা যাবে না। এসব কর্মকাণ্ড লেনদেনকে সুদে পরিণত করবে।

আকদে মুজারাবা: প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায় পুঁজির অংশ সরবরাহ করে সমিতি ব্যবসার অংশীদার হতে পারে। দৈনিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, মাসিক বা বার্ষিক হিসাবে সমিতির প্রদেয় টাকার যে লাভ হবে তা থেকে পূর্ব নির্দিষ্ট অংশ (যেমন- অর্ধেক, এক-তৃতীয়াংশ) সমিতি গ্রহণ করবে। বাকিটুকু ব্যবসায়ী পাবেন। যদি ব্যবসায় লোকসান হয় তাহলে ব্যবসার মোট পুঁজির আনুপাতিক হারে লোকসানের দায় সমিতি নেবে।

 




সুদ ও মুজারাবার লাভের মধ্যে ৪টি স্পষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান।

১. সুদে বিনিয়োগকারী লোকসানের দায় নেবে না, কিন্তু মুজারাবায় বিনিয়োগকারী আনুপাতিক হারে লোকসানের দায়িত্ব নেবে।

২. সুদি বিনিয়োগে লাভ টাকার অঙ্কে নির্দিষ্ট থাকে কিন্তু মুজারাবায় তা থাকে না। বরং হার নির্দিষ্ট থাকে।

৩. সুদ বিনিয়োগকৃত ব্যবসার লাভের অংশ নয়। তাই লাভ না হলেও সুদ দিতে হয়। কিন্তু মুজারাবার প্রাপ্ত লাভ ব্যবসার লাভের অংশ, তাই ব্যবসায় লাভ না হলে বিনিয়োগকারী কিছুই পায় না।

৪. সুদ হ্রাস-বৃদ্ধির সম্ভাবনা রাখে না, কিন্তু মুজারাবার লাভ হ্রাস, বৃদ্ধি, শূন্য হওয়ার সম্ভাবনা রাখে।

সুদ বর্জনের প্রত্যয় নিয়ে সমিতি পরিচালনা করতে গেলে একটি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তা হলো- গ্রাহক যথাসময়ে মূল্য বা পণ্য না দিলে যদি বিলম্বের সময়ানুপাতে বেশি আদায় করা হয়, তাহলে তা সুদ হবে আবার আদায় না করলে এ সরলতা সবাইকে খেলাপি হতে উৎসাহ দেবে। আমাদের বিজ্ঞ ফকিহদের সুচিন্তিত পরামর্শ হলো, সমিতির একটি জনকল্যাণ তহবিল রাখা। বিনিয়োগকালে গ্রাহক থেকে হলফনামা নেওয়া যে, খেলাপি হলে দিন, সপ্তাহ বা মাস হিসাবে এত টাকা করে জনকল্যাণ তহবিলে দান করব। ফলে বাড়তি টাকার চাপে খেলাপি হওয়ার কোনো প্রবণতা সৃষ্টি হবে না। কেউ খেলাপি হলে বাড়তি টাকা জনকল্যাণে ব্যয় হওয়ায় সমিতির সদস্যরা সুদ ভোগকারী হবে না।

লেখক: মুফতি মাহফূযুল হক, অতিথি লেখক
ইসলাম, বাংলা নিউজ ২৪

 




সমবায়-সমিতি-আইনসমূহ – সমিতি কিপার

একনজরে সমবায় সমিতির সকল আইন সমূহ তথ্য দেখে নিন

ক্রমিক শিরোনাম প্রকাশের তারিখ ডাউনলোড
সমবায় সমিতি (সংশোধিত) বিধিমালা -২০২০ ২০২০-১২-০১
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা,২০০৮ ( অধিকতর সংশোধিত-২০১৮) ২০১৮-০৬-১০
সমবায় সমিতি আইন, ২০০১ ২০১৫-০৪-১২
সমবায় সমিতি (সংশোধন )আইন,২০১৩ ২০১৩-০২-১৭
নিয়োগ বিধিমালা, ২০১০ ২০১০-০৩-৩০
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা,২০০৮ (সংশোধিত-২০০৯) ২০০৯-০৮-১২
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা,২০০৮ ২০০৮-০১-২৮
সমবায় সমিতি বিধি, ২০০৪ ২০০৪-০২-১২
সমবায় সমিতি বিধি, ১৯৮৭ ১৯৮৭-০১-২১
১০ সমবায় সমিতি অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ ১৯৮৫-০১-১৫
১১ সমবায় সমিতি বিধি, ১৯৪২ ১৯৭৬-১২-৩১
১২ কো-অপারেটিভ সোসাইটিজ অ্যাক্ট,১৯৪০ ১৯৭৬-০৬-৩০
১৩ কো-অপারেটিভ সোসাইটিজ অ্যাক্ট, ১৯১২ ১৯১২-০১-০১

সুদের পরিচয় : বর্তমান বিশ্বে ইসলামী ব্যাংকিং কার্যক্রম দ্রুত বিকাশ লাভ করায় সুদ ও মুনাফার বিষয়টি নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্নের উদ্ভব হয়েছে। কেউ কেউ সুদ ও মুনাফাকে অভিন্ন মনে করে থাকেন। প্রকৃতপক্ষে সুদ ও মুনাফা এক নয়। এ দুয়ের মধ্যে তাত্ত্বিক ও ব্যাবহারিক অনেক পার্থক্য রয়েছে। ‘সুদ’ উর্দু শব্দ। আল কোরআনে ‘রিবা’ সুদের প্রতিশব্দ। অনেকের দৃষ্টিতে রিবা ও সুদ সমার্থবোধক বলে বিবেচিত। প্রকৃতপক্ষে ‘রিবা’ শব্দটি ব্যাপক অর্থবোধক। সুদ এর একাংশ মাত্র। সুদকে ইংরেজিতে বলা হয় ইউজারি (usury) বা ইন্টারেস্ট (interest)|

 

রিবার ধরন : অন্যদিকে ‘রিবা’র পারিভাষিক অর্থ বেশি হওয়া, বৃদ্ধি পাওয়া, অতিরিক্ত, সম্প্রসারণ, মূল থেকে বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরিশোধের শর্তে কোনো নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য বা অর্থের বিপরীতে পূর্ব নির্ধারিত হারে যে বেশি পরিমাণ পণ্য বা অর্থ আদায় করা হয়, তাকেই বলে সুদ। আবার একই শ্রেণিভুক্ত পণ্যের পারস্পরিক লেনদেনের সময় চুক্তি মোতাবেক অতিরিক্ত যে পরিমাণ পণ্য গ্রহণ করা হয়, তাকেও রিবা বা সুদ বলা হয়। সুদ প্রধানত দুই প্রকার—রিবা আন নাসিআহ বা মেয়াদি সুদ এবং রিবা আল ফদল।

 

মেয়াদি সুদের বর্ণনা : আরবি ‘নাসিআহ’ শব্দের অর্থ হচ্ছে মেয়াদ, সময় নেওয়া, বিলম্ব বা প্রতীক্ষা। রিবা নাসিআহ হচ্ছে ঋণের ওপর সময়ের অনুপাতে ধার্যকৃত অতিরিক্ত অংশ। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কেউ যদি কাউকে ১০০ টাকা ঋণ দেয় এ শর্তে যে তাকে মেয়াদান্তে ১১০ টাকা দিতে হবে। এখানে অতিরিক্ত ১০ টাকাকে সুদ বলা হবে। এই সুদকে আল কোরআনে রিবা আন নাসিআহ বা রিবা আল-কোরআন বলা হয়।

 

অন্যদিকে আরবি ‘ফদল’ শব্দের অর্থ অতিরিক্ত। একই জাতীয় জিনিস লেনদেনে কমবেশি করে আদায় করার নাম ‘রিবা আল ফদল’। অর্থাৎ একই জাতীয় দ্রব্য বা মুদ্রার লেনদেনকালে এক পক্ষ আরেক পক্ষের কাছ থেকে চুক্তি মোতাবেক শরিয়াহসম্মত বিনিময় ছাড়া যে অতিরিক্ত মাল গ্রহণ করে তাকে ‘রিবা আল ফদল’ বলে। যেমন—এক কেজি উন্নতমানের খেজুরের সঙ্গে দেড় কেজি নিম্নমানের খেজুর বিনিময় করা হলে আধা কেজি খেজুর সুদ এবং এ ধরনের সুদকে রিবা আল ফদল বা মালের সুদ বলা হয়।

 

মুনাফার পরিচয় : ‘রিবহুন’ শব্দের প্রতিশব্দ হলো লাভ বা মুনাফা। ইসলামী শরিয়তে মুনাফা হচ্ছে ‘সম্পদের এমন প্রবৃদ্ধি, যা কোনো অর্থনৈতিক কারবারে সম্পদ বিনিয়োগ করার ফলে অর্জিত হয়। উদ্যোক্তা প্রথমে বিনিয়োগকৃত অর্থকে পণ্যে রূপান্তর করে, অতঃপর ওই পণ্য বিক্রয় করে পণ্যকে অর্থে রূপান্তর করে। এভাবে রূপান্তরিত অর্থ বিনিয়োগকৃত অর্থের তুলনায় বেশি হলে উদ্যোক্তা লাভ পায় আর প্রাপ্ত অর্থ আগের তুলনায় কম হলে তার পুঁজি কমে যায় বা তার লোকসান হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একজন ব্যবসায়ী ১০ হাজার টাকার পণ্য ক্রয় করে ১২ হাজার টাকায় বিক্রি করল। এখানে পুঁজি বৃদ্ধি পেয়েছে দুই হাজার টাকা। পুঁজির এ বর্ধিত অংশ হলো মুনাফা বা লাভ। আর পুঁজি কমে গেলে তাকে বলা হতো লোকসান। ব্যবসায়ে লাভ-লোকসানের ক্ষেত্রে পুঁজিকে পণ্যে রূপান্তর ও শ্রম বিনিয়োগের সঙ্গে সঙ্গে ঝুঁকিও গ্রহণ করতে হয়।

 

সুদ ও মুনাফার প্রধান পার্থক্য : এখানে উল্লেখ্য যে সুদের মাধ্যমে মূলধন বৃদ্ধি পায়, আবার ব্যবসায়ের মাধ্যমেও তা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু ইসলামে ‘রিবা’র মাধ্যমে অর্জিত বৃদ্ধিকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে আর ব্যবসার মাধ্যমে বৃদ্ধিকে হালাল করা হয়েছে। কেননা ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীকে মূলধন ও শ্রম বিনিয়োগ করতে হয়েছে এবং ঝুঁকি গ্রহণ করতে হয়েছে। মূলধন ও শ্রম বিনিয়োগ এবং ঝুঁকি গ্রহণের মাধ্যমে মূলধনের যে বৃদ্ধি তা-ই মুনাফা। এখানে আরো উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কেউ যদি কোনো ব্যক্তিকে ১০ টাকা ঋণ দেয় এ শর্তে যে এক দিন পরে তাকে ১১ টাকা দিতে হবে। এখানে অতিরিক্ত এক টাকা সুদ, যা ইসলামী শরিয়তে হারাম। বিপরীত পক্ষে, কেউ যদি হাট থেকে ১০ টাকা দিয়ে এক কেজি বেগুন কিনে অন্য বাজারে গিয়ে ১৫ টাকায় বিক্রি করে, তাহলে যে পাঁচ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে, তাকে সুদ বলা যাবে না। এই পাঁচ টাকা লাভ, যা হালাল বলে গণ্য হবে।

 

পরিশেষে সুদ ও মুনাফার পার্থক্য সংক্ষেপে বলা যায় এভাবে—মুনাফা বেচাকেনা বা ব্যবসার স্বাভাবিক ফল থেকে আসে। বিপরীতপক্ষে, সুদ অর্জিত হয় ঋণের ওপর। মুনাফা উদ্যোক্তার পুঁজি, শ্রম ও সময় বিনিয়োগ এবং ঝুঁকি গ্রহণের ফল; কিন্তু সুদের ক্ষেত্রে ঋণদাতা পুঁজি, শ্রম ও সময় বিনিয়োগ এবং ঝুঁকি গ্রহণ করে না, অর্থ ধার দেয় মাত্র। মুনাফা অনির্ধারিত ও অনিশ্চিত, কিন্তু সুদ পূর্বনির্ধারিত ও নিশ্চিত। মুনাফায় ঝুঁকি গ্রহণ করতে হয়, আর সুদে তা গ্রহণ করতে হয় না। ব্যবসায় কোনো পণ্যের ওপর লাভ একেবারে নির্ধারণ করা যায়; কিন্তু একই মূলধনের ওপর বারবার সুদ নির্ধারণ ও আদায় করা যায়।

লেখক : শিশুসাহিত্যিক, সাবেক ডিএমডি, ইসলামী ব্যাংক, বর্তমানে কো-অর্ডিনেটর, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড

অনলাইনে সমবায় সমিতি নিবন্ধন প্রক্রিয়া

বর্তমান সময়ে ব্যবসায়ীক সমিতিগুলোর উৎপত্তি ঘটেছে অনেক বেশি। এই ব্যবসায়ীক সমিতিগুলো সমবায় সমিতি নামে পরিচিত। সাধারণত বিভিন্ন ব্যবসার উদ্দেশ্যে এই এই সমিতি গঠন করা হয়ে থাকে। একটা Cooperative Society রাষ্ট্রীয়ভাবে অনুমোদন পাওয়ার জন্য নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা প্রয়োজন হয়ে থাকে। যদি আপনার সমিতি নিবন্ধনের জন্য উপযুক্ত হয় তাহলে রাষ্ট্রীয়ভাবে অনুমোদন দেওয়া হয় একটি স্বীকৃত সভাপতি হিসেবে।

অনুমোদন ছাড়া কোনভাবেই কোন সমিতির নাম প্রচার করা যাবে না। সমিতির নামে কোনো বিজ্ঞাপন,  ব্যানার, ব্যবসার নামকরণ,  বা অন্যান্য কোনো প্রচারণা করা যাবে না। শুধু অনুমতি সমিতিগুলোতাদের সমিতির নামে যেকোনো কিছু করতে সক্ষম।

 কিভাবে একটি সমবায় সমিতি নিবন্ধন করতে হয়?

একটি সমবায় সমিতি নিবন্ধন বিষয়ে আজকে আমরা খুব সংক্ষেপে আলোচনা করব। আমরা ইতিমধ্যে একটা ভিডিও করেছি। সে ভিডিওটি এখানে যুক্ত করে দিয়েছি। আপনারা ভিডিওটি সম্পূর্ণ দেখুন।

ভিডিওটি দেখলে আশা করি আপনি ফরমটি কিভাবে আপনাকে পূরণ করতে হবে সে সম্পর্কে সাধারণ অভিজ্ঞতা আপনি পেয়ে যাবেন।  যেহেতু ফরমটি বাংলা ভাষায় এবং ফরম পূরণের ক্ষেত্রে কোনো জটিলতা নেই। এজন্য আমরা পরিপূর্ণ ভিডিও ফরম পূরণের মাধ্যমে দেখায়নি।

সমবায় সমিতি নিবন্ধন ফরমটি এখান থেকে সংগ্রহ করুন

কতজন সদস্য নিয়ে একটি সমবায় সমিতিগঠন করতে হবে?

আপনাদের সবার একটি কমন প্রশ্ন এজন্য এখানে প্রশ্নের উত্তর আমরা যুক্ত করে দিলাম। সমবায় সমিতির সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে।  সরকারি Cooperative Society এবং বেসরকারি সমবায় সমিতি। পাবলিক লিমিটেড Cooperative Society প্রাইভেট লিমিটেড সমবায় সমিতি।  প্রাইভেট লিমিটেড সমিতি করে থাকেন এক্ষেত্রে আপনাদের সদস্য কমপক্ষে 20 জন হতে হবে। 20 জন সদস্য নিয়ে কোন Cooperative Society গঠিত হবে না। এজন্য অবশ্যই বেশি সদস্য সমিতিতে যুক্ত করতে হবে।

সমবায় সমিতির নীতিমালা

সমবায় সমিতির নীতিমালা সম্পর্কে যারা জানেন না, তাদের অবশ্যই নীতিমালা সম্পর্কে জেনে নেওয়া প্রয়োজন। আপনি যদি সমবায় সমিতির নীতিমালা জানতে চান, তাহলে আমাদের দেওয়া পিডিএফটি পড়ে ফেলতে পারেন। এটি সমবায় সমিতির নীতিমালা সম্পর্কিত একটি পিডিএফ। এটি সরকারি অফিসের ওয়েবসাইট থেকে প্রকাশিত একটি নীতিমালা পিডিএফ। এখানে আপনাদের সমবায় সমিতির নীতিমালা পিডিএফ যুক্ত করে দিলাম। আপনি যদি pdf টি সম্পূর্ণ লেখাগুলো সঠিকভাবে মেনে চলেন, তাহলে অবশ্যই একটি সমবায় সমিতির করাতে পারবেন।

বাংলাদেশের মধ্যে যারা সমবায় সমিতি নিয়ে কাজ করেন, তাদের মধ্যে অনেকে কিন্তু সমবায় সমিতির নীতিমালা পড়ে না। এজন্য তারা কিন্তু সময় করতে গিয়ে বিভিন্ন ভুলের সম্মুখীন হয়ে থাকে। যদি আপনি সমস্যার সম্মুখীন না হয়ে, কোনো রকম ভুল না করে সমবায় সমিতি পরিচালনা করতে চান, তাহলে অবশ্যই সমবায় সমিতির নীতিমালা pdf আপনাকে পড়তে হবে। পিডিএফ এর মধ্যে সকল তথ্য দেওয়া আছে। আপনি আশা করি সবকিছু বুঝতে পারবেন। নিচের ডাউনলোড লিংক দেওয়া আছে। এখান থেকে আপনি পিডিএফ ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

 

সমবায়সমিতি পিডিএফ ডাউনলোড

সমবায় সমিতি নিবন্ধন করার নিয়ম

সমবায় অধিদপ্তর জনগনের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্ হ্রাস করনে সরকারী উদ্যোগ বাস্তবায়নের অন্যতম প্রধান সংস্থা। সমবায় অধিদপ্তর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত অধিদপ্তর। সমবায় অধিদপ্তরের প্রধান নিবন্ধক ও মহাপরিচালক নামে অভিহিত। উপজেলা, জেলা, বিভাগ ও সদর দপ্তর এ ৪ পর্যায়ে এ অধিদপ্তরের কার্যালয় বিস্তৃত। এছাড়া একটি জাতীয় প্রশিক্ষন একাডেমী ও ১০টি আঞ্চলিক সমবায় প্রশিক্ষন ইনস্টিটিউট রয়েছে। সমবায় সমিতির নিবন্ধনসহ বিধিগত বিভিন্ন সেবা, আইনগত পরামর্শ এবং উন্নয়ন ও সম্প্রসারনমূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে সমবায় আন্দোলনকে সহায়তা করা ও জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা সমবায় অধিদপ্তরের মূল কার্যক্রম।

 

সমবায় সমিতির রেজিস্ট্রেশন কিভাবে করবেন ?

সমবায় সমিতির হিসাব পদ্ধতি

নীলকন্ঠ সমবায় সমিতি এর সাধারন সম্পাদক বিদ্যুৎ চৌধুরী তাঁর সমিতির ৮৩৩ জন গ্রাহকের হিসাব নিকাশ এবং রক্ষণাবেক্ষণ করতে গলদঘর্ম অবস্থা। ওনার ম্যানেজার সাহারুল এর সদস্যদের থেকে টাকা আদায় সহ অনন্যা কর্মীদের বেতন হিসাবে রাখা- দিন ক্লোজিং করা, একাউন্টসের কাজ সবমিলে দায়িত্ব যেন বোঝা হয়ে উঠছিল। কিন্তু মহাযন্ত্রণার সমাধান এখন হাতের মুঠোয়। কৃতিত্ব একটি সফটওয়্যার / অ্যাপের

সমিতি / এনজিওদের জন্য মাহফুজ আকন্দ ডেভেলপ করেছেন “সমিতি কিপার” নামের দুর্দান্ত এক অ্যাপ।

দৈনিক / মাসিক হিসাব সহ আয় ও ব্যয়ের হিসাব এবং সমিতি / এনজিওর প্রতি মাসের যাবতীয় আনুসাঙ্গিক বিলের হিসাব প্রস্তত করতে তৈরি হয়েছে সমিতি কিপার অ্যাপ

সমিতি কিপার একটি ক্লাউড বেইজ অ্যাপ। যে কোন জায়গা থেকে মোবাইল, ল্যাপটপ, ট্যাব এবং ডেস্কটপ কম্পিউটার থেকে ব্যবহার করা যায়। এমনকি সমিতির গ্রাহকরাও নিজের একাউন্টের লগইন করতে পারে প্লে স্টোরে থাকা এপের মা্ধ্যমে।

দৈনন্দিন কালেকশন, ঋণের হিসাব, শেয়ারের হিসাব, সঞ্চয় হিসাব, মাসিক সঞ্চয় হিসাব,  ডিপিএস এর হিসাব, এফ ডি আর হিসাব, সিসি লোন এর মত ব্যাপার গুলো খুব সহজেই ম্যানেজ করা যাবে এই সফটওয়্যার টি ব্যবহারের মাধ্যম। এস এম এস এর মাধ্যমে ব্যাংক এর মত নোটিফিকেশন পাঠানো যাবে। বাৎসরিক শেয়ার প্রফিট বিতরণ, সঞ্চয় এর উপরে প্রফিট বিতরণ, ডিপিএস এর উপর প্রফিট বিতরণ সহকারে প্রাতিষ্ঠানিক লাভ ক্ষতি কয়েকটি ক্লিকের মাধ্যমেই আউটপুট নেয়া যাবে।

মাঠকর্মীরা সরাসরি কি তাদের মোবাইল ফোনে থাকা অ্যাপস এর মাধ্যমে দৈনন্দিন কালেকশনগুলো করে ফেলতে পারবে। এতে করে সমিতির কাজ ৮০ শতাংশ কমে যাবে। বছর শেষে অডিট রিপোর্ট সহ ৩০০ এর বেশি ধরণের রিপোর্ট সফটওয়্যার থেকেই আউটপুট নেয়া যাবে। অডিট রিপোর্টে সমবায় অধিদপ্তর বা সমবায় আইন ফলো করে করা হয়েছে।

এক কথায় বলতে গেলে ম্যানুয়াল প্রসেসে সমিতি যে কাজগুলো করে সেটাকে যদি ১০০% ধরা হয় তাহলে সমিতি কিপার এই কাজের পরিধি কে ৩০% নামিয়ে আনবে।

মাসশেষে কনভেন্স বিল, স্টাফদের বেতন, বোনাস, রক্ষণাবেক্ষণ খরচ হিসাব করে অ্যাপটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লাভ কিংবা ক্ষতির জানান দেয়। একাউন্টিং বিষয়ে জানাশোনা না থাকলেও চিন্তার কারণ নেই কারণ ব্যালেন্স সিট এই অ্যাপটিই তৈরি করে দিচ্ছে।  সবমিলে সমিতি / এনজিওর ওয়ান-স্টপ-মেইন্টেনেন্স সার্ভিস প্লাটফর্মে পরিনত হচ্ছে এই অ্যাপটি।

ইতোমধ্যে বাংলাদেশ এর ৬৪ জেলাসহ দেশের বাইরের ৫০০+ সমিতি / এনজিও দৈনন্দিন ব্যবহার করছে সমিতি কিপার সিস্টেম টি।

ময়মনসিংহের কাচিঝুলি সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতির ম্যানেজার রতন সাহেবকে আগে সব সময় কয়েকটি লেজার খাতা নিয়ে ছুটতে হতো। আর সভা কক্ষে জমেছিল পুরনো লেজার বইয়ের স্তুপ। সবকিছু চলে এসেছে এখন হাতের মুঠোয়।

ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট বালুঘাট বাজার সমিতির আমিনুল ইসলামও জানালেন দৈনিক হিসাব নিকাশ রাখতে খুব সমস্যা হতো তার আর ভুলও হত। অনেক সময় নষ্ট হত। কিন্তু বিশাল এক ঝামেলা থেকে মুক্তি দিয়েছে এই অ্যাপটি।

সফটওয়্যার টি বাজারজাত করছে সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ নামের প্রতিষ্ঠান। এর প্রতিষ্ঠাতা মাহফুজ আকন্দের গল্পটা বেশ অনুপ্রেরণাদায়ক। ২৭ বছর বয়সী মাহফুজ আকন্দ ইসলামিক স্টাডিজে পড়াশুনা করেও ক্যারিয়ার গড়েছেন আইটিতে। তৈরী করেছেন  স্কুল কিপার / বিজনেস কিপার / ডিশ কিপার / ট্রান্সপোর্ট কিপার সহ সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যার ব্যবহার এখন সারাদেশে।

নিজের প্লাটফর্ম সফটওয়্যার বাজার বাংলাদেশ নামের প্রতিষ্ঠান দিয়ে তৈরি করেছেন ৩০ জনের অধিক লোকের কর্মসংস্থান । প্রতিটি পদক্ষেপে বাঁধাবিপত্তি পেরিয়ে সমিতি কিপার কে নিয়ে এসেছেন অনন্য উচ্চতায়। বর্তমানে তার একমাত্র ধ্যানজ্ঞান এই সমিতি কিপার। তার প্রতিষ্ঠান নিরলসভাবে রাতদিন পরিশ্রম করে যাচ্ছে সমিতি কিপারকে একটি ওয়ান-স্টপ সার্ভিস প্লাটফর্ম হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করানোর জন্য।

“ব্যাবহারকারীদের সন্তুষ্টিই আমাদের এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা দেয়” জানালেন মাহফুজ আকন্দ । নতুন ফিচার যুক্তকরার পাশাপাশি নির্মাতারা পৃষ্ঠপোষকতা পাবার ব্যাপারে আশাবাদী।

প্রযুক্তির ছোঁয়া পড়েছে সব ক্ষেত্রেই। সমিতি/এনজিওর রক্ষণাবেক্ষণ কেনই বা বাদ থাকবে ?

ডেমো সহ বিস্তারিত জানা যাবেঃ https://somitykeeper.com

ফোনঃ ০১৬৮৯৬৫৫০৫৫

সমিতি কিপার এর ২০২৩ইং সালের নবায়ন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিওটি দেখুন অথবা আর্টিকেলটি পড়ুন:

 

 

আসছে আগামী ২০২৩ইং সালের সমিতি কিপার সফটওয়্যারের নবায়ন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। উক্ত নবায়ন ফি চলতি বছরের ২০২২ইং ডিসেম্বর ২০ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করার অনুরোধ রইলো। অন্যথায় সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। পরবর্তীতে কোন প্রকার অনুরোধ গ্রহণযোগ্য নহে। ইতোমধ্যে যারা নবায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন তাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

 

 

নবায়ন মূল্য অবশ্যই প্যাকেজ অনুসারে নির্ধারণ হবে।  নবায়ন মূল্য সম্পর্কে জানতে সমিতি কিপার ওয়েবসাইটের মূল্য তালিকা পেজটি দেখতে পারেন – https://somitykeeper.com/pricing/

Somity_Keeper_Price

 

 

 

পেমেন্ট এর জন্য আমাদের বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্টে ব্যবহার করুন এখানে পেমেন্ট করার সময় অবশ্যই আপনার সিস্টেম আইডি রেফারেন্সে প্রদান করুন। প্রতি হাজারে ১৫ টাকা খরচসহ পেমেন্ট করবেন। বিকাশ মার্চেন্ট নাম্বার – 01797-861404

No description available.

 

 

 

ব্যাংক বা অন্যান্য পেমেন্ট পদ্ধতি:

No description available.

 

 যেকোনো বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বার গুলোতে: 01403393868 , 01323150783

 

বিঃ দ্রঃ –  যে সকল প্রতিষ্ঠান সফটওয়্যার নবায়ন ২০ তারিখের মধ্যে সম্পন্ন করবেন না, তাদের সিস্টেম বন্ধ হয়ে যাবার পর অটোমেটিকলি সকল ডাটা মুছে যাবে এবং পরবর্তীতে কোনোভাবেই ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।

সে ক্ষেত্রে পরবর্তীতে কেউ বছরের মাঝামাঝি সময়ে পুনরায় সফটওয়্যার ব্যবহার করতে চাইলে পূর্ণ মূল্য দিয়ে ক্রয় করে তারপর ব্যবহার করতে হবে।  কোনভাবেই পূর্ববর্তী সিস্টেম রিস্টোর বা অর্ধেক মূল্য চালু করার সুযোগ থাকবে না

ধন্যবাদ 

ইন্টারনেট বিস্তৃতির সাথে সাথেই ওয়েবসাইট এর ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে। বাণিজ্য ক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের উপর লোকজন অনেকটাই নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।এখন এটা জানা অত্যন্ত জরুরী যে ব্যবসার উন্নয়নে ওয়েবসাইট কেন এতো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং কীভাবে একটি ওয়েবসাইট আপনার ব্যবসাকে আরও উন্নত এবং আপনাকে আরও লাভবান করবে। আসুন জেনে নেওয়া যাক

১. একটি শক্তিশালী মার্কেটিং মাধ্যম :বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষ কিছু ক্রয় বিক্রয়ের আগে সেই দ্রব্য এবং কোম্পানি সম্পর্কে জানার জন্য ইন্টার্নেটে সেই কোম্পানির ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করেন।এমনকি কেউ যদি দ্রব্যটি নাও কিনতে চান তবু তারা দ্রব্য এবং কোম্পানি সম্পর্কে কোম্পানির ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে পছন্দ করেন। এভাবে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে খুব দ্রুত ও সহজেই যেকোন ব্যবসা মানুষের কাছে পরিচিতি পাচ্ছে ও আস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম হচ্ছে।

২. ক্রেতাকে প্রভাবিত করার অন্যতম উপায় : যদি আপনার একটি ছোট বা বড় ব্যবসা থাকে তো নি:সন্দেহে আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকা প্রয়োজন। যদি আপনার কোন ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট না থাকে তাহলে ক্রেতা ধরেই নিতে পারেন এটি একটি সল্প সাময়িক কোম্পানি এবং আপনি আপনার ব্যবসা সম্পর্কে সচেতন বা দায়িত্বশীল নন।এভাবে আপনি ক্রেতাদের বিশ্বাসযোগ্যতা হারাতে পারেন।একটি ওয়েবসাইট আপনার ব্যবসা সম্পর্কে মানুষের মনে আস্থা গড়ে তুলতে পারে।তাই বলা যেতেই পারে আপনার সাইটটিই হতে পারে কোন ক্রেতাকে আকর্ষণ করার প্রথম সুযোগ ও অন্যতম উপায়।

৩. ব্যবসার মান উন্নত করা : বর্তমানে এমন কিছু নেই যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্রয় বা বিক্রয় করা যায় না এবং এর হার দিনদিন বেড়েই চলেছে। বই থেকে শুরু করে মুদির দোকানের জিনিসপত্র কিংবা রিয়েলস্টেটের মত দামী উপকরণও এখানে কেনাবেচা চলছে।যে কোন ব্যবসার সাথে জড়িত ব্যক্তি তার ব্যবসাকে আরও উন্নত ও আধুনিকায়ন করতে ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারেন।এতে ব্যবসা আরও দ্রুত প্রাণবন্ত ও জীবন্ত হয়ে উঠে।

৪.বাজারের অন্য সকল ব্যবসার সাথে প্রতিযোগিতায় নিয়ে আসা : বর্তমানে বেশিরভাগ দায়িত্বশীল কোম্পানির নিজস্ব ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট রয়েছে।তাই যদি আপনার ব্যবসার নিজস্ব কোন ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট না থাকে তো আপনার ব্যবসা অন্য সেই সকল ব্যবসা থেকে পিছিয়ে পড়বে যাদের নিজস্ব ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট রয়েছে।

৫. আন্তর্জাতিক ভাবে লেনদেন এবং পরিচিতির অন্যতম মাধ্যম : আধুনিক বিশ্বে বহু আগে থেকেই ওয়েবসাইটের প্রচলন রয়েছে।বর্তমানে বাংলাদেশের জন্যেও এটি একটি সম্ভবনাময় ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।বড় বড় কর্পোরেশন ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান গুলো আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবসায়িক লেনদেনের জন্য ও পরিচিতি লাভের জন্য ওয়েবসাইটকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে থাকে।

৬. সকলের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য দ্রুত ও সহজতর উপায় : মূলত যদি আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকে তবে ক্রেতা,দয়িত্বশীল কর্মচারী,ব্যবসায়িক সহকর্মী,এমনকি বিনিয়গকারী পর্যন্ত আপনার ব্যবসা সম্পর্কে যে কোন সময় পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে বসে খুব দ্রুত ও সহজেই জানতে পারবেন ও যোগাযোগ করতে পারবেন।

—————————————————————-

 

বর্তমান সময়ে সব কিছুই অনেক আপডেট। এই ধারাবাহিকতায় আমরা প্রত্যেকেই চাই প্রযুক্তির সঠিক ব্যাবহার করে জীবনযাত্রার মান আরো সহজ ও সাবলীল করে তুলতে। সেটি আমরা করি ওয়েবসাইট, ফেসবুক অথবা এপের মাধ্যমে।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছি, গাড়ি নেই। এপে (উবার, পাঠাও) অর্ডার করলাম। গাড়ি এসে পৌঁছে গেলে মুহূর্তেই। ঝড় বৃষ্টিতে গরম পিজা খেতে ইচ্ছা হচ্ছে। অর্ডার দিলাম (ফুডপান্ডা), বাসায় এসে গেলো। ইভেন বুয়া সার্ভিস এর জন্যেও এখন এপ আছে। সেদিন একটি এপে অর্ডার করে, একজন বুয়া এসে কাপড় ধুয়ে দিয়ে গেছে।

কি নেই তাহলে? এই ডিজিটালাইজেশন ব্যাবসাকেও একটি অন্য লেভেলে নিয়ে গেছে।
এখানে একটি ঘটনা একটু ফ্ল্যাশব্যাক করি। পাঠাও/উবার আসার আগে সিএনজি চালকদের চেহারা আমাদের সবার মনে আছে। ১০০ টাকার ভাড়া ৫০০ টাকা চাওয়া ড্রাইভারে অভাব ছিলো না। তাদের কাছে জিম্মি ছিলো মানুষ। কিন্তু এখন সিএনজি থেকেও কম ভাড়া নিয়ে লাক্সারিয়াস কারে যাওয়া যায়।

উবার/পাঠাও আসার পর সিএনজি (অটোরিক্সা) চালকরা এইসব এপ বন্ধের দাবীতে মানববন্ধন করেছে। তারপর তাদের ভুল তাদের ধরিয়ে দেয়ার পর বলেছে,
আমরা আর বেশী ভাড়া চাইবো না। আমাদের জন্যেও এপের ব্যাবস্থা করা হোক, ইত্যাদি ইত্যাদি!

এখন সব কিছুই যেহেতু ডিজিটাল, তার সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের ব্যাবসাকেও ডিজিটালাইজেশন করতে হবে। নাহলে সেই সিএনজি চালকদের মতই অবস্থা হবে।
যেহেতু এখন পাবলিক সচেতন, তাই ১০ টাকার প্রোডাক্ট ২০ টাকা সেল করার ধান্দা ছেড়ে পারলে প্রফিট কম করে ১০ টাকার প্রোডাক্ট ৯.৭৫ টাকায় সেল করলে অনেক কাস্টমার পাওয়া যাবে।

এবার আসি পলিসিতে। আমি আগের একটি পোস্টে বলেছিলাম যে, ওয়েবসাইট ছাড়াও শুধু ফেসবুক পেইজ দিয়ে বিজন্যাস করা যায়। তাহলে কেন ওয়েবসাইট?

আবার একটু ট্রেডিশনাল বিজন্যাসের দিকে যাই। এক কাপ চায়ের দাম কত? ফুটপাতে ৫ টাকা, একটু আরামে রেস্টুরেন্টে বসে খেলে ২০ টাকা। প্রথমত মানের পার্থক্য। দ্বিতীয়ত, পরিবেশের পার্থক্য। নিরিবিলি পরিবেশে, মৃদু আলোয়, এসিতে বসে খাবেন, বিলতো একটু আসবেই।
এবার আসি সেই বহুল প্রচলিত এনার্জি বালবের কেইস স্টাডিতে। মার্কেট থেকে ২৫-৩০ ওয়াটের এনার্জি বাল্ব ১ বছরের ওয়ারেন্টি সহ (ফিলিপস বা নামি ব্র‍্যান্ডের) ৩০০-৩৫০ টাকা। আর ফুটপাথ থেকে ১০০ টাকা।
তাহলে কেন তিনগুন দাম দিয়ে মানুষ দোকান থেকে কেনে?
উত্তর একটিই, “আস্থা”

দোকান থেকে কেনার পর খারাপ পড়লে আবার এসে সেই দোকানদারকে পাওয়া যাবে। আর যে ১০-১৫ লক্ষ টাকা ইনভেস্টমেন্ট করে বসেছে সে ৩০০ টাকার জন্য প্রতারণা করার সম্ভাবনা কম।
অপরপক্ষে, যে ভ্যান গাড়িরে মাইকিং করে সেল করছে, তাকে নাও পাওয়া যেতে পারে। যেমন, যারা মেমোরি কার্ড সেল করে টেপ বাজিয়ে। তাদের কথাগুলো খেয়াল করুন,
“১৬ জিবি মেমোরি কার্ড ২০০ টাকা, ৩২ জিবি মেমোরি কার্ড ৩০০ টাকা। জায়গায় দাঁড়িয়ে চেক করে নেবেন”
শেষ লাইন শুনলে মনে হবে সে তার প্রোডাক্টের ব্যাপারে খুব কনফিডেন্ট যে তার পন্য ভালো। জায়গায় দাঁড়িয়ে প্রমান। আসল ঘটনা তা না। ঘটনা হচ্ছে কেনার ৫ মিনিট পরেও কোন সমস্যা হলে সেটা তার দায়িত্ব না।

এতো কিছু বলার উদ্যেশ্য হল পাবলিকের আস্থার জায়গাটা বোঝানো। আমি বলছি না যে, ফুটপাথের পন্য খারাপ, শোরুমের পন্য ভালো।
বরং অনেক সময় স্ট্রিট শপ থেকে বেছে ভালো পন্য পাওয়া যায়, আবার শোরুমের প্রোডাক্টেও ঘাপলা থাকে।
আবার অনেক স্ট্রিট শপার রাস্তায় বসে লক্ষ টাকার সেল নিয়ে আসে। কিন্তু শোরুমে বসে মাছি মারে।
তাই, কোন এক্সাম্পলই শিরোধার্য নয়!

এবার আসি ওয়েবের কেইসে৷ একটি পেইজ (স্ট্রিট শপ) ফ্রিতে যে কেউই খুলে নিতে পারে। কিন্তু একটি ওয়েবসাইট (শো রুম) যে বেশ ভালো পরিমাণ ইনভেস্ট করে তৈরি করেছে, তার উপর আস্থাটা একটু বেশী আসে।
ওয়েবসাইটে সকল তথ্য খুব বিস্তারিত ভাবে থাকে, সাজানো গোছানো।
ক্লায়েন্ট খুব সহজেই তার পছন্দমত পন্য অর্ডার করা এবং তার প্রয়োজনমত সকল তথ্যই সংগ্রহ করতে পারে।
ওয়েবসাইটে মার্কেটিং, অফার, প্রমোশন সংক্রান্ত অনেক অনেক ফিচার ব্যাবহার করা সম্ভব, যেগুলো শুধুমাত্র ওয়েবসাইটেই সম্ভব, পেইজে কোনভাবেই না।
বিজন্যাস শুরু করার জন্য প্রথমেই ইনভেস্টমেন্ট না করে পেইজ দিয়ে শুরু করা যায়, তবে কিছুদিন পরে হলেও ওয়েবসাইট খুলে নেয়ার টার্গেট থাকতে হবে। প্রতিযোগিতার এই বাজারে সামান্য লিমিটেশনও আপনাকে পিছিয়ে নিয়ে যেতে পারে অনেক গুন।

পেইজ দিয়ে শুরু করতে গেলে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখবেন। যে নামে আপনার ব্র‍্যান্ডিং করছেন, সেই নামে অলরেডি কোন ওয়েবসাইট আছে কি না। যদি না থাকে, তার শুধু ডোমেইন নেইম টা কিনে রেখে দিন। বছরে মাত্র ১০০০ টাকার মত খরচের বিনিময়ে এই নামটি আপনার নামে রেজিস্টার হয়ে থাকলো। ৬ মাস বা ১ বছর পর আপনি যখন ওয়েবসাইট করার কথা ভাববেন, তখন এই নামটি সহজেই ইউজ করতে পারবেন। আপনার ব্যান্ডিং নেইম আর কেউ নিয়ে নিতে পারবে না।

অনলাইন আসলে অনেক বিশাল জগৎ। এখানে টিকে থাকতে হলে প্রতিনিয়ত শেখার মানসিকতা থাকতে হবে। আর স্কিল ডেভেলপমেন্টে সবচেয়ে বেশী ইফোর্ট দিতে হবে।

We provides complete Somobay Somiti Software that you operate won organization fully satisfied .

 

We always ensure to our client like this FEATURES:

 

1 The best quality, Very smooth out looking and nice browsing system
2 High level storong security system and flexible & user friendly admin panel system
3 MySQL / MySQLi based database
4 5 Interfaces : Admin, Modaretor, Manager, Field Officer, Member
5 Member create, member information system
6 Savings, Daily deposit, monthly deposit and general deposit system
7 Loan system : Daily, Weekly, Monthly, Yearly
8 SMS, Transection system, income and expence system
9 Report, Ledger, smart search, PDF-Excel-CSV File download, print facilities and complete accounts system
10 Respnsive website, Android APPS etc.

 

মানুষ যা উপার্জন করে, তার সবটুকু ভোগ করে নিঃস্ব অবস্থায় থাকা বা পরবর্তীদেরকে নিঃস্ব অবস্থায় রেখে যাওয়া ইসলাম পছন্দ করে না। নবী করিম (সা.) বলেন, ‘নিজের কিছু মাল রেখে দাও, ইহা তোমার জন্য উত্তম।’ (সহীহ বুখারী)

অন্য এক হাদীসে এসেছে, ‘যদি তুমি তোমার সন্তানদেরকে সম্পদশালী রেখে যাও তাহলে তা উত্তম তাদেরকে নিঃস্ব অবস্থায় রেখে যাওয়া থেকে যে, তারা মানুষের ধারে ধারে ঘুরবে। (সহীহ বুখারী)

আল কোরআনে এসেছে, ‘তুমি তোমার হাত ঘাড়ের সঙ্গে বেঁধে রেখো না এবং তা সম্পূর্ণরূপে উন্মুক্তও করে দিয়ো না। তা হলে তুমি তিরস্কৃত, নিঃস্ব হয়ে পড়বে।’ (সূরা বনী ইসরাইল-২৯) অর্থাৎ একেবারে হাতগুটিয়ে বসে থাকলে বলবে, ‘লোকটি কৃপণ, বড় বখিল! আর সবকিছু দিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেলে বলবে, এত কেন দিয়েছে, আজ নিজেই মানুষের ধারে ধারে ঘুরছে! এ-জন্য আমাদের উচিত আয় থেকে সামান্য হলেও রেখে দেয়া।

দুনিয়ার স্বাভাবিক নিয়ম হচ্ছে, কোনো সম্পদ ঘরে অলস ফেলে রাখলে, খরচ হতে হতে তা একদিন ফুরিয়ে যায়। একটি হাদীসেও এর ইঙ্গিত পাওয়া যায়। নবী করিম (সা.) বলেন, ‘ জেনে রেখো! তোমাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তি বা সম্পদশালী ইয়াতিমের দায়িত্ব নিলে, সে যেন ইয়াতিমের মাল ব্যবসায় খাটায়; অলস ফেলে না রাখে। কারণ, (অলস ফেলে রাখলে) তার জাকাত দিতে দিতে একদিন ফুরিয়ে যাবে। (তিরমিযী শরীফ)

এ জন্য দৈনন্দিনের প্রয়োজন ও আত্মীয় স্বজনের হক আদায়ের পর অতিরিক্ত সম্পদ অলস ফেলে না রেখে বরং এগুলোকে উৎপাদনে বিনিয়োগ করবে। কেননা, পুঁজি বা উৎপাদনের অন্যান্য মাধ্যমগুলোকে আয়ের জন্য বিনিয়োগ না করে অলস ফেলে রাখা, শুধু অর্থনীতির দিক থেকেই ক্ষতিকর নয় বরং দ্বীন ও শরীয়তের দিক থেকেও অপছন্দ।

প্রচলিত বিনিয়োগ পদ্ধতি

প্রচলিত অর্থ ব্যবস্থায় মানুষ তার রেখে দেয়া পুঁজি নি¤েœাক্ত পদ্ধতিতে বিনিয়োগ করে-

এক. সুদ ভিত্তিক বিনিয়োগ

(ক) কোন কোন ব্যক্তি নিজের পুঁজিকে ব্যাংকের লাভজনক সুদী একাউন্টে জমা রেখে বা কোন ব্যবসায়ীকে সুদের ভিত্তিতে ঋন দিয়ে প্রতি মাসে বা নির্দিষ্ট সময় পর পর নির্দিষ্ট হারে সুদ নেয়।

(খ) সুদি বিভিন্ন সার্টিফিকেটে পুঁজি বিনিয়োগ করে সুদ নেয়া।

দুই. কোম্পনির শেয়ার ক্রয়

জয়েন্ট স্টক কোম্পানির শেয়ারে কেউ কেউ পুঁজি বিনিয়োগ করে। ঐ কোম্পানি বিভিন্ন কারবার করে যা লাভ করে, বছরের শেষে তা শেয়ার হোল্ডারদের মাঝে আনুপাতিক হারে বণ্টন করে। বর্তমানে সত্তাগতভাবে শেয়ারও পুঁজি বিনিয়োগের একটা ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।

উল্লেখিত পদ্ধতিগুলোর মাঝে, কোম্পানির শেয়ারে পুঁজি বিনিয়োগ কিছু শর্ত সাপেক্ষে বৈধ। বাকি দুটি সুদভিত্তিক হওয়ায় সম্পূর্ণ নিষেধ।

 

ইসলামের পুঁজি বিনিয়োগ পদ্ধতি

এক. মুরাবাহা

শরয়ী পরিভাষায় মুরাবাহা বলা হয়, ক্রয়কৃত মূলের সাথে অতিরিক্ত লাভের পরিমান উল্লেখ করে বিক্রি করা। মুরাবাহার ভিত্তিতে পুঁজি বিনিয়োগের পদ্ধতি হচ্ছে, কোন ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় জিনিস কেনার জন্য ঋন দেয়ার পরিবর্তে, ঐ জিনিস ক্রয় করে নির্দিষ্ট পরিমান লাভ যুক্ত করত বেশি দামে তার নিকট বিক্রি করা। সরাসরি পুঁজি বিনিয়োগ করলে যে সুদ হিসেবে যা আসতো, এখানে তা আসবে ক্রয়-বিক্রয়ের লাভ হিসেবে। এ জন্য ইসলামী অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, মুরাবাহা মূলত বিনিয়োগ পদ্ধতি নয় বরং ক্রয়-বিক্রয়েরই একটা প্রকার।

মুরাবাহার ভিত্তিতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে লক্ষণীয় বিষয়, মুরাবাহার উত্তম পদ্ধতি হচ্ছে, বিনিয়োগকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ঐ পণ্য কিনে নিজের কবজায় নিয়ে তারপর গ্রাহকে বুঝিয়ে দেয়া। তৃতীয় কোনো ব্যক্তি বা খোদ গ্রাহকেও উকিল বানানোর অনুমতি আছে। তবে এখানে ধারাবাহিকতা রক্ষা করে নিম্নের বিষয়গুলো পাওয়া যেতে হবে।

এক. বিনিয়োগকারী ও গ্রাহক প্রথমে ঐ পণ্যটি ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যাপারে পরস্পর অঙ্গিকারাবদ্ধ হবে।

দুই. বিনিয়োগকারী, গ্রাহককে পণ্য কেনা ও কবজ করার উকিল বানিয়ে দিবে এবং উভয় উকালাতনামার উপর স্বাক্ষর করবে।

তিন. গ্রাহক উকিল হিসেবে পণ্য কিনে কবজ করবে।

চার. উকিল হওয়ার দরুণ, পণ্য গ্রাহকের কাছে আমানত হিসেবে থাকবে। এবং পণ্যের যাবতীয় দায়-দায়িত্ব থাকবে মক্কেল তথা বিনিয়োগকারীর উপর। তাই উক্ত সূরতে পণ্য কোনো কারণে নষ্ট হলে তা বিনিয়োগকারীর মালিকানা থেকে যাবে।

পাঁচ. পণ্য কেনা ও কবজের পর গ্রাহক বিনিয়োগকারীকে জানাবে এবং তার কাছ থেকে গ্রাহক পণ্য কেনার প্রস্তাব দিবে।

ছয়. বিনিয়োগকারী যখন এই প্রস্তাব কবুল করবে তখন তার মালিকানা গ্রাহকের কাছে চলে যাবে।

উল্লেখ্য, মূল্য আদায়ের গ্যারিন্টি হিসেবে গ্রাহকের কোনো জিনিস বন্ধক হিসেবে রাখা যেতে পারে। সাথে সাথে তার থেকে এই অঙ্গিকারও নেয়া যায় যে, নির্দিষ্ট সময় মূল্য পরিশোধ না করলে বিনিয়োগকারীর সমাজ কল্যাণ ফান্ডে নির্দিষ্ট পরিমান টাকা দান করবে। এই হলো মুরাবাহার ভিত্তিতে বিনিয়োগ করার রূপরেখার সংক্ষিপ্ত আলোচনা।

দুই. ইজারা পদ্ধতি সেবার বিনিময়ে অর্থ বা সেবার বিনিময়ে সেবা গ্রহনের ওপর যে চূক্তি হয়, শরয়ী পরিভাষায় তাকে ইজারা বলে। ইজারা বা লিজ সত্তাগতভাবে অর্থ বিনিয়োগের কোনো পদ্ধতি নয়। বরং ক্রয়-বিক্রয়, উকালাত ইত্যাদির মতোই একটি চূক্তি। তবে বর্তমানে সুদি লেনদেনের বিপরীত ইজারাকেও বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবে ধরা হয়। এই ইজারাকে ভরহধহপরধষ ষবধংব বলা হয়। ইহা প্রচলিত ইজারা থেকে কিছুটা ব্যতিক্রম। এই ইজারা পদ্ধতি হচ্ছে, কোনো কোম্পানির স্থায়ী উপকরণ যেমন মেশিন, পরিবহন ইত্যাদির প্রয়োজন। এখন কোম্পানি, পুঁজি বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে ঋন নিয়ে নিজে কেনার পরিবর্তে তাকে বলে যে, এই মেশিন কিনে আমার কাছে ভাড়া দাও।

বিনিয়োগকারী তা কিনে তার কাছে ভাড়া দিবে। নির্দিষ্ট একটা সময় ভাড়ায় কাটার পর, বিনা মূল্যে বা সামান্য একটা মূল্য ধরে ওই মেশিন বিনিয়োগকারী কোম্পানিকে দিয়ে দেয়। ভাড়ার সময় সাধারণত এতো লম্বা হয় যে, উক্ত সময়ে বিনিয়োগকৃত টাকা ও তার ওপর যতটুকু সুদ আসার সম্ভাবনা ছিলো, ভাড়া থেকে তা ওঠে আসে। এতে উভয়ের লাভ। কোম্পানির লাভ হচ্ছে, একসঙ্গে বেশি টাকা দিতে হয়নি। আর আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পুঁজি দ্বারা লাভ কামানো উদ্দেশ্য, তার তা হয়েছে। ইজারা ভিত্তিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা ও তার সমাধান শাইখুল ইসলাম তাকী উসমানী হাফিজাহুল্লাহু এর কিতাব ‘বুহুস ফী কাযায়া ফিকহিয়া মুআসারা’এ উল্লেখ আছে। কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান এ পদ্ধতিতে বিনিয়োগ করতে চাইলে তা অধ্যয়ন করে কর্ম কৌশল জেনে নিতে পারে।

তিন. মুদারাবা শরয়ী পরিভাষায় মুদারাবা বলা হয় এমন চূক্তিকে, যেখানে এক পক্ষ পুঁজি ও অপর পক্ষ শ্রম দিয়ে অংশগ্রহন করে। মুদারাবা অনেকটা সহযোগীতামূলক বিনিয়োগ পদ্ধতি। কারণ, সমাজে অনেকে এমন আছেন, যার পুঁজি রয়েছে কিন্তু শ্রম দেয়ার সুযোগ নেই। আবার কেউ কেউ আছেন, যার শ্রম দেয়ার সুযোগ আছে কিন্তু পুঁজি নেই। তো এখানে পুঁজিওয়ালা পুঁজি আর শ্রমিক তার শ্রম দিয়ে একে অপরকে সহযোগিতা করে। মুদারাবাকে কিরাদও (القراض) বলা হয়। শিরকত ও মুদারাবা এই দুটিই মূলত ইসলামের বিনিয়োগ পদ্ধতি।

মুদারাবা সার্টিফিকেট বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশ প্রচলিত সুদী বন্ডের পরিবর্তে মুদারাবা বন্ড চালু করছে। মুদারাবাবন্ড হচ্ছে, বন্ডের ক্রেতা ও বিক্রেতার মাঝে মুদারাবা চূক্তি। উল্লেখিত চূক্তিতে মুদারাবাবন্ডের ক্রেতা হচ্ছে পুঁজি বিনিয়োগকারী আর বন্ড বিক্রেতা হচ্ছে শ্রমদাতা। মুদারাবাবন্ডে পুঁজি বিনিয়োগকারী নির্দিষ্ট পরিমানে লাভ পায় না বরং শতকরা হারে লাভ হলে পায়। ব্যবসায় লাভ না হলে বিনিয়োগকারী কোনো লাভ পায় না। শ্রমদাতা, বিনিয়োগকারীকে প্রতিবার লাভ দেয়ার সময় নির্দিষ্ট সংখ্যক বন্ডের মূল্যও পরিশোধ করে দেয়। এ-ভাবে শ্রমদাতা আস্তে আস্তে বন্ডের মূল্য পরিশোধ করে বড় একটা প্রকল্পের মালিক হয়ে যায়। অন্যদিকে বিনিয়োগকারীও তার পুঁজি দ্বারা লাভবান হয়। এ সংক্রান্ত জানার জন্য ‘শিরক ও মুদারাবা আসরে হাজের ম্যাঁ’ পৃষ্ঠ-৪৬৭ ও ‘বুহুস ফী কাযায়া ফিকহিয়া মআসারা’ খন্ড-১, পৃষ্ঠা-২৩১ দ্রষ্টব্য।

চার. সলম সলম বলা হয় এমন ক্রয়-বিক্রয়কে যেখানে ক্রেতা অগ্রীম মূল্য পরিশোধ করে আর বিক্রেতা পরবর্তীতে পণ্য বুঝিয়ে দেয়। যেমন একজন কৃষক ঋনের জন্য এসেছে, ফসল কাটার পর সুদ সহ টাকাটা সে পরিশোধ করবে। বিনিয়োগকারী তাকে সুদের ভিত্তিতে টাকা না দিয়ে, তার থেকে অগ্রীম মূল্যে শস্য কিনে নিতে পারে। এই পদ্ধতিকে শরয়ী পরিভাষায় সলম বলে। যে সকল পণ্য ওজন করে বিক্রি হয়, যেমন ধান, চাউল, চিনি এবং যে সকল পণ্য গজ হিসেবে, গননা করে বিক্রি হয় তাতে সলম জায়েজ। তবে গননাকৃত পণ্যের ক্ষেত্রে সবগুলো সমপর্যায়ের বা কাছাকাছি হওয়া শর্ত। একই কোম্পানির উৎপাদিত প্যাকেটজাত পণ্য, যেগুলো সাধারনত একই ধরনের হয়ে থাকে তাতে সলম চূক্তি জায়েজ। সলম সম্পর্কে জানতে হলে ‘আল মাআয়িরুশ শরয়ীহ’ পৃষ্ঠা-১৬৬. দৃষ্টব্য।

পাঁচ. শিরকত বা অংশিদারিত্বের ভিত্তিতে পুঁজি বিনিয়োগ দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে, নির্দিষ্ট হারে লাভ বন্টন ও পুঁজি অনুযায়ী ক্ষতি বহনের ভিত্তিতে যে চূক্তি হয় তাকেই শিরকত বলে। ফকিহগণ শিরকতকে দুইভাগে ভাগ করেছেন। একভাগে রেখেছেন ঐ সকল শিরকত যে গুলো ফিকহের প্রাচীন কিতাবগুলোতে বিদ্যমান। আরেক ভাগ হচ্ছে, যে গুলো ফিকহের প্রাচীন কিতাবগুলোতে নেই বরং পরবর্তীতে অস্তিত্যে এসেছে। বর্তমানের জয়েন্ট স্টক কোম্পানি এই দ্বিতীয় প্রকারের অন্তর্ভূক্ত। তাই কোম্পানির শেয়ারে পুঁজি বিনিয়োগ মানে অংশীদারিত্বর ভিত্তিতে পুঁজি বিনিয়োগ। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত জানতে ‘আল মাআয়িরুশ শরয়ীহ’ পৃষ্ঠা-১৯৪ ও ‘শিরকত ও মুদারাবা আসরে হাজের ম্যঁ’ দৃষ্টব্য।

মুশারাকায়ে মুতানাকেসা মুশারাকায়ে মুতানাকেসাও অংশিদারিত্বের ভিত্তিতে পুঁজি বিনিয়োগের একটি পদ্ধতি। এই লেনদেনের ধরন হচ্ছে, বিনিয়োগকারী ও গ্রাহক মিলে কোনো বাড়ি নির্মাণ বা ক্রয় করে। তারপর অংশ অনুযায়ী দু’জন বাড়ির মালিক হয়। বিনিয়োগকারী তার অংশকে কয়েকটা ইউনিটে ভাগ করে গ্রাহকের কাছে ভাড়া দেয়। গ্রাহক ভাড়ার নীয়মতান্ত্রিক ভাড়া পরিশোধ করে আর সাথে সাথে নির্দিষ্ট সময় পরপর একটি করে ইউনিট কিনে নেয়। এ ভাবে সে এক সময় বাড়ির মালিক হয়ে যায়। বিনিয়োগকারীও লাভ সহ পুঁজি ওঠিয়ে নেয়। এটাও জায়েজ রয়েছে।

বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে প্রতিটি গ্রামে সমবায় সমিতির আধিক্য লক্ষণীয়। এই সমিতি পরিচালনা করার জন্য নিয়মনীতি জানা এবং তৈরী করা আবশ্যক। যাতে সমিতি সুষ্ঠভাবে পরিচালনা করা যায়। কিন্তু আমাদের দেশে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সমিতির নিয়ম/সংবিধান/ধারা লিখতে গিয়ে প্রয়োজনীয় অনেক কিছু বাদ পড়ে যায়। আজকে সমবায় সমিতির নিয়ম/ধারা/সংবিধান লেখার সম্পর্কে আলোচনা করব।

প্রস্তাবনাঃ “বালুচর সঞ্চয় সমবায় সমিতি” একটি আর্থ সামাজিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন। সুদমুক্ত অর্থনৈতিক ভিত্তি গঠনের জন্য, অর্থ সঞ্চয়  ও পরিচালা এবং ব্যবসায়িক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহন করাই এর মূল লক্ষ এবং প্রধান কাজ বলে বিবেচিত হবে। স্থানীয় এলাকার তরুন ও যুব সমাজ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সুদমুক্ত সঞ্চয় ও ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে মুনাফা অর্জন করে আত্মনির্ভরশীল জীবন গঠনের জন্য আলাপ আলোচনার মাধ্যমে “বালুচর সঞ্চয় সমবায় সমিতি” নামে একটি সমবায় সমিতি গঠন করে।

সমিতির কার্যক্রম সুশৃঙ্খল ও অবিচল পথ চলার জন্য এর একটি সাংবিধানিক নিয়ম কানুন প্রয়োজন হয়ে পড়ে, সে লক্ষে সমিতির সকল সদস্যগণ নিমোক্ত ধারা/নিয়ম/সংবিধান প্রনয়ণ করেন।


১। সমিতির নাম “বালুচর সঞ্চয় সমবায় সমিতি”।




২। সমিতির মেয়াদকাল তিন বছর। যাত্রা শুরু ১ই অক্টোবর ২০১৫। সমাপ্তি ১ই অক্টোবর ২০১৮ খ্রি:। মেয়াদ শেষ হলে সদস্যগণের আলাপ আলোচনার মাধ্যমে পুণরায় এর মেয়াদ নির্ধারণ করবেন। তবে মেয়াদ শেষ হলে যে সমস্ত সদস্যগণ স্বেচ্ছায় চলে যেতে চাইবেন তারা লভ্যাংশসহ চলে যেতে পারবেন।

৩। সমিতির সদস্য সংখ্যা সর্বনিম্ন 3০ জন, তবে কাম্য হলো ৫০ জন। যদি মধ্যবর্তী  সময়ে নতুন কোন সসদ্য নিবন্ধিত হতে চায় তাহলে চালু হওয়ার পর থেকে যে কয় মাস অতিবাহিত হয়েছে তার সে কয়মাসের সম্পূর্ণ চাদা দিয়ে ভর্তি হতে পারবে। তবে, সমিতির সঞ্চয় যদি পূর্বে  ব্যবসায়িক কাজে চলমান থাকে তাহলে পূর্বের মুনাফা তিনি পাবেন না। ভর্তি হওয়ার পরের মাস থেকে তিনি (নতুন সদস্য) মুনাফার অংশ পাবেন।

৪। প্রত্যেক সদস্যকে ইংরেজী মাসের 01 থেকে 10 তারিখের মধ্যে ১০০০/- (এক হাজার টাকা) সঞ্চয় ফান্ডে জমা দিতে হবে। ১০ তারিখের উর্দ্ধে ২য় মাস পর্যন্ত সময় ক্ষেপন করলে ৫০ টাকা বিলম্ব ফি দিতে হবে। ১-৬ মাস পর্যন্ত এক নাগাড়ে কোন সদস্য সঞ্চয় দিতে অক্ষম হলে তার সদস্য পদ বাতিল বলে গণ্য হবে।

৫। বাতিলকৃত সদস্যের সঞ্চয়কৃত টাকা সমিতির মেয়াদ (তিন বছর) শেষ হলে লভ্যাংশ ব্যতীত প্রদান করা হবে। মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোন সদস্য সঞ্চয়কৃত টাকা উত্তোলন করার জন্য কোন প্রকার সামাজিক ও আইনি তদবির করতে পারবেনা।

৬। সমিতিতে কমিটির দুটি স্তর থাকবে।

(ক) নিম্নস্তর কমিটি              (খ) উচ্চ স্তর কমিট (ক) নিম্নস্তর কমিটি: সকল সদস্যগণ এই প্রকারের বিবেচিত হবেন। তারা উচ্চস্তর কে সমিতির পরিচালনায় সাহায্য করবেন এবং নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহন ও বাস্তবায়নে অংশ গ্রহন করবেন।

(খ) উচ্চস্তর: কমিটি সমিতির পাঁচ এর এক অংশ এর সদস্য হবেন। তারা নির্বাচিত হবেন নি¤œস্তর সদস্যদের মাধ্যমে। নিম্নস্তরের যে কেউ শর্ত সাপেক্ষে উচ্চ স্তরের সদস্য হতে পারবেন। উচ্চ স্তরের সদস্য থেকে

ক. সভাপতি          খ. সহ সভাপতি    গ. সেক্রেটারী        ঘ. সহ সেক্রেটারী  ঙ. ক্যাশিয়ার        চ. সহ ক্যাশিয়ার

ছ. পরিদর্শক          জ. সহ পরিদর্শক   ঝ. দপ্তর সম্পাদক                ঞ. প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হবেন।

৭।পরিদর্শকের কাছে সমিতির সকল সদস্য স্বচ্ছতা, সত্যতা ও ন্যায় পরায়ণতার জন্য জবাব দিহিতা করতে বাধ্য থাকবেন।

৮।          সমিতির মোট চারটি বিভাগ থাকবে-

(ক) পরিচালনা কমিটি         (খ) সঞ্চয়ী ফান্ড    (গ) বিণিয়োগ ফান্ড              (ঙ) লভ্যাংশ ফান্ড

৯। সমিতির সদস্য পদ লাভের জন্য নিজস্ব ফরমে আবেদনপূর্বক ভর্তি হতে হবে এবং ফরম বাবদ ২০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে। সদস্য থেকে নেয়া ভর্তির  সকল টাকা সমিতির প্রয়োজনীয় কাজে ব্যয় করা হবে এবং অবশিষ্ট রিজার্ভ ফান্ডে জমা হবে।

১০। সমিতির মূল ভিত্তি হলো লাভ লোকসানের সমতা বন্টন, অর্থাৎ লাভের যেমন ভাগ পাবে ঠিক তেমনি লসেরও ভাগ নিতে হবে।

১১। বালুচর সঞ্চয় সমিতির সকল ফান্ডের অর্থ সুরক্ষিত করার জন্য ব্যাংকে “চলতি হিসাব’ একাউন্টে জমা রাখা হবে।

১২। কোন সদস্য সমিতিতে একাধিক সদস্যপদ রাখতে পারবেন না। তবে সমিতি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য একাধিক সদস্যকে আর্থিক সহযোগিতা দিতে পারবেন। তবে সেটি ব্যক্তিগত লেনদেন হিসেবে বিবেচিত হবে।

১৩। সমিতির যে কোন প্রয়োজনে পরিচালনা কমিটি যদি নিম্নস্তরের সদস্যকে আহব্বান করে কিংবা মিটিং এর ডাক দেন তাহলে প্রত্যেক সদস্যের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।




১৪। প্রতি বছর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার পর দুটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে সমিতির পর্যালোচনা, মূল্যায়ণ, বাৎসরিক আয় ব্যয়ের উপর প্রতিবেদন পেশ করা হবে।

১৫।পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে গৃহীত সকল সিদ্ধান্ত সর্বোতভাবে কার্যকর বলে বিবেচিত হবে।

১৬। সমিতির যে কোন পদের সদস্য থেকে সংবিধানে প্রণীত নীতিমালার পরিপন্থী কোন কাজ প্রকাশ পেলে তাকে সাময়িক বাতিল কিংবা স্থায়ী বাতিল যেকোন ধরণের সিদ্ধান্ত গ্রহন করার অধিকার রাখবে সমিতি কর্তৃপক্ষ।

এছাড়াও নতুন কোন সমস্যা দেখা দিলে বিভাগীয় পরিচালনা কমিটি সভা আহব্বান করে সকল বিভাগের মতামতের ভিত্তিতে সমাধান দিতে পারবেন। তবে 60% এর অধিক সমর্থন থাকতে হবে।


 

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

আরো জানতেঃ https://somitykeeper.com/
Helpline: 01403393868 , 01323150783 , 01305486661
সফটওয়্যার অর্ডার করতেঃ https://somitykeeper.com/buy_now/
সমিতি কিপার ব্যবহার শিখুনঃ https://somitykeeper.com/support/
সমিতি কিপার রিভিউ দেখুনঃ https://somitykeeper.com/tetsimonial/
সমিতি কিপার ব্যবহারকারীদের তালিকাঃ https://somitykeeper.com/update/

বর্তমানে এই ডিজিটাল যুগে কম্পিউটার ছাড়া একটি দিন ও চিন্তা করা যায় না । ডেস্কটপ ও ল্যাপটপ কম্পিউটারের মধ্যে ল্যাপটপের ব্যবহারই সবচেয়ে বেশি সুবিধাজনক । ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় অনেকেই অনেক সমস্যায় পড়ে থাকেন । কাজের মাঝে ল্যাপটপ হ্যাঙ্গ হয়ে যাওয়া বা স্লো হলে কার না বিরক্ত লাগে!

বিভিন্ন কারনে আপনার ল্যাপটপটি স্লো হয়ে পরতে পারে । কিছু টিপস জেনে নিয়ে আপনার ল্যাপটপের গতি বাড়িয়ে নিন আর কাজ করুন নিশ্চিন্তে।

– হার্ড ড্রাইভ থেকে ডুপ্লিকেট ও জাঙ্ক ফাইল ক্লিয়ার করুন নিয়মিত । হার্ড ডিস্কে লোড বেশি থাকলে ল্যাপটপের গতিও কমে যায় ।

– বিভিন্ন সফটওয়্যার ডাউনলোড করার সময় অন্যান্য যে জিনিসগুলো ডাউনলোড হয় সেগুলো সাধারণত কাস্টম টুলবারে সংযুক্ত হয়। ল্যাপটপ দ্রুত করতে চাইলে এগুলো সব মুছে ফেলুন।

– অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ফাইল, যদি প্রয়োজন না হয় কন্ট্রোল প্যানেল থেকে আন-ইনস্টল করুন ।

– ল্যাপটপে একটানা অনেকক্ষণ কাজ করতে থাকলে ল্যাপটপ গরম হয়ে যায়, এতে ল্যাপটপের গতি কমে যেতে পারে । ল্যাপটপ ঠান্ডা রাখার ব্যবস্থা করতে হবে, প্রয়োজনে এক্সট্রা কুলিং ফ্যান ব্যবহার করতে পারেন ।

– ল্যাপটপের গতি বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের থার্ড পার্টি সফটওয়্যার ও রয়েছে । আপনি চাইলে পেইড বা ফ্রী ভার্সন ব্যবহারের মাধ্যমে ও ল্যাপটপের গতি বাড়িযে নিতে পারেন ।

– আপনার ল্যাপটপের জন্য অ্যান্টি-ভাইরাস ব্যবহার করুন এবং ল্যাপটপের পারফর্মেন্স বাড়াতে নির্দিষ্ট সময় পর পর অ্যান্টি-ভাইরাস আপডেট করুন ।

 

এছাড়া, আপনি ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ যা ই ব্যবহার করুন না কেন আপনার কম্পিউটারটি নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন । পরিচ্ছন্ন এবং ধুলামুক্ত জায়গায় ল্যাপটপ রেখে কাজ করুন ।

ক্রেডিট ইউনিয়ন কি:

এ ক্রেডিট ইউনিয়ন একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান যা তার সদস্যদের মালিকানাধীন এবং নিয়ন্ত্রিত হয় পরিবর্তে শেয়ারহোল্ডারদের চেয়ে ক্রেডিট ইউনিয়ন সদস্যদের তাদের আমানত সংগ্রহ এবং একে অপরকে ঋণ এবং অন্যান্য আর্থিক সেবা প্রদান করে।

কিভাবে এটি কাজ করে (উদাহরণ):

একটি ক্রেডিট ইউনিয়ন দ্বারা প্রদত্ত সেবা যেমন একটি বিস্তৃত আর্থিক পরিষেবা অন্তর্ভুক্ত, যেমন সঞ্চয় অ্যাকাউন্ট, চেক অ্যাকাউন্ট, ক্রেডিট কার্ড, জমা সার্টিফিকেট এবং অনলাইন আর্থিক সেবা।

একটি ক্রেডিট ইউনিয়ন এর ফি, সুদের হার এবং পরিষেবাগুলির মাত্রাগুলি তার সদস্যদের চাহিদাগুলি অত্যন্ত প্রতিক্রিয়াশীল। সাধারণভাবে, তারা ঋণের উপর সুদের হার এবং সঞ্চয় অ্যাকাউন্টের উচ্চ সুদের হার এবং আমানতের সার্টিফিকেট প্রদান করে।

ক্রেডিট ইউনিয়নগুলি যে কোনও গ্রুপের মধ্যে একটি সাধারণ স্বার্থে গঠিত হতে পারে – সাধারণত কোনও গ্রুপ বা কোনও সংস্থার কর্মচারী । ক্রেডিট ইউনিয়ন বোর্ড সদস্যদের সাধারণত স্বেচ্ছাসেবকদের হয়। ক্রেডিট ইউনিয়ন সাধারণত নন-মুনাফা হয়, তাই প্রায়ই সদস্যদের দ্বারা লাভ হয়।

এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ:

ক্রেডিট ইউনিয়ন ব্যাংকগুলির মতো একই সেবা প্রদান করে, তবে সেই পৃথক সদস্যের মালিকদের মালিক এবং পরিচালনার অধীনে সাধারণত কম সম্পদ আছে। যেহেতু ক্রেডিট ইউনিয়ন সাধারণত ব্যাঙ্কগুলি থেকে যথেষ্ট ছোট হয়, তারা তাদের সদস্যদের আরও ব্যক্তিগত পরামর্শদাতা সেবা দিতে সক্ষম এবং তারা কম খরচে ব্যাংকিং সেবা দিতে পারে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এবং রাষ্ট্রীয়-স্বচ্ছ ক্রেডিট ইউনিয়নগুলি বীমা করতে সক্ষম তাদের সদস্যদের সঞ্চয়গুলি জাতীয় ক্রেডিট ইউনিয়ন প্রশাসন, যুক্তরাষ্ট্রের সার্বভৌম বিশ্বাস এবং ক্রেডিট কার্ডের সাথে যুক্ত একটি ফেডারেল সংস্থা।

 

বাংলাদেশের সমবায় আন্দোলনের একটি সমৃদ্ধ এবং দীর্ঘ ঐতিহাসিক পথপরিক্রমা রয়েছে। প্রায় ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে নানা চড়াই-উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সমবায় আন্দোলনকে অগ্রসর হতে হয়েছে। সমবায় শুধু একটি উন্নয়ন দর্শনই নয়, এটি আর্থসামাজিক আন্দোলনও বটে। বিশ্বের প্রতিটি দেশে এ আন্দোলন চলমান রয়েছে।

১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় মাস স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পুরো বাংলাদেশকে একটি শ্মশানভূমিতে পরিণত করেছিল। বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের জানুয়ারিতে যখন স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন তখন সারা দেশ ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত এবং ধ্বংসের শেষ প্রান্তে। দেশের এক কোটি মানুষ তখনো ভারতে শরণার্থী হিসেবে আশ্রিত। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ এবং কোটি কোটি অসহায়গ্রস্ত মানুষকে পুনর্বাসন করা, ধ্বংসপ্রাপ্ত যোগাযোগ ব্যবস্থাকে পুনরায় চালু করা এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া মিল-কারখানা চালু করাসহ অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন দেশকে গড়ে তোলার মতো কঠিন দায়িত্বভার তাকে গ্রহণ করতে হয়।

তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের অর্থনীতির চাকা সচল করতে সমবায়ের ডাক দিয়েছিলেন। দেশের বিপুলসংখ্যক গ্রামীণ জনগণ, যারা হতদরিদ্র এবং অশিক্ষিত, তাদের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য সমবায়কে একমাত্র অবলম্বন হিসেবে তিনিই প্রথম চিহ্নিত করেছিলেন। সদ্য স্বাধীন দেশকে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে গিয়ে তার গভীর পর্যবেক্ষণে বেরিয়ে এল অমিত সম্ভাবনাময় এ দেশের মাটি ও মানুষ। পরিবেশ ও প্রকৃতিই সবচেয়ে বড় সম্পদ। যেহেতু বঙ্গবন্ধু এ দেশের মাটি ও মানুষকে গভীরভাবে ভালোবাসতেন।

তাই এ সম্পদকে যথার্থ কাজে লাগাতে এবং দেশ গঠনের নিয়ামক হিসেবে এক পর্যায়ে গ্রহণ করলেন সমবায়ভিত্তিক কর্মযজ্ঞ। দেশকে সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নে বিভোর বঙ্গবন্ধু দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর লক্ষ্যে এবং মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ, সম্পদের সুষম বণ্টন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সুযোগ সুবিধা দান নিশ্চিত করার গুরুত্ব বিবেচনা করে বাংলাদেশের পবিত্র সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের ১৩ (খ) অনুচ্ছেদে দেশের উৎপাদন যন্ত্র, উৎপাদন ব্যবস্থা ও বণ্টন প্রণালিগুলোর মালিকানার ক্ষেত্রে সমবায়ী মালিকানাকে রাষ্ট্রের দ্বিতীয় মালিকানা খাত হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছেন।

তিনি ১৯৭৫ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের শোভাযাত্রায় সমবায় আন্দোলনের মাধ্যমে সোনার বাংলা গড়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন, ‘আগামী পাঁচ বছরে সরকার বাংলাদেশের ৬৫ হাজার গ্রামে বাধ্যতামূলকভাবে বিভিন্নমুখী সমবায় চালু করবে।’ এ ঘোষণার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে সমবায়ের মাধ্যমে দেশের সম্পদকে সুষমভাবে ব্যবহারের জন্য জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। এ প্রসঙ্গে বলা যায়, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি তত্কালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশে একটি রাজনৈতিক ফ্রন্ট গঠনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ গঠন করেন।

এর মূল লক্ষ্য ছিল তত্কালীন রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে একটি রাজনৈতিক ফ্রন্ট গঠন করা এবং দেশের আর্থসামাজিক ও রাজনীতিতে দ্রুত পরিবর্তন আনাপূর্বক সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন করা। এ প্রসঙ্গে তিনি ঘোষণা করেছিলেন—গ্রামে গ্রামে বহুমুখী কোঅপারেটিভ করা হবে এবং পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামে একটি করে কোঅপারেটিভ করার বিষয়টি সন্নিবেশিত হয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, কিছুসংখ্যক কুচক্রী ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে রাতের আঁধারে জাতির জনককে নির্মমভাবে সপরিবারে হত্যা করে। জাতির পিতার রক্তের উত্তরাধিকারী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।

আশা করা যায়, বাংলাদেশের সম্পদ সুষম ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশ অচিরেই সোনার বাংলায় পরিণত হবে। পাক-ভারত উপমহাদেশে সমবায় আন্দোলনের ইতিহাস বেশ পুরনো। তবে তথ্যমতে, ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯০৪ সালে প্রথম কোঅপারেটিভ ক্রেডিট সোসাইটিজ অ্যাক্ট সর্বপ্রথম জারি করা হয়। এর পর থেকে সারা ভারতে সমবায় আন্দোলন বিকাশ লাভ করতে থাকে। কিন্তু ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পরে সমবায় আন্দোলন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বাংলাদেশ সমবায় আন্দোলনের মাধ্যমে বহু প্রতিষ্ঠান তাদের লক্ষ্য অর্জনে সফলতা পেয়েছে, যার মাধ্যমে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর বিপুলভাবে উপকৃত হয়েছে, এর উত্কৃষ্ট উদাহরণ দ্য চিটাগং কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লিমিটেড। এই সমবায়ী প্রতিষ্ঠানকে ৬৯ বছরের অগ্রযাত্রায় সফল কর্মকাণ্ডের জন্য ২০১৮ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জাতীয় সমবায় পুরস্কারে ভূষিত করেন। আজকের বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর সমবায় ভাবনা ও উন্নয়ন দর্শন একান্তই প্রাসঙ্গিক।

বাঙালির জীবনে শোকাবহ দিন ১৫ আগস্ট, জাতীয় শোক দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে শাহাদাত বরণকারী সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-সহ তাঁর পরিবারের সকল সদস্যকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি এবং আত্মার শান্তি কামনা করছি। বঙ্গবন্ধু তাঁর সারাজীবনের সংগ্রাম আর আদর্শিক চেতনার আলোকে বিশ্বাস করতেন বাংলার মেহনতি জনগণ একদিন বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনদর্শন ছিল—এদেশের গণমানুষের সুখ-সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি—যার নিয়ামক ভূমিকায় থাকবে জনগণ। তাই বঙ্গবন্ধুর উন্নয়ন-ভাবনায় আমরা সমবায়ের উজ্জ্বল উপস্থিতি দেখতে পাই।

বঙ্গবন্ধুর সমবায় আবেগ এবং পবিত্র সংবিধানের স্বীকৃতি

বাংলাদেশ, বাঙালি ও বাংলা ভাষা ছিল বঙ্গবন্ধুর উন্নয়ন দর্শনের মূলভিত্তি। আমরা বঙ্গবন্ধুর সমবায় দর্শনকে এই তিনটি প্রশ্নের মাঝে খুঁজে পাই। তার প্রেক্ষিতেই দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর লক্ষ্য নিয়ে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের বাংলাদেশের পবিত্র সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে ১৩ (খ) অনুচ্ছেদে দেশের উত্পাদন যন্ত্র, উত্পাদন ব্যবস্থাপনা ও বণ্টনপ্রণালীসমূহের মালিকানার ক্ষেত্রে সমবায়ী মালিকানাকে রাষ্ট্রের দ্বিতীয় মালিকানা খাত হিসেবে ঐতিহাসিক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর সমবায় দর্শন ও কর্মপরিকল্পনা

বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন দেখতেন দেশের প্রতিটি গ্রামে সমবায় সমিতি গঠন করা হবে। তিনি গণমুখী সমবায় আন্দোলন গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন যে কত গভীরে প্রোথিত ছিল এবং সুদূরপ্রসারী চিন্তাসমৃদ্ধ তা লক্ষ্য করা যায় ১৯৭২ সালের ৩০ জুন বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়ন আয়োজিত সম্মেলনে প্রদত্ত ভাষণে।

তিনি বলেছিলেন… ‘বাংলাদেশ আমার স্বপ্ন, ধ্যান, ধারণা ও আরাধনার ধন।

আর সে সোনার বাংলা ঘুমিয়ে আছে চির অবহেলিত গ্রামের আনাচে কানাচে, চির উপেক্ষিত পল্লীর কন্দরে কন্দরে, বিস্তীর্ণ জলাভূমির আশেপাশে আর অরণ্যের গভীরে। ভাইয়েরা আমার, আসুন সমবায়ের যাদুস্পর্শে সুপ্তগ্রাম বাংলাকে জাগিয়ে তুলি’।

কৃষি অর্থনীতির ছাত্র হিসেবে কৃষিতে সমবায় ব্যবস্থা কার্যকর করার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু কৃষি সমবায়-এর ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বিভিন্ন সময়ে যে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেছেন সে বিষয়ে কয়েকটি অমর বাণী আমি এখানে উদ্ধৃত করতে চাই। তিনি বলেন,

‘আমাদের আর্থসামাজিক কারণে দেশে দিন দিন জমির বিভাজন বেড়ে চলছে। যদি সমন্বিত কৃষি খামার গড়ে তোলা না যায় তাহলে আমাদের কৃষি উন্নয়ন ব্যাহত হবে, আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত উত্পাদন নিশ্চিত করতে পারব না। আমরা অনেক পিছিয়ে পড়বো। কো-অপারেটিভ সোসাইটির মাধ্যমে আগাতে পারলে আমাদের কৃষির উত্পাদন এবং সার্বিক উন্নয়ন দুটিই মাত্রা পাবে, সমৃদ্ধ হবে।’ (কৃষি ও কৃষকের বঙ্গবন্ধু, পৃষ্ঠা ৫৬, লেখক ড. শামসুল আলম, প্রকাশনায় পার্ল পাবলিকেশন্স)।

তিনি আরো বলেন, ‘সমবায়ের মাধ্যমে গরিব কৃষকরা যৌথভাবে উত্পাদন যন্ত্রের মালিকানা লাভ করবে অন্যদিকে অধিকতর উত্পাদন বৃদ্ধি ও সম্পদের সুষম বণ্টন ব্যবস্থায় প্রতিটি ক্ষুদ্র চাষী গণতান্ত্রিক অংশ ও অধিকার পাবে।’ (বঙ্গবন্ধুর কৃষি বিষয়ক বাণী, পৃষ্ঠা ৪১, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ প্রকাশনা, প্রকাশনায় কৃষি মন্ত্রণালয়, প্রকাশকাল মার্চ ২০২০)।

যশোরে এক সমাবেশে বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘কৃষক ভাইয়েরা সমবায় খামার করো’ সূত্র :দৈনিক ইত্তেফাক, ৩ এপ্রিল ১৯৭২।

কুমিল্লায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমীর এক সভায় বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘সমবায়ের ভিত্তিতে কৃষি উত্পাদন বৃদ্ধি করুন।’ সূত্র :দৈনিক ইত্তেফাক, ২৭ এপ্রিল ১৯৭২।

এমনিভাবে বিভিন্ন সময়ে কৃষি সমবায়ের গুরুত্ব আরোপ করে জাতির পিতা নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

আমরা দেখতে পাই বর্তমান সরকার ২০১৮ সালে যে জাতীয় কৃষি নীতি প্রণয়ন করেছে সেখানে কৃষি সমবায়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে ১৬ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে—কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নে সমবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আরো উল্লেখ করা হয় মত্স্য, দুগ্ধ ও সেবাখাতের মতো ফসল উপখাতেও সমবায় কার্যক্রম চালু করার সুযোগ রয়েছে। কৃষি সমবায়ের গুরুত্ব আরোপ করে নীতিমালায় বেশ কয়েকটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যা নিম্নরূপ—

– ১৬.১- ভূমির মালিকানা অক্ষুণ্ন রেখে প্রান্তিক কৃষক, ক্ষুদ্র উত্পাদনকারী উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ে স্বপ্রণোদিত সমবায় ভিত্তিক কৃষি উত্পাদনকে উত্সাহ এবং সহযোগিতা প্রদান;

– ১৬.২- সম্প্রসারণ সেবা গ্রহণ ও সমবায়ভিত্তিক উত্পাদন, কৃষি যন্ত্র ব্যবহার, বিশেষভাবে কৃষি উপকরণ সংগ্রহ, ঋণ এবং উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করা;

– ১৬.৩- লাভজনক ফসল উত্পাদন এবং সেচ ও খামার যান্ত্রিকীকরণ কর্মকাণ্ডে সমবায়ভিত্তিক উদ্যোগকে অগ্রাধিকার প্রদান করা;

– ১৬.৪- কৃষি পণ্যের নায্যমূল্য নিশ্চিতকরণে সমবায়ভিত্তিক বিপণনকে সহযোগিতা ও উত্সাহ প্রদান করা;

– ১৬.৫- কার্যকর পানি ব্যবস্থাপনা, সমবায় সমিতিগুলোকে প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ ও প্রশিক্ষণ, আয়বর্ধন, সম্প্রসারণসেবা প্রাপ্তি, উপকরণ সংগ্রহ এবং ঋণ প্রাপ্তিতে সহযোগিতা প্রদান করা;

– ১৬.৬- সমবায়ভিত্তিক কৃষিপণ্য উত্পাদন সংরক্ষণ ও বিপণনে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করা;

– ১৬.৭- কোনো জমি পতিত বা অনাবাদি না রেখে অনিবাসী ও অনুপস্থিত জমির মালিকদের কৃষি উপযোগী জমি সমবায় ব্যবস্থায় চাষের আওতায় এনে কৃষি উত্পাদন বৃদ্ধি ও বাজারজাতকরণে উদ্বুদ্ধ করা এবং সমবায়ের মাধ্যমে উত্পাদিত পণ্য হতে অর্জিত লভ্যাংশ জমির মালিক, কৃষিশ্রমিক ও সমবায়-এর মধ্যে যৌক্তিক হারে বিভাজনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সকলের স্বার্থ সংরক্ষণ।

তাই আমরা দেখতে পাই, কৃষকের স্বার্থ রক্ষার জন্য এবং উত্পাদন বৃদ্ধিতে বঙ্গবন্ধু কৃষি সমবায়ের ওপর যেভাবে গুরুত্বারোপ করেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাও একইভাবে গুরুত্বারোপ করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বারবার বলে যাচ্ছেন, দেশের এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে, সাথে সাথে তিনি উত্পাদন বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। সরকারের কৃষিনীতিতেও তা প্রতিফলিত হয়েছে। এটা অবশ্যই স্বীকার করতে হবে, কৃষিক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিগত ১০ বছরে অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। খাদ্য উত্পাদন বেড়েছে, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা এসেছে, তথাপি বলতে হয় শস্যক্ষেত্রে কৃষি সমবায়ের তেমন একটা কার্যকরী পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। সমবায়ের মাধ্যমে যদি কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় তাহলে উত্পাদন, বণ্টন ব্যবস্থাপনা সর্বোপরি কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণের সম্ভাবনার দ্বার আরো উন্মোচিত হবে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট—এই উভয় প্রতিষ্ঠানের যৌথ গবেষণায় দেখা যায়, সর্বনিম্ন ১ হেক্টর জমি না হলে একটি লাভজনক কৃষি খামার পরিচালনা করা যায় না। কিন্তু আমাদের দেশের অধিকাংশ কৃষক এর চাইতে কম পরিমাণ কৃষি জমির মালিক। এমনকি যাদের আড়াই একর বা তার কিছু বেশি পরিমাণ কৃষি জমি রয়েছে তারাও তাদের কৃষিকাজের আধুনিকায়নের জন্য দামি যন্ত্রপাতি কিনতে সক্ষম নন। যদি কোনোভাবে কিনেও ফেলেন, ওই যন্ত্রপাতির সর্বোচ্চ ব্যবহার করা সম্ভব হয় না। নিজের কাজ শেষে যন্ত্র বসিয়ে রাখা বা ভাড়ায় দিতে হয়। কিন্তু সমবায়ের মাধ্যমে যদি অনেক জমি একই ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা যেত তাহলে যন্ত্রপাতির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা যেত। শুধু তা-ই নয়, উত্পাদনও অনেক বেশি হতো। অনেক অনাবাদি জমি চাষের আওতায় এনে জমির ব্যবহার পরিকল্পনা ঢেলে সাজানো সম্ভব হতো।

কৃষিক্ষেত্রে সেচ ব্যবস্থা একটা গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। পানি ছাড়া কোনো ধরনের কৃষি কাজ চালানো সম্ভব নয়। কয়েক দশক আগে আমাদের দেশে কৃষি কাজের জন্য গভীর নলকূপের সুপারিশ করা হতো। অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, গভীর নলকূপের অতি ব্যবহার পরিবেশবান্ধব নয়, সবচাইতে নিরাপদ পানি হলো জলাধারের সঞ্চিত পানি। জলাধারে পানি বর্ষাকালে সঞ্চয় করে সারা বছর সেই পানির ব্যবহার সর্বোত্তম এবং সেই জলাধার থেকে পাম্পের সাহায্যে সেচনালা বা পাইপে সমবায়ের আওতাধীন জমিগুলোতে স্বল্প অপচয়ে, সেচের পানি ব্যবহার করা যায়। শুধু তা-ই নয়, ভূ-উপরিস্থ জলাধারে সঞ্চিত পানি দিয়ে সেচ দেওয়ার খরচ তুলনামূলকভাবে কম।

কৃষি আধুনিকায়নের জন্য কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রয়োজন। পাওয়ার টিলার, ট্রাক্টর থেকে শুরু করে বহু ধরনের যন্ত্রপাতি সার্বিক কৃষি কাজে ব্যবহার করা যায়। এ সকল যন্ত্রপাতি ক্রয়, পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণ যত সহজে সমবায়ের মাধ্যমে করা সম্ভব, তা ব্যক্তি মালিকানায় সম্ভব নয়।

কৃষিতে প্রয়োজনীয় পরিমাণ কৃষি ঋণ যথাসময়ে প্রাপ্তির জন্য কৃষকদের সমবায় সংগঠন খুবই সহায়ক। রেজিস্ট্রিকৃত কৃষি সমবায় হলে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান ঋণ দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। প্রথমত, ঋণগ্রহীতার নিবন্ধনকৃত পরিচয় রয়েছে; দ্বিতীয়ত, ঋণের সুষ্ঠু ব্যবহারের একটা নিশ্চয়তা থাকে এবং তৃতীয়ত, যথাসময়ে ঋণ পরিশোধের নিশ্চয়তা সমবায় দিতে সক্ষম।

এছাড়া উত্পাদিত পণ্য নিরাপদে সংগ্রহ করার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পরিবহনের জন্য কিছু কাজ যেমন বাছাই, ছাঁটাই, শ্রেণিবিভাজন, প্যাকেটজাতকরণ বা যথাযথ পাত্রে স্থাপন ইত্যাদি কাজ পণ্যের মানোন্নয়ন ও সংরক্ষণে সহায়ক। নির্দিষ্ট সময়ে বিপণনের জন্য অনেক সময় পণ্য সংরক্ষণ করে রাখার প্রয়োজন।

কৃষিপণ্য বিপণনে আরেকটি কার্যক্রম হলো নিরাপদ পরিবহন। পরিবহনের পাত্র, প্যাকিং ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আবার প্যাকিং পণ্যের ধরনের ওপর নির্ভর করে। শস্য পরিবহনে চটের বস্তা উপযুক্ত হলেও সবজি, ফুল-ফলের জন্য কোনোক্রমেই উপযুক্ত নয়। এসব পণ্যের জন্য বাঁশের বিশেষ টুকরি কিংবা হার্ডবোর্ড, কাগজের বাক্স দরকার। খুব ধনী কৃষক না হলে একজনের পক্ষে সকল সুবিধা সৃষ্টি সম্ভব নয়। সমবায়ের মাধ্যমে এই আয়োজন সহজেই করা যেতে পারে। তাই বলা যায়, কৃষি সমবায় একটি সমন্বিত কার্যক্রম।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যৌথ চাষ পদ্ধতির সুফল

দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম, জাপান, চীন, ভারত, ব্রিটেনসহ বিশ্বের অনেক দেশ সমবায় ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ব্যবসায়িক উত্পাদন কার্যক্রম পরিচালনা করে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি সাধন করতে সক্ষম হয়েছে। যৌথ চাষ পদ্ধতি দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও ভারতের কেরালা মডেল এখন বিশ্বের অনেক জায়গায় ব্যবহূত হচ্ছে। বাংলাদেশে জরিপ চালিয়ে গবেষকগণ প্রমাণ পেয়েছেন যে, সনাতন পদ্ধতিতে চাষাবাদের থেকে যৌথ পদ্ধতিতে চাষাবাদের মাধ্যমে ফসল উত্পাদন অধিক লাভজনক যা মোটাদাগে নিম্নরূপ :

– আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি যৌথ উদ্যোগে ক্রয় করা হলে শতকরা ৭০ থেকে ৮০ ভাগ মূলধন সাশ্রয় হয়।

– ধানে বালাই দমন পূর্বের তুলনায় আনুমানিক ৯.৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।

– ফসল কাটা-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা শতকরা ৩.৩০ ভাগ সাশ্রয় হয়।

– ফসল বপন/রোপন, আগাছা দমন, শ্রমিক খরচ, যন্ত্রের তেল খরচে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ খরচ সাশ্রয় হয়।

– সেচের পানির অপচয় শতকরা ৩০ থেকে ৪০ ভাগ হ্রাস পায়।

– কৃষি যন্ত্রপাতি মেরামতে খুবই ন্যূনতম খরচ হয়। নিয়মিত ব্যবহারের কারণে সহজে নষ্ট হয় না।

সূত্র : পেপার অন কো-অপারেটিভ ফার্মিং পটেনশিয়াল ফর এস্টাব্লিশিং ফুড সিকিউরিটি উইথ ইন রুরাল বাংলাদেশ (ACTA Universities Vol : 64; page 2067.)

(Three Authors: Vladimir Milovanovic, Lubos Smutka, এবং Jusufi, Czech University of Life Sciences, Prague)

আমাদের এটা মনে রাখতে হবে, সমবায় ব্যবস্থাপনা অন্য কোনো প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর সাথে সাংঘর্ষিক নয়। সমবায় শুধু অর্থনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটা হলো আর্থসামাজিক আন্দোলন, সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ, নব প্রজন্মকে উজ্জীবিত করার সহায়ক শক্তি। তাই গণমুখী অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, দারিদ্র্য বিমোচন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, পরিবেশের বিপর্যয় প্রতিরোধ এবং খাদ্য নিরাপত্তা বলয় সৃষ্টিতে অন্যতম উত্কৃষ্ট পদ্ধতি হচ্ছে সমবায় উদ্যোগ।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ৪৭তম সমবায় দিবসের বাণীতে উল্লেখ করেছিলেন, ‘… রূপকল্প ২০২১ ও এসডিজি ২০৩০ বাস্তবায়ন এবং আমাদের ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে রূপান্তরের ক্ষেত্রে সমবায়ের ভূমিকা অপরিসীম’। তাই আসুন বঙ্গবন্ধুর ভাষায়, ‘সমবায়ের যাদুস্পর্শে সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে মূল্যবোধের চর্চা ও সমবায়ভিত্তিক সমাজ গঠন করে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করি’।

জাতির পিতার সমবায় দর্শন ও কৃষির প্রতি ভালোবাসা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আবেগসিক্ত অঙ্গীকারের ভেতরেই রয়েছে কৃষি সমবায় আন্দোলনকে জনমুখী ও উন্নয়নমুখী করার প্রেরণা। আসুন আমরা জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কৃষি সমবায়কে আরো জোরদার করার অঙ্গীকারে আবদ্ধ হই।

লেখক : সাজ্জাদুল হাসান ।  সভাপতি, বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতি ও সাবেক সিনিয়র সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

সৌজন্যেঃ ইত্তেফাক 

  • অর্থনৈতিক উন্নয়নে সমবায়ের ভুমিকাকে কোনোভাবেই খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। সমবায়ের জন্য প্রয়োজন সঞ্চয়, আর সঞ্চয়ের জন্য প্রয়োজন সঞ্চয়ী মনোভাব। তাই সঞ্চয়ী প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে এলে অর্থনৈতিক ভিত্তি যে মজবুত হবে এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

মৌমাছির কথাই ধরা যাক। সৃষ্টিকুলের সবচেয়ে পরিশ্রমী এই ক্ষুদ্র প্রাণীটি সারাদিন ফুলে ফুলে বিচরণ করে বিন্দু বিন্দু মধু সংগ্রহ করে। আবার অসময়ে সে মধু পান করে তারা জীবন ধারণ করে। সমবায়ের ক্ষেত্রেও একই কথা খাটে।

আমরা জানি, সমবায়কে কাজে লাগিয়ে ভারত অবিস্মরণীয় সফলতা অর্জন করেছে। জাপান, স্ক্যান্ডিনেভিয়ানের রাষ্ট্রে সমবায়কে অর্থনীতির তৃতীয় খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। নরওয়ে, সুইডেনের মতো দেশেও সমবায়ের মাধ্যমে কল্যাণমুখি অর্থনীতি গড়ে উঠেছে। কাজেই সমবায়কে কাজে লাগিয়ে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, উৎপাদন এবং বিতরণ ক্ষেত্রে আশাতীত ফল পাওয়া এবং এর মাধ্যমে দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব।

সরকার দেশ ও জনগণের স্বার্থে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সমবায়ী অভিজ্ঞতাকে মডেল হিসেবে কাজে লাগালে দেশের দেড় লাখ সমবায় সংগঠনের সাথে প্রত্ক্ষ্য-পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ৪ কোটি মানুষ এর সুফল পাবে।

কর্মসংস্থান ও বাজারব্যবস্থা উন্নয়নে সমবায় এক বিশাল শক্তি। সারা পৃথিবীর যাবতীয় কৃষি পণ্যের অর্ধেক সমবায়ের মাধ্যমে বাজারজাত হয়। ভারতের দুগ্ধ সমবায় ১১ মিলিয়ন সদস্য নেটওয়ার্ক ২২টি রাজ্যে সমবায় ফেডারেশনের মাধ্যমে ২৮৫টি জেলার এক লাখের অধিক গ্রামের পণ্য বাজারজাত করছে।

তাছাড়া ১৯৯৬ সালে কো-অপারেটিভের মাধ্যমে কর্মসংস্থান হয়েছে ইউরোপে ৫ মিলিয়ন, জার্মানে ৫ লাখের অধিক, কানাডায় ৭৩ হাজার, কুইবেক প্রদেশে ৪২ হাজার লোকের। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী সমবায়ের মাধ্যমে সারা বিশ্বে প্রায় একশ মিলিয়ন মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। সমবায়ের সফল উদাহরণ বাংলাদেশেও আছে। বাংলাদেশী মিল্কভিটা ৩ লাখ সমবায়ী দুগ্ধ উৎপাদনকারীর আয় ১০ গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। আবার তরুণ বন্ধুদের উদ্যোগে ৩৫০ টাকার সমবায় সমিতি করে ২৫ বছরে বাংলাদেশে ১৫০ কোটি টাকার সফল সমবায়ী প্রতিষ্ঠান কিংশুকের নাম সবারই জানা আছে।

আমরা দেখতে পাই, সমাজে শিক্ষার হার বাড়লেও বাড়েনি সমবায়ী শিক্ষা। তাই সমবায় সম্পর্কে অনেকের ধারণাই স্পষ্ট নয়। সমবায় সংগঠনে সকল সদস্যের সমান অধিকার। এখানে ছোট-বড়, ধনী-দরিদ্র, নারী-পুরুষের পার্থক্য নেই। সমবায়ে সদস্যরা পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তন করার লক্ষ্যে সমিতি গঠণ করে। সংগঠনের সকল সদস্যের একসাথে সাহায্যের প্রয়োজন হয়না কেননা সদস্যরা একে অপরের মঙ্গলের জন্য পারস্পরিক সহযোগিতা বিনিময় করে। সহযোগিতা ভোগি ও সহযোগিতা প্রদানকারী উভয়ই সংগঠনের অভিন্ন অংশ যার ফলে তাদের মাঝে স্বার্থের সংঘাত থাকেনা। সকলের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পুঁজি ও শক্তি একত্রিত করে একে অপরের সহযোগিতার মাধ্যমে নিজ নিজ ক্ষেত্রে সর্বোপরি সামষ্টিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটায়। কাজেই সমবায়ী কার্যক্রমকে নীতিমালায় পরিচালনা করা গেলে সমবায়ে সমৃদ্ধি সম্ভব।

বিশ্ব প্রেক্ষিতে দেখলে আমরা দেখতে পাই, সমবায়ের উন্মেষ ঘটে গ্রেট ব্রিটেনে অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে। এর উদ্ভাবক ছিলেন উলউইচ ও চার্লস-এর ডকইয়ার্ডের শ্রমিকবৃন্দ। ১৭৬০ সালে তারা একচেটিয়াভাবে অধিক মূল্য আদায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলনের মাধ্যমে সমবায়ভিত্তিক মিল স্থাপন করেন। ১৮৪৪ সালে ইংল্যান্ডের ছোট শহর রচডেলে সমবায় আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। ১৮৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় কো-অপারেটিভ হোলসেল সোসাইটি। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সমবায় জোরদার করার জন্য সমবায়ের সবচেয়ে বড় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেটিভ এলায়েন্স (আইসিএ) গঠিত হয় ১৮৮৫ সালে লন্ডনে। আইসিএ ইন্টারন্যাশনাল একটি স্বাধীন বেসরকারি সমবায় এসোসিয়েশন।

যারা বিশ্বব্যাপী সমবায় সমিতিগুলোকে কাজে লাগিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্ব করছে। বর্তমানে ৯৫টি দেশের ২৬৫টি সমবায় সংগঠনের ১ বিলিয়নের বেশি সমবায়ী আইসিএ ইন্টারন্যাশনালের অন্তর্ভুক্ত সদস্য। সমবায়ের আন্তর্জাতিক ব্যাংকটির নাম রাবো ব্যাংক নেদারল্যান্ডস। কৃষিভিত্তিক কার্যক্রমের সূত্র ধরেই ১৮৯৮ সালে দুটো দুটো পৃথক কো-অপারেটিভ ব্যাংক মিলে প্রতিষ্ঠিত হয় রাবো ব্যাংক। রাবো ব্যাংক একটি গ্রামীণ সমবায় ব্যাংক যা কৃষকদের ঋণ প্রদান করত। বর্তমানে পৃথিবীর সেরা ২৫টি ব্যাংকের এটি একটি এবং ৩৭টি দেশে এর কার্যক্রম বিস্তৃত। এর সম্পদের পরিমাণ ৬০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং গ্রাহক সংখ্যা ৯ মিলিয়নের বেশি।

সমবায়ে বিশ্বের তথ্য-উপাত্তে দেখা যায়, ফ্রান্সের প্রতি ১০ জন কৃষকের ৯ জন সমবায়ী এবং খুচরা ব্যবসায়ীদের ২৫ ভাগ সমবায়ী। জাপানে ৯১ ভাগ কৃষক সমবায় সমিতির সদস্য। কৃষি সমবায়ীদের উৎপাদিত পণ্যের মূল্য প্রায় ৯০ মিলিয়ন ডলার। কোরিয়ায় ৯০ ভাগ কৃষক, ৭১ ভাগ মৎসজীবী সমবায়ী। নরওয়েবাসীর প্রতি ৩ জনের ১ জন সমবায়ী এবং তাদের ৯৯ ভাগ ডেইরি পণ্য সমবায়ের মাধ্যমে উৎপাদিত হয়।

সিঙ্গাপুরের ভোগ্যপণ্য বাজারের ৫৫ ভাগ নিয়ন্ত্রণ করে সমবায়। যার বার্ষিক টার্নওভার ৭শ’ মিলিয়ন ডলার। নিউজিল্যন্ডে জিডিপির ২২ ভাগ আসে সমবায় থেকে। সেখানে ডেইরি সামগ্রীর ৯৫ ভাগ সমবায়ের মাধ্যমে উৎপাদিত হয়। কুয়েতে খুচরা বাজারের ৮০ ভাগ সমবায়ের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ভিয়েতনামে মোট জিডিপির ৮ দশমিক ৬ ভাগ আসে সমবায় থেকে। অতএব বিশ্ব সমবায়ের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে বাংলাদেশে কৃষিভিত্তিক ও কৃষক সমবায় সমিতি অমিত সম্ভাবনা রয়েছে। সমবায়ের মূলমন্ত্রও তাই।

সমাজের সাধারণ, দরিদ্র মানুষের মতায়নের ঐতিহাসিক প্রয়োজনে সমবায়কে নতুনরূপ দিয়েছেন আরেক বাঙালি ড. আখতার হামিদ খান। ১৯৫৯ সালে তিনি কুমিল্লায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড) প্রতিষ্ঠা করেন। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়ের এই মডেলটি তাঁকে কিংবদন্তিতে পরিণত করে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দেয়। তিনি সৃষ্টি করেছেন এমন একটি মডেল, যে ধারণায় সমাজের মানুষ নিজেরা নিজেদের সঞ্চয়কে পুঁজিতে পরিণত করে নিজেদের প্রয়োজনে বিনিয়োগ করতে পারে।

সমাজ বিশ্লেষকদের অভিমত, সমবায়ের মূলধারা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ইতিবাচক।

সরকারি কর্মসূচির আওতাভুক্ত নয় এরূপ সমবায় সমিতি অর্থাৎ সাধারণ জনগণ ২০জন মিলে একটি প্রাথমিক সমবায় সমিতির নিবন্ধন জেলা সমবায় অফিসার প্রদান করে থাকেন।

এরূপ সমবায় সমিতি নিবন্ধন পেতে হলে নিম্নরূপ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে:

প্রাপ্তবয়স্ক কমপক্ষে ২০ জন সাধারণ জনগণের আবেদন এবং সমবায় সমিতি নিবন্ধন নীতিমালা,২০১৩ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র উপজেলা/মেট্রোপলিটন থানা সমবায় অফিসে দাখিল করতে হয়।

উপজেলা সমবায় অফিসার দাখিলকৃত রেকর্ডপত্র নিজে অথবা সহকারী পরিদর্শক সরজমিনে যাচাই করেন। যাচাই শেষে উপজেলা/মেট্রোপলিটন থানা সমবায় অফিসার যাচাই প্রতিবেদন এবং আবেদনকারী কর্তৃক দাখিলকৃত রেকর্ডপত্র জেলা সমবায় অফিসার বরাবরে প্রেরণ করেন।

জেলা সমবায় অফিসারের নিবন্ধনের বিষয়ে আপত্তি না থাকলে নিবন্ধন প্রদান এবং নিবন্ধনসংক্রান্ত যাবতীয় রেকর্ডপত্র সংশ্লিষ্ট সমবায় অফিস ও আবেদনকারীর নিকট প্রেরণ করেন।

নিবন্ধনের আপত্তি থাকলে তাঁর কার্যালয়ের পরিদর্শক কর্তৃক সরজমিনে তদন্ত করাবেন এবং তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে নিবন্ধন প্রদান অথবা রেকর্ডপত্র সংশোধনের জন্য বা নিবন্ধন নামঞ্জুর করে নিবন্ধনসংক্রান্ত যাবতীয় রেকর্ডপত্র সংশ্লিষ্ট উপজেলা/মেট্রোপলিটন থানা সমবায় অফিসারের মাধ্যমে আবেদনকারীর নিকট প্রেরণ করবেন।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

১.সমবায় সমিতি বিধিমালাতে উল্লিখিত নির্ধারিত ফরমে আবেদনপত্র

২.৩৪৫.০০ (তিনশত পঁয়তাল্লিশ) টাকা (৩০০.০০ টাকা নিবন্ধন ফি এবং ১৫% ভ্যাট ৪৫.০০) ট্রেজারি চালানের মূল কপি

৩.সদস্যদের স্বাক্ষরযুক্ত তিন প্রস্থ উপ-আইন

৪.সাংগঠনিক সভার কার্যবিবরণী

৫. আয়-ব্যয়ের হিসাব

৬. দুই বছরের প্রাক্কলিত বাজেট

৭. জাতীয় পরিচয়পত্র/নাগরিকত্বের সনদ

৮. আইনানুসারে অঙ্গীকারনামা

৯. বাড়িভাড়ার চুক্তিপত্র

১০. প্রস্তাবিত ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের ছবিসহ নামের তালিকা

 

নিম্নলিখিত আইন/বিধিমালা/নীতিমালায় বর্ণিত শর্তাবলি: সমবায় সমিতি আইন, ২০০১ (সংশোধিত, ২০০২ ও সংশোধিত, ২০১৩) সমবায় সমিতি বিধিমালা, ২০০৪ মূল্য সংযোজন কর বিধিমালা, ১৯৯১ সমবায় সমিতি নিবন্ধন নীতিমালা, ২০১৩

সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি: ১. সমবায় সমিতি আইন, ২০০১ (সংশোধিত, ২০০২ ও সংশোধিত, ২০১৩)

২. সমবায় সমিতি বিধিমালা, ২০০৪

৩. মূল্য সংযোজন কর বিধিমালা, ১৯৯১

৪. সমবায় সমিতি নিবন্ধন নীতিমালা, ২০১৩

সমিতি, মাল্টিপারপাস, কিস্তি ইত্যাদি শব্দকে অনেকেই সুদের সমার্থবোধক জানেন। এ জানার পেছনে যথেষ্ট বাস্তবতাও আছে।

ইদানীং দেশের প্রতিটি শহর ও গ্রামের মার্কেটে, হাটে, মোড়ে গড়ে উঠেছে প্রচুর সমবায় সমিতি, সঞ্চয়ী সমিতি, মাল্টিপারপাস ইত্যাদি আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এগুলোর প্রায় সবই সুদভিত্তিক পরিচালিত হয়।

এগুলো দেখতে দেখতে সাধারণ মানুষ এখন কিস্তি, সমিতি, মাল্টিপারপাস শুনলেই মনে করে সুদের কারবার। অথচ সুদমুক্ত থেকেও এসব সমিতি পরিচালনা করা সম্ভব।

এসব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তারা একটু আন্তরিক হলে, নিজেদের ও উম্মাহর ইমান- আমলের প্রতি একটু দরদি হলে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুদমুক্ত লাভজনক করতে পারেন।

সুদ ও লাভ কিন্তু এক নয়।

আবার বিপরীতও নয়। সব সুদই লাভ। কিন্তু সব লাভ সুদ নয়। লাভ দুই ধরনের। একটা লাভ সুদমুক্ত, অন্যটা সুদ। তিনটি বিষয়কে সামনে রাখলে আমরা খুব সহজেই চিহ্নিত করতে পারব, আমাদের কোন লাভ সুদ হচ্ছে আর কোন লাভ সুদ নয়।

১. টাকা বনাম টাকার আদান-প্রদানে যে লাভ দেওয়া-নেওয়া হবে তা সুদ। ভিন্ন ভিন্ন মুদ্রার বিনিময় বা আদান-প্রদানের লাভ সুদ নয়। ২. পণ্য বনাম পণ্যের আদান-প্রদানে যদি উভয় পণ্যের জাত এক হয় তাহলে যে লাভ দেওয়া-নেওয়া হবে তা সুদ। ৩. পণ্য বনাম টাকার বাকি বেচাকেনাতে চুক্তি মোতাবেক নির্দিষ্ট সময়ে বিনিময় পরিশোধ না হলে পূর্বনির্ধারিত বিনিময়ের চেয়ে অতিরিক্ত যা দেওয়া-নেওয়া হবে তা সুদ।

পক্ষান্তরে নগদ মূল্যের তুলনায় বাকি মূল্য বেশি ধার্য করে বিক্রি করলে তা সুদ নয়। অনুরূপ স্বল্প বাকির তুলনায় দীর্ঘ বাকির মূল্য বেশি ধার্য করে বিক্রি করলে তা সুদ নয়। তবে এর জন্য শর্ত হলো, বিক্রির আগেই বাকির ধরন ও মূল্যের পরিমাণ ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে সুনির্দিষ্ট করা। ঝুলন্ত রাখলে বা ক্রেতা-বিক্রেতার জন্য ঐচ্ছিক সুযোগ বাকি রাখলে তা সুদ হবে।

সমিতিকে সুদমুক্ত রাখার জন্য নিম্নোক্ত তিনটি পদ্ধতিতে সমিতির কার্যক্রম চালানো যেতে পারে- যথা : ১. বাইয়ে মুআজ্জাল (বাকি বিক্রি) ২. বাইয়ে সালাম (অগ্রিম ক্রয়) ৩. আকদে মুজারাবা (ব্যবসার অংশীদারিত্ব)।

 

বাইয়ে মুআজ্জাল:

গরহকের কোনো মালের প্রয়োজন থাকলে চাহিদা মোতাবেক সমিতি তা ক্রয় করে দখলে বুঝে নিয়ে গ্রাহকের কাছে বাকিতে বিক্রি করবে। সমিতি তার ক্রয়মূল্য ও খরচের সঙ্গে প্রস্তাবিত লাভ যোগ দিয়ে বিক্রয়মূল্য ধার্য করবে। ওই বিক্রয়মূল্য পরবর্তী সময়ে একবারে বা কিস্তি করে বহু বারে আদায় করবে। এ পদ্ধতিতে দু’টি বিষয়ে সতর্ক থাকতে হয়- ১. বিক্রির সময় যে বিনিময় ধার্য হবে পরবর্তী সময়ে কোনো কারণেই আর তার চেয়ে বেশি নেওয়া যাবে না। ২. গ্রাহককে মাল হস্তান্তর করতে হবে। মাল কিনে নেওয়ার জন্য গ্রাহককে বা তার প্রতিনিধিকে টাকা দেওয়া যাবে না।

 

বাইয়ে সালাম: গ্রাহকের যদি এমন প্রয়োজন দেখা দেয় যা পূরণে টাকা দরকার, কোনো মাল দ্বারা এ প্রয়োজন মেটানো সম্ভব নয়, সে ক্ষেত্রে সমিতি গ্রাহক থেকে কোনো মাল অগ্রিম ক্রয় করবে। তাকে মূল্য নগদ দিয়ে দেবে, মাল তার থেকে পরে নেবে। এ অগ্রিম ক্রয় শুদ্ধ হওয়ার জন্য মালের জাত, প্রকার, গুণগত মান, পরিমাণ, মাল হস্তান্তরের স্থান ও তারিখের পরিষ্কার বিবরণ চুক্তিতে উল্লেখ থাকা অপরিহার্য শর্ত। সমিতি ওই মাল বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহ করবে। এ পদ্ধতিতে সতর্ক থাকতে হবে যে, গ্রাহক থেকে মাল না নিয়ে মালের বাজারমূল্য নেওয়া যাবে না। তাকে মাল বিক্রি করে টাকা জমা দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া যাবে না। তার কাছে বেচা যাবে না। এসব কর্মকাণ্ড লেনদেনকে সুদে পরিণত করবে।

 

আকদে মুজারাবা: প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায় পুঁজির অংশ সরবরাহ করে সমিতি ব্যবসার অংশীদার হতে পারে। দৈনিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, মাসিক বা বার্ষিক হিসাবে সমিতির প্রদেয় টাকার যে লাভ হবে তা থেকে পূর্ব নির্দিষ্ট অংশ (যেমন- অর্ধেক, এক-তৃতীয়াংশ) সমিতি গ্রহণ করবে। বাকিটুকু ব্যবসায়ী পাবেন। যদি ব্যবসায় লোকসান হয় তাহলে ব্যবসার মোট পুঁজির আনুপাতিক হারে লোকসানের দায় সমিতি নেবে।

 

সুদ ও মুজারাবার লাভের মধ্যে ৪টি স্পষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান।

১. সুদে বিনিয়োগকারী লোকসানের দায় নেবে না, কিন্তু মুজারাবায় বিনিয়োগকারী আনুপাতিক হারে লোকসানের দায়িত্ব নেবে।

২. সুদি বিনিয়োগে লাভ টাকার অঙ্কে নির্দিষ্ট থাকে কিন্তু মুজারাবায় তা থাকে না। বরং হার নির্দিষ্ট থাকে।

৩. সুদ বিনিয়োগকৃত ব্যবসার লাভের অংশ নয়। তাই লাভ না হলেও সুদ দিতে হয়। কিন্তু মুজারাবার প্রাপ্ত লাভ ব্যবসার লাভের অংশ, তাই ব্যবসায় লাভ না হলে বিনিয়োগকারী কিছুই পায় না।

৪. সুদ হ্রাস-বৃদ্ধির সম্ভাবনা রাখে না, কিন্তু মুজারাবার লাভ হ্রাস, বৃদ্ধি, শূন্য হওয়ার সম্ভাবনা রাখে।

 

সুদ বর্জনের প্রত্যয় নিয়ে সমিতি পরিচালনা করতে গেলে একটি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তা হলো- গ্রাহক যথাসময়ে মূল্য বা পণ্য না দিলে যদি বিলম্বের সময়ানুপাতে বেশি আদায় করা হয়, তাহলে তা সুদ হবে আবার আদায় না করলে এ সরলতা সবাইকে খেলাপি হতে উৎসাহ দেবে।

আমাদের বিজ্ঞ ফকিহদের সুচিন্তিত পরামর্শ হলো, সমিতির একটি জনকল্যাণ তহবিল রাখা। বিনিয়োগকালে গ্রাহক থেকে হলফনামা নেওয়া যে, খেলাপি হলে দিন, সপ্তাহ বা মাস হিসাবে এত টাকা করে জনকল্যাণ তহবিলে দান করব। ফলে বাড়তি টাকার চাপে খেলাপি হওয়ার কোনো প্রবণতা সৃষ্টি হবে না। কেউ খেলাপি হলে বাড়তি টাকা জনকল্যাণে ব্যয় হওয়ায় সমিতির সদস্যরা সুদ ভোগকারী হবে না।

সেবা প্রদান পদ্ধতি (সংক্ষেপে) —
সরকারি কর্মসূচির আওতাভুক্ত নয় এরূপ সমবায় সমিতি অর্থাৎ সাধারণ জনগণ ২০ জন মিলে একটি প্রাথমিক সমবায় সমিতির নিবন্ধন জেলা সমবায় অফিসার প্রদান করে থাকেন।
 
এরূপ সমবায় সমিতি নিবন্ধন পেতে হলে নিম্নরূপ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে:প্রাপ্তবয়স্ক কমপক্ষে ২০ জন সাধারণ জনগণের আবেদন এবং সমবায় সমিতি নিবন্ধন নীতিমালা,২০১৩ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র উপজেলা/মেট্রোপলিটন থানা সমবায় অফিসে দাখিল করতে হয়। উপজেলা সমবায় অফিসার দাখিলকৃত রেকর্ডপত্র নিজে অথবা সহকারী পরিদর্শক সরজমিনে যাচাই করেন।
 
যাচাই শেষে উপজেলা/মেট্রোপলিটন থানা সমবায় অফিসার যাচাই প্রতিবেদন এবং আবেদনকারী কর্তৃক দাখিলকৃত রেকর্ডপত্র জেলা সমবায় অফিসার বরাবরে প্রেরণ করেন।
 
জেলা সমবায় অফিসারের নিবন্ধনের বিষয়ে আপত্তি না থাকলে নিবন্ধন প্রদান এবং নিবন্ধনসংক্রান্ত যাবতীয় রেকর্ডপত্র সংশ্লিষ্ট সমবায় অফিস ও আবেদনকারীর নিকট প্রেরণ করেন।নিবন্ধনের আপত্তি থাকলে তাঁর কার্যালয়ের পরিদর্শক কর্তৃক সরজমিনে তদন্ত করাবেন এবং তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে নিবন্ধন প্রদান অথবা রেকর্ডপত্র সংশোধনের জন্য বা নিবন্ধন নামঞ্জুর করে নিবন্ধনসংক্রান্ত যাবতীয় রেকর্ডপত্র সংশ্লিষ্ট উপজেলা/মেট্রোপলিটন থানা সমবায় অফিসারের মাধ্যমে আবেদনকারীর নিকট প্রেরণ করবেন।
 
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
 
১. সমবায় সমিতি বিধিমালাতে উল্লিখিত নির্ধারিত ফরমে আবেদনপত্র
 
২. ৩৪৫.০০ (তিনশত পঁয়তাল্লিশ) টাকা (৩০০.০০ টাকা নিবন্ধন ফি এবং ১৫% ভ্যাট ৪৫.০০) ট্রেজারি চালানের মূল কপি
 
৩. সদস্যদের স্বাক্ষরযুক্ত তিন প্রস্ত উপ-আইন
 
৪. সাংগঠনিক সভার কার্যবিবরণী
 
৫. আয়-ব্যয়ের হিসাব
 
৬. দুই বছরের প্রাক্কলিত বাজেট
 
৭. জাতীয় পরিচয়পত্র/নাগরিকত্বের সনদ
 
৮. আইনানুসারে অঙ্গীকারনামা৯. বাড়িভাড়ার চুক্তিপত্র
 
১০. প্রস্তাবিত ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের ছবিসহ নামের তালিকা
 

সমবায় সমিতির সাথে আজকাল আমরা সবাই পরিচিত। বর্তমান সময়ে গ্রামে ও শহরে এমন এলাকা নেই যেখানে সমবায় সমিতি নেই। সমবায়ের মূলমন্ত্র হলো- ‘সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে’। ‘দশে মিলে করি কাজ হারি জিতি নাহি লাজ’- এই গল্প আমাদের সবারই জানা। আমাদের দেশে অনেক বড় কাজ বর্তমানে সমবায়ের মাধ্যমে সংঘটিত হচ্ছে, যা হয়তো কখনো একার পক্ষে করা সম্ভব হতো না। ১৯৮৪ সালের সমবায় অধ্যাদেশ এবং ১৯৮৭ সালের সমবায় বিধি অনুসারে সমবায় সমিতিগুলো পরিচালিত হচ্ছে।

সমবায় সমিতির সংজ্ঞা : সমশ্রেণীভুক্ত কতিপয় ব্যক্তি সমঅধিকার ও দায়িত্বের ভিত্তিতে পারস্পরিক কল্যাণের পক্ষে স্বেচ্ছায় মিলিত হয়ে আইন অনুযায়ী যে সংগঠন গড়ে তোলে তাকে সমবায় সমিতি বলে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) এর মতে- ‘‘সমাজের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের ব্যক্তিগণ সমঅধিকার ও দায়িত্বের ভিত্তিতে যে সংস্থা গড়ে তোলে তাকে সমবায় সমিতি বলে।’’ কোন বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের লক্ষ্যে সম্মিলিত প্রয়াসই সমবায়। পারস্পরিক সাহায্য-সহযোগিতা, সুখ-দুঃখের অংশীদার হওয়া ইত্যাদিই সমবায়ের মূলকথা। আর পারস্পরিক সাহায্য-সহযোগিতা ব্যতীত গোটা বিশ্ব ব্যবস্থার অস্তিত্ব আজ হুমকির সম্মুখীন। একাকী মানুষ হিসেবে যে যত জ্ঞানী, বুদ্ধিমান, শক্তিধর অথবা বিত্তশালী হোক জীবন ধারণের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র সবকিছুকেই সে সংগ্রহ করতে পারে না। বরং জীবন ধারণের প্রতিটি স্তরে প্রত্যহ মানুষকে বহু লোকের মুখাপেক্ষী হতে হয়।

ইসলামে সমবায় সমিতি : সমবায়ের মাধ্যমে একে-অপরকে সহযোগিতা করে সমাজের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কল্যাণ সাধনের প্রচেষ্টা অবশ্যই ইসলাম সমর্থিত একটি চমৎকার উদ্যোগ। আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন- ‘‘সৎকর্ম ও তাকওয়ার ক্ষেত্রে তোমরা পরস্পরকে সাহায্য করবে এবং পাপ ও সীমালঙ্ঘনে একে-অন্যকে সাহায্য করবে না। আল্লাহকে ভয় করবে, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ শাস্তিদানে কঠোর।’’ তাই শুধু আত্মপ্রতিষ্ঠা বা মুনাফা অর্জন নয় বরং ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই সমবায় সমিতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। ইসলামের দৃষ্টিতে সমবায়ের উদ্দেশ্য হবে বৃহত্তর মানব কল্যাণ, সংকীর্ণ দলীয় বা জাতীয় স্বার্থ নয়।

সমবায় সমিতির উদ্দেশ্য : সমবায় সমিতির বহুবিধ উদ্দেশ্য রয়েছে। যেমন- দীর্ঘ মেয়াদী লক্ষ্য অর্জন, আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন, মোটা অংকের মূলধন সৃষ্টি, নৈতিক শিক্ষা, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, নিরক্ষরতা দূরীকরণ, সামাজিক উন্নয়ন, মধ্যস্থতাকারীদের উৎখাত, সেবার মানসিকতা, সামাজিক বন্ধন, সংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ করা, আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন, সঞ্চয়ী করে তোলা, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা, আইনগত সত্তা ও আদর্শ প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি। তবে বহুধা উদ্দেশ্যের মধ্যে সমবায় সমিতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত- ‘‘দরদী সমাজ গঠনে অংশগ্রহণ করা এবং সমাজে আদল ও ইহসান প্রতিষ্ঠা করা’’।

সমবায়ের অপরিহার্যতা : সমবায়ের আদলে কাজ করে আজ তুরস্কের ইসলামপন্থী দল ক্ষমতায় এসেছে। অবশ্য এ জন্য প্রয়োজন সাহসী ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব, সুষ্ঠু পরিকল্পনা, নিজেকে সমাজকর্মী মনে করা, ইসলাম প্রতিষ্ঠাকে জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা ইত্যাদি। মুসলমানদের মনে রাখা দরকার- আল্লাহ মুসলমানদের মানুষের কল্যাণের জন্যই এই পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন। এই দায়িত্বটি পালন না করলে কোরআনের ঘোষণা অনুযায়ী তাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে লাঞ্ছনা ভোগ করতে হবে।

সমবায়ের মূলনীতি : সেবা, সহযোগিতা, সমঝোতা, সততা, সম-ভোটাধিকার, সাম্যতা, একতা, গণতন্ত্র, স্বেচ্ছামূলক সংগঠন, মিতব্যয়িতা, সখ্যতা ইত্যাদি। সমবায়ের মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্য উন্নয়নের পাশাপাশি সমাজের ভাগ্য উন্নয়নেরও প্রয়াস থাকে। নিচে সংক্ষেপে দু’-একটি নীতি সম্পর্কে আলোচনা করা হলো :

একতা : ‘‘তোমরা আল্লাহ্র রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধর এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না।’’ (সূরা আলে ইমরান-১০৩)। একটি আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে জাতীয় ঐক্যের কোন বিকল্প নেই। তাই কুরআনুল কারীমের উপরোক্ত আয়াতে ঐক্যের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে এবং বিভেদ ও বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি করতে নিষেধ করা হয়েছে। আয়াতে ‘আল্লাহ্র রজ্জু’ বলে কুরআনকে বুঝানো হয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদের রেওয়ায়েতে হুজুর (সাঃ) বলেন- ‘‘কুরআন অথবা দ্বীনকে রজ্জু বলার কারণ এই যে, এটা একদিকে আল্লাহ্ তা’য়ালার সাথে দুনিয়াবাসী মানুষের সম্পর্ক কায়েম করে এবং অন্যদিকে বিশ্বাস স্থাপনকারীদের পরস্পর ঐক্যবদ্ধ করে একদলে পরিণত করে। আয়াতে মুসলমানদের দু’টি নির্দেশ দেয়া হয়েছে-

১. আল্লাহ্ তা’য়ালার প্রেরিত জীবন ব্যবস্থার অনুসারী হয়ে যাও।

২. আল্লাহ্র দ্বীনকে সবাই মিলে শক্তভাবে ধারণ কর।

মুসলমানদের পারস্পরিক ঐক্যের ইতিবাচক দিক ফুটিয়ে তোলার পর নেতিবাচক দিক সম্পর্কেও সতর্ক বাণী উচ্চারণ করে বলা হয়েছে- পরস্পর বিভেদ সৃষ্টি করো না। অপর এক আয়াতে আল্লাহ্ তায়ালা বলেন, ‘‘তোমরা নিজেদের মধ্যে বিভেদ করো না, করলে তোমরা সাহস হারিয়ে ফেলবে এবং তোমাদের শক্তি বিলুপ্ত হবে। আর তোমরা ধৈর্যধারণ করবে, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন’’। (সূরা আনফাল- ৪৬)। ‘‘নিশ্চিত এটি আমার সরল পথ। অতএব, এ পথে চল এবং অন্য পথে চলো না। তা হলে সে সব পথ তোমাদেরকে তাঁর পথ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেবে।’’ (আল্ আনআম- ১৫৩)

অনৈক্যের কুফল : অনৈক্য যে কোন জাতির ধ্বংসের সর্ব প্রথম ও সর্ব প্রধান কারণ। এ কারণেই কুরআনুল কারীমে বারবার বিভিন্ন ভঙ্গিতে অনৈক্যের বীজ বপন করতে নিষেধ করা হয়েছে। সূরা আল আন্আমে এসেছে- ‘‘নিশ্চয়ই যারা স্বীয় দ্বীনকে খন্ড বিখন্ড করেছে এবং অনেক দল হয়ে গেছে তাদের সাথে আপনার কোন সম্পর্ক নেই’’। (সূরা আল আনআম- ১৫৯)। এছাড়া কুরআন বিভিন্ন পয়গম্বরের উম্মতদের ঘটনাবলী বর্ণনা করে দেখিয়েছে যে, তারা কিভাবে পারস্পরিক মতবিরোধ ও অনৈক্যের কারণে জীবনের উদ্দেশ্য থেকে বিচ্যুত হয়ে ইহলৌকিক ও পারলৌকিক লাঞ্ছনায় পতিত হয়েছে।

ঐক্যের মূল ভিত্তি : ঐক্যের ভিত্তি হিসেবে বিভিন্ন জাতি বিভিন্ন মত পোষণ করে থাকে। সাধারণত ভাষা, বংশ, অঞ্চল ইত্যাদিকে ঐক্যের ভিত্তি মনে করা হয়। কিন্তু ইসলামে ঐক্যের ভিত্তি হিসেবে নিম্নলিখিত বিষয়গুলোকে বিবেচনা করা হয়।

ক. এক ও অদ্বিতীয় আল্লাহ্র আনুগত্য।

খ. আল্লাহ্র রাসূলের (সাঃ) পরিপূর্ণ অনুসরণ।

গ. কুরআন ও সুন্নাহকে জীবন পথের একমাত্র দিশারী হিসেবে গ্রহণ।

মুসলিম যে ভাষায় কথা বলুক, আর যে অঞ্চলেই জন্মগ্রহণ করুক না কেন তাদের ভাষা, বর্ণ, আকার আকৃতিতে যতই পার্থক্য থাকুক তাওহীদের প্রতি অবিচল ঈমান, মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) এর পরিপূর্ণ অনুসরণ ও অনুকরণ, আল্ কুরআন ও সুন্নাহকে দ্বিধাহীন চিত্তে মেনে নেয়ার মাধ্যমে মুসলিম জাতির মধ্যে কুরআনে বর্ণিত কাঙ্ক্ষিত ঐক্য গড়ে উঠতে পারে। সূরা সফে আল্লাহ্ যে ঐক্যের কথা বলেছেন নিম্নোক্ত ভাষায়, ‘‘আল্লাহ্ তো ভালবাসেন সেই সব লোকদের যারা আল্লাহ্র রাস্তায় ঐক্যবদ্ধভাবে এমনভাবে জিহাদ করে যেন তারা সীসাঢালা মজবুত প্রাচীর।’’

ইসলামী বিধান সমবায়ের সহায়ক : ইসলামের দৈনন্দিন পালনীয় বিধানাবলীর প্রতি লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, ইসলামের প্রতিটি বিধান সমাজে ঐক্য প্রতিষ্ঠার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির সহায়ক। দৈনিক পাঁচবার জামায়াতে নামায, শুক্রবারে জুমু’আর জামায়াত, ঈদের জামা’য়াত, হজ্জের মাধ্যমে বিশ্ব জামা’আত মুসলিমদের একতাবদ্ধ হওয়ার চিরন্তন আহবান। এছাড়া পারস্পরিক হিংসা, বিদ্বেষ, শত্রুতা, অন্যের অনিষ্টকরণ, দ্বনদ্ব-কলহ, কথাবার্তা বন্ধ রাখা, গীবত, অপবাদ, অন্যকে কষ্ট দেয়া, খারাপ ধারণা পোষণ, মহামারী আক্রান্ত এলাকা থেকে পলায়ন, কাউকে অবজ্ঞা, অধীনস্থ লোকদের কষ্ট দেয়া, বংশের গৌরব, অপরের অধিকারে হস্তক্ষেপ, ঝগড়া, পক্ষপাতিত্ব ইত্যাদি ঐক্য বিনষ্টকারী ভাইরাসকে সমূলে উৎপাটন করে সেখানে ভ্রাতৃত্বের চর্চা, সহানুভূতি, ভালবাসা, পরোপকার, পরস্পরকে সদুপদেশ, বিপদ-আপদে সাহায্য, সহমর্মিতা, সহাবস্থান, অপরকে অগ্রাধিকার, আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা, মেহমান, প্রতিবেশী, ইয়াতিম, গরীব-মিসকিন, নারী সমাজের অধিকার আদায়, বড়দের প্রতি সম্মান, ছোটদের প্রতি স্নেহ, রোগীর সেবা, পরস্পরের কল্যাণ কামনা, সংশোধনের উদ্দেশ্যে গঠনমূলক সমালোচনা ইত্যাদি বিষয়কে উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে। যা বৃহত্তর ঐক্য বিনির্মাণে শুধু সহায়কই নয়, অনিবার্য অনুষঙ্গও বটে। জাতীয় ঐক্যের উপর ইসলাম প্রভূত গুরুত্বারোপ করে। আজকে বিশ্বের দিকে দিকে মুসলিম জাতির দুরবস্থা তা থেকে উত্তরণ পেতে হলে মুসলিমদের মাঝে বৃহত্তর ঐক্যের বিকল্প নেই।

সহমর্মিতা : রাসূল (সাঃ) বলেন- ‘‘পারস্পরিক দয়া, ভালবাসা এবং হৃদ্যতা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে তোমরা মুসলিমগণকে একটি দেহের ন্যায় দেখতে পাবে। দেহের কোন অঙ্গ যদি পীড়িত হয়ে পড়ে তাহলে অপর অঙ্গগুলোও জ্বর ও নিদ্রাহীনতাসহ তার ডাকে সাড়া দিয়ে থাকে’’। (বুখারী, মুসলিম)

কুরআনুল কারীমে ও হাদীসে মুসলিম জাতির প্রতিটি সদস্যকে একে অপরের ভাই হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। আল্লাহ্ বলেন- ‘‘মুমিনরা তো পরস্পর ভাই ভাই’’ (সূরা হুজুরাত-১০)। এক ভাই অন্য ভাইয়ের সাহায্য সহযোগিতায় সব সময় তৎপর থাকবে, তার সুখে, দুঃখের অংশীদার হবে। তার অধিকার সম্পর্কে সর্বদা সচেতন থাকবে এটাই প্রকৃতির দাবি। আল্লাহ্র রাসূল (সাঃ) বলেন- ‘‘মুসলমান মুসলমানের ভাই। সে না তার সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করতে পারে, না তাকে মিথ্যা বলতে পারে। আর না তাকে হেয়প্রতিপন্ন করতে পারে। বস্তুতঃ প্রত্যেক মুসলমানের মান-ইজ্জত, ধন-সম্পদ, ও রক্ত অন্য সব মুসলমানের উপর হারাম। (তিনি বক্ষস্থলের দিকে ইশারা করলেন)। তাকওয়া এখানে আছে। কোন ব্যক্তির খারাপ হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে তার মুসলমান ভাইকে ঘৃণা করে, তাকে হেয় প্রতিপন্ন করে’’। (তিরমিযী)

 সমবেদনা : এক মুসলমান অন্য মুসলমানের সংকটকালে আন্তরিকতার সাথে এগিয়ে আসবে। তাকে সর্বদা সাহায্যের হস্ত সম্প্রসারিত করবে। নিম্নোক্ত হাদীসে এক মুসলমানের প্রতি অন্য মুসলমানের যে অধিকার বর্ণনা করা হয়েছে তা এক্ষেত্রে প্রণিধানযোগ্য। ‘‘মুসলমানের একের উপর অন্যের ছয়টি হক রয়েছে। জিজ্ঞেস করা হলো- হে আল্লাহ্র রাসূল (সাঃ) সেগুলো কি? হুযুর (সাঃ) বললেন- যখন তুমি কোন মুসলিমের দেখা পাবে তখন সালাম দেবে। যখন কেহ তোমাকে দাওয়াত দেয় তার দাওয়াত কবুল করবে। কেহ উপদেশ চাইলে উপদেশ দিবে। হাঁচি দিয়ে যখন আলহামদুলিল্লাহ্ বলে তুমি তার জওয়াবে ইয়ারহামুকাল্লাহ (আল্লাহ তোমাকে দয়া করুন) বলবে। রোগাক্রান্ত হলে তাকে দেখতে যাবে। আর কেহ মরে গেলে তার জানাযা ও দাফনে শরীক হবে। (মুসলিম)।

সহযোগিতা : এক মুসলমানের বিপদাপদে যখন কোন মুসলিম সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় তখন তার জন্য নির্ধারিত হয় বিরল মর্যাদা। হাদীসে এসেছে- ‘‘মুসলিমগণ পরস্পরের ভাই। সুতরাং সে তার ওপর কোন প্রকার যুলুমও করতে পারে না এবং তাকে অসহায় অবস্থায়ও ফেলতে পারে না। আর যে তার মুসলমান ভাইয়ের অভাব পূরণ করবে আল্লাহ্ তার অভাব পূরণ করবেন। অনুরূপভাবে যে কোন মুসলমানের দুঃখ দূর করে দিবে। আল্লাহ্ কিয়ামতের দিন তার দুঃখ দূর করে দিবেন। আর যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের ত্রুটি গোপন করে রাখবে, আল্লাহ্ হাশরের দিন তার ত্রুটিও গোপন করে রাখবেন’’। (বুখারী, মুসলিম)

সমব্যথী : কোন মুসলিম ভাই যদি কোনরূপ অপকর্মে লিপ্ত হয় তাকে দূরে ঠেলে নয় বরং তার সমব্যাথী হয়ে সে দোষ থেকে মুক্ত করার চেষ্টা করতে হবে। হাদীসে এসেছে- রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন- ‘‘তোমাদের প্রত্যেকেই নিজ মুসলিম ভাইয়ের আয়নাস্বরূপ। অতএব, সে যদি তার মধ্যে কোন দোষ ত্রুটি লক্ষ্য করে তবে তা যেন দূর করে দেয়’’। (তিরমিযী)। আমরা চিন্তা করলে দেখব ইসলামের প্রায় সকল ইবাদত অনুষ্ঠান যেমন সালাত, সাওম, যাকাত, হজ্জ ইত্যাদি সত্যিকার অর্থে এক মুসলমানকে আরেক মুসলমানের সহমর্মী সমব্যাথী করে তোলে।

একটি আদর্শ সমবায়ের দৃষ্টান্ত : বিশ্ব মানবতার মহান মুক্তিদূত মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) নবুয়ত প্রাপ্তির পূর্বেই ‘‘হিলফুল ফুজুল’’ নামক সমবায় গঠনের মাধ্যমে সমাজের কল্যাণ সাধনের প্রচেষ্টা করেছিলেন। মাত্র ২৭ বছর বয়সে ফুজ্জার যুদ্ধের বিভীষিকাময় পরিণতির প্রেক্ষাপটে নিজ চাচা যুবাইরসহ উক্ত সমবায় গঠন করেছিলেন। এই সমবায়ের লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও কর্মসূচি ছিল নিম্নরূপ :

১. দেশ থেকে অশান্তি দূর করার যথাযথ প্রয়াস চালানো।

২. প্রবাসীদের জীবন সম্পদ মান সম্মান রক্ষার্থে সদা সচেষ্ট থাকা।

৩. বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে সম্প্রীতি ও সদ্ভাব স্থাপনের চেষ্টা করা।

৪. অত্যাচারীর হাত হতে অত্যাচারিতদের রক্ষা করা।

৫. অত্যাচারীকে প্রাণপণে প্রতিহত করা।

যদিও নবী করীম (সাঃ) নবুয়ত পূর্ব জীবনে উক্ত সমবায় গঠন করেছিলেন। তথাপি উপরোক্ত সমবায় বর্তমানের যে কোন সমবায়ের জন্য মডেল হতে পারে। কেননা এর প্রত্যেকটি ঘোষণা কুরআন হাদীস সম্মত।

প্রথম দফা কর্মসূচি অশান্তি দূর করে শান্তি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে আল্লাহ্ বলেন, ‘যারা আল্লাহ্র সন্তুষ্টিলাভ করতে চায়, ইহা দ্বারা তিনি তাদের শান্তির পথে পরিচালিত করেন এবং নিজ অনুমতিক্রমে অন্ধকার হতে বের করে আলোর দিকে নিয়ে যান এবং তাদের সরল পথে পরিচালিত করেন।’ (মায়িদা-১৬)। অন্যত্র আল্লাহ্ বলেন- ‘দুনিয়ায় শান্তি স্থাপনের পর তোমরা উহাতে বিপর্যয় সৃষ্টি করো না। তাকে ভয় ও আশার সাথে ডাকবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ্র অনুগ্রহ সৎকর্ম পরায়নদের নিকটবর্তী।’ (আরাফ- ৫৬)

দ্বিতীয় দফা কর্মসূচি তথা অন্যের সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব পালনে উৎসাহ দিয়ে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা নিজেদের মধ্যে একে অন্যের অর্থ সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না এবং মানুষের ধন সম্পত্তির কিয়দংশ জেনে শুনে অন্যায়ভাবে গ্রাস করার উদ্দেশ্যে তা বিচারকদের নিকট পেশ করো না।’ (বাকারা- ১৮৮)

রাসূলুল্লাহর (সাঃ) বিদায় হজ্জের ভাষণেও উক্ত কথার প্রতিধ্বনী শোনা যায়, ‘তোমাদের এ শহর এ মাস এ দিনটি যেমন পবিত্র ও সম্মানিত তেমনি তোমাদের রক্ত, সম্পদ ও মান ইজ্জতকেও আল্লাহ তোমাদের পরস্পরের জন্য সম্মানিত ও পবিত্র করে দিয়েছেন।’ (বুখারী)

তৃতীয় দফা বা পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সদ্ভাব সৃষ্টি সমবায়ের আরেক মৌলিক দিক। ইসলাম সকল মানুষের সাথে সুসম্পর্ক ও সদ্ব্যবহার শিক্ষা দেয়। কুরআনের ভাষণ : ‘প্রত্যেক মুমিন ভাই ভাই সুতরাং তোমরা তোমাদের ভাইদের মধ্যে সমঝোতা ও সদ্ভাব প্রতিষ্ঠা কর।’ (সূরা হুজুরাত : ১০)

হাদীসে এসেছে, ‘মুসলমান মুসলমানের ভাই। সে তার প্রতি অত্যাচার করবে না। মহানবী (সঃ) নিজ বুকের দিকে ইশারা করে তিনবার বললেন, তাকওয়া এখানে। নিজ মুসলিম ভাইকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য ও ঘৃণা করা অন্যায়। প্রত্যেক মুসলিমের জন্য অন্য মুসলিমের রক্ত, সম্পদ ও সম্মান সবই হারাম।’ (মুসলিম)

পারস্পরিক সদ্ভাব ও সম্প্রীতির ব্যাপারে কুরআনের আরেকটি আয়াত পাণিধানযোগ্য : ‘তিনি তাদের অন্তরের মধ্যে প্রীতি স্থাপন করেছেন। পৃথিবীর যাবতীয় সম্পদ ব্যয় করলেও তুমি তাদের মনে প্রীতি সঞ্চার করতে পারতে না; কিন্তু আল্লাহ্ তাদের মধ্যে প্রীতি স্থাপন করেছেন। নিশ্চয়ই তিনি পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।’ (আনফাল-৬৩)

চতুর্থ ও পঞ্চম ঘোষণা অনুযায়ী অত্যাচারীকে প্রতিরোধ ও অত্যাচারিতকে রক্ষা করা প্রতিটি মুসলিমের অন্যতম দায়িত্ব ও কর্তব্য। আল্লাহ্ বলেন, ‘যারা সীমালংঘন করেছে তোমরা তাদের প্রতি ঝুঁকে পড়ো না; পড়লে অগ্নি তোমাকে স্পর্শ করবে। এই অবস্থায় আল্লাহ্ ব্যতীত তোমাদের কোন অভিভাবক থাকবে না এবং তোমাদের সাহায্য করা হবে না।’ (হুদ-১১৩)

হাদীসে এসেছে- ‘‘তোমরা তোমাদের ভাইকে সাহায্য কর, সে জালিম হোক আর মাজলুম হোক এখানে জালিমকে তার জুলুম থেকে বিরত রাখাই তাকে সাহায্য করা’’।

একটি হকপন্থী সমাজে সমবায় প্রতিষ্ঠা করে পারস্পরিক সাহায্য সহযোগিতার মাধ্যমে সমাজের প্রতিটি অন্যায়, অধিকার, জুলুম ও সংকট উত্তরণে সমবায়ীরা রাখতে পারে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। আল্লাহ্র রাসূল (সাঃ) বলেন- ‘‘তোমাদের মধ্যে কেউ মন্দ কাজ হতে দেখলে সে তা শক্তি দ্বারা পরিবর্তন করবে। যদি সে এর শক্তি না রাখে তবে মুখ দ্বারা, আর যদি এর শক্তিও না রাখে তবে অন্তর দ্বারা চিন্তা করবে। আর এটাই হল ঈমানের দুর্বলতম স্তর’’। (মিশকাত)

উপসংহার : সমাজে প্রচলিত কিছু কিছু সমবায় সমিতি সুদ, ঘুষ, দুর্নীতিসহ বিভিন্ন রকম পঙ্কিলতায় নিমজ্জিত। আবার অনেক সমবায় সমিতির সমাজ ও সংগঠনের প্রতি কোন ধরনের আদর্শিক কমিটমেন্ট নেই, শুধুমাত্র মুনাফা অর্জন এবং আত্মপ্রতিষ্ঠাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। এর বিপরীতে ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে সমবায় গড়ে উঠলে তা আদর্শ সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই আমরা মুসলমান হিসেবে সমাজের প্রতি দায়িত্ব বোধের কারণে সমবায়ের মাধ্যমে দুনিয়ায় আবার ইসলামকে কালজয়ী আদর্শকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

“সমিতি কিপার”  মাইক্রো – ক্রেডিট সফটওয়ার। 

এই সফটওয়ারটি তৈরী করা হয়েছে মূলত:  আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (বিভিন্ন সমবায় সমিতি/ মাল্টিপারপাস /এনজিও/বীমা) সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ ও আর্থিক ব্যবস্থাপনার কাজ সহজ ও সাবলিল করার জন্য। 

 

এই সফটওয়ারের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে:-

 

এই সফটওয়ারের মাধ্যমে সহজেই কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সদস্যদের ছবি সহ সকল প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ (Save), সংযোজন(Add), বিয়োজন(Delete), সম্পাদনা (Edit) ও তল্লাশি (Search) করা যায়।

প্রতিষ্ঠানের সকল ধরণের খরচ খাতওয়ারী, তারিখ অনুযায়ী, যে কোন শাখার যে কোন কর্মীর আওতায় যে কোন সদস্যের নামে প্রয়োজনীয় তথ্যসহ এন্টি করা যায়। 

এছাড়া সংরক্ষিত তথ্য মোছা, সংশোধন, শাখাওয়ারী/মাসওয়ারী/বছর ওয়ারী মোট খরচ বের করা, কোন কর্মী/সদস্যের আওতায় কত খরচ তা জানা যায়, মাস বা বছর ওয়ারী যে কোন খরচের তথ্য রিপোর্ট আকারে প্রিন্ট করা যায়।

প্রতিষ্ঠানের সকল ধরণের আয় খাতওয়ারী, তারিখ অনুযায়ী, যে কোন শাখার যে কোন কর্মীর আওতায় যে কোন সদস্যের নামে প্রয়োজনীয় তথ্যসহ এন্টি করা যায়।

 এছাড়া সংরক্ষিত তথ্য মোছা, সংশোধন, শাখাওয়ারী/মাসওয়ারী/বছর ওয়ারী মোট আয় বের করা, কোন কর্মী/সদস্যের আওতায় কত জমা হল তা জানা যায়, মাস বা বছর ওয়ারী যে কোন আয়ের তথ্য রিপোর্ট আকারে প্রিন্ট করা যায়।

এই সফটওয়ারের মাধ্যমে সহজেই যে কোন শাখার সকল তথ্য (ম্যানেজারের তথ্য, সকল কর্মী, সদস্য, মোট আয়, মোট খরচ প্রভৃতি) জানা যায়।

 

বিনিয়োগ সংক্রান্ত সকল তথ্য (কবে, কাকে, কোন খাতে, কত টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে, গ্রহিতার ছবিসহ স্বাক্ষর, গ্যারান্টারের ছবিসহ স্বাক্ষর, কত কিস্তিতে, কত লাভে, কত দিনের মধ্যে টাকা পরিশোধ করতে হবে ইত্যাদি) এই সফটওয়ারের মাধ্যমে সহজেই ব্যবস্থাপনা করা যায়।

বছর শেষে অডিট রিপোর্ট এর জন্য দিনের পর দিন কষ্ট করে হিসেব নিকেশ করতে হয় না। মাত্র এক মিনিটেই আপনার এই সকল হিসেব-নিকেশ এর আউটপুট দিতে সক্ষম। 

বাৎসরিক লাভ লোকসান , মাসিক লাভ লোকসান , Balance sheet,  প্রফিট বিতরন,  Trial Balance,  ব্যাংক  হিসেব-নিকেশ, পার্সোনাল স্টেটমেন্ট , ভাউচার , জেনারেল লেজার ইত্যাদি সকল প্রকার একাউন্টিং রিপোর্ট রেডি করা রয়েছে। 

তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে সমিতি কিপার সফটওয়্যারটি দেশ এবং দেশের বাইরে পাঁচ শতাধিক প্রতিষ্ঠানে সেবা দিয়ে আসছে। 

 

যোগাযোগ: 01689655055

Website : www.somitykeeper.com

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তত্ত্ব লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।

যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।

বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা সম্পাদনায় সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।

প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।

ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর 90% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।

তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

মাহফুজ আকন্দ
ইনোভেটর, সমিতি কিপার সফটওয়্যার

আমরা মাল্টিপারপাস ,ঋণদান বা সমবায় সমিতি বা মাইক্রোক্রেডিট  এর উপর গবেষণা করে দেখেছি  যে, যুগোপযোগী  বা মানস্মত ব্যবসা বা লাভজনক ব্যবসা হিসাবে এটি অন্যতম।

এ ব্যবসায় বাতারাতি যেমন সাফল্য পাওয়া যায় তেমনি আজকাল ব্যবসা প্রচুর ভেঙ্গে পড়ার খবরও পাওয়া যাচ্ছে। এর অন্যতম কারনগুলি হলো :-

১. সঠিকভাবে হিসান না করতে পারা।

২. আজকের হিসাব কালকের জন্য ফেলে রাখা।

৩. মাসিক বা বাৎসরিক মূল্যায়ন রিপোর্ট না করতে পারা

৪. টাকার আধিক্য দেখে মুল বিনিয়োগ না বের করতে পারা।

৫. মালিকদের মধ্যে অপরিনামদর্শী টাকা উত্তোলন।

৬. জবাবদিহিতার অভাব,

৭. হিসাবের ঝামেলা মনের মধ্যে বিরূপ প্রভাব বিস্তার করে।

৮. হিসাবের চাপ বেশী থাকার ফলে কর্মচারীদের হিসাবে প্রতি অনিহা, ইত্যাদি।

সমিতি কিপারে ১০০% প্রবৃদ্ধি 

আমাদের এ সফ্টওয়্যারের বৈশিষ্ঠ্য হলো আপনি শুধু ঋণ দেয়ার অংকটা সফ্টওয়্যারে উঠাবেন আর কিস্তি উঠানোর অংকটা সফ্টওয়্যারে তুলবেন বাকী হাজারো হিসাব বা লেজার সফ্টওয়্যার অটোমেটিক্যাললি করে দিবে।

এক মাসের হিসাব মাত্র এক সেসেন্ডে করা সম্ভব। যা অকল্পনীয় যেখানে আপনার পূর্ণ আত্ববিশ্বাস থাকবে এবং আপনি নিশ্চিত ১০০% প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারবেন।

নিরাপত্তা

আপনার স্মার্ট ফোনটি হবে আপনার অফিস,আপনি অফিসে না গিয়েও  ঘরে বসে ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন।সকল ডাটা থাকবে যুগের পর যুগ নিরাপদ ও ১০০ % গোপন।আপনাকে কারও প্রতি নির্ভরশীল হতে হবে না ।

 

ব্যবসা আপনার সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষমতাও আপনার।

এক সেকেন্ডের একটি ক্লিকেই আপনার মাল্টিপারপাস ব্যবসার সকল প্রকার ঋনদান কর্মসূচী,আয়-ব্যয়,লাভ-লস, বিনিয়োগ, কর্মচারীর বেতন সহ যেকোন প্রকার হিসাব সমাধানকরতে পারবেন। সফ্টওয়্যারটিতে আমরা দিচ্ছি  সার্ভিস সুবিধা এবং দৈনিক ৮ ঘন্টা কাষ্টমার কেয়ার সার্ভিস । একই সাথে একাধিক পিসিতে ইন্টারনেট ওর্য়াকিং সিষ্টেম ও অসংখ্য ইউজার সমৃদ্ধ মোবাইল ফোন এস,এম,এস সিষ্টেম এর্লাট

আপনি ডেমো দেখতে পারেনঃ এখানে ক্লিক করুন

 

উল্লেখ্যঃ দেশের ৩ শতাধিক সমবায়ী এই পোস্ট লেখার সময় সফটওয়্যার টি ব্যবহার করছে।

নতুন নতুন সদস্য ভর্তি করার পরে ডিলিট করে একই একাউন্টে আবার ভর্তির সময় এরর শো করত সেই সমস্যাটা সমাধান করা হয়েছে।

এখন থেকে এসেই সমস্যা হলে আর দেখা যাবে না আশা করি।

সমবায় সমিতির ব্যবসা খারাপ হয়ে যায় কেন?
বর্তমানে বাংলাদেশেসমবায় বহুল প্রচলিত একটি শব্দ একেবারে গ্রামেগঞ্জে ছিটিয়ে রয়েছে হাজার হাজার সমবায় সমিতি প্রথমদিকে মহৎ উদ্দেশ্য থাকলেও পরবর্তীতে আর্থিক কেলেঙ্কারিতে পড়ে বিভিন্ন রকম সমস্যার সূত্রপাত হয় ফলাফল স্বরূপ সমবায় সমিতির ব্যবসা খারাপ হয়ে যায় অথবা চিরতরে বন্ধ হয়ে যায় গবেষণায় দেখা গেছে যে, এর মূল সমস্যা হচ্ছে হিসাব নিকাশ সংক্রান্ত যেহেতু এটা একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে সুতরাং এখানে কার্যক্রমের ৯০ শতাংশই আর্থিক বিবরণী তথা অর্থসংক্রান্ত। 
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অদক্ষ জনশক্তি, দুর্বল একাউন্টস মেন্টেন করার কারণে সমিতিগুলো হিসেব নিকেশ সংক্রান্ত জটিলতায় পড়ে এক সময় বন্ধ হয়ে যায় অথবা উন্নতি থেকে বঞ্চিত হয় এক্ষেত্রে ভালো সমাধান হতে পারে মাইক্রোসফট এক্সেল এর মাধ্যমে হিসাব নিকাশ করা কিন্তু হিসেব যেহেতু দৈনন্দিন ব্যাপার এবং প্রায় প্রতিদিন শতাধিক বা হাজারখানেক সদস্যের ডাটা আপডেট হয় সেহেতু এক্সেল ব্যবহার করা যুক্তিযুক্ত নয়। 
 
এক্ষেত্রে হিস্টোরিক্যাল ডাটাবেজ বা কাস্টমাইজ সফটওয়্যার ইউজ করতে হয় যেগুলোর মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন এভেলেবেল রয়েছে এক্ষেত্রে একটি উদাহরণ হতে পারে সমিতি কিপার অর্থাৎ সমবায় ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার এর মাধ্যমে সঞ্চয় থেকে শুরু করে ঋণ এর মত জটিল সব ব্যাপার মাত্র । মাউস ক্লিকের মাধ্যমেই তথ্যাদি সুন্দর ভাবে সংরক্ষণ করা যায় এবং মোবাইল অ্যাপস এর মাধ্যমে খুব সহজেই ডাটাগুলো ইনপুট দেওয়া যায় এবং তাৎক্ষণিক রিপোর্ট পাওয়া যায় ।  অনলাইন ভিত্তিক হওয়ার কারণে যে কোন স্থান থেকে এটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্টিং দেখতে পাওয়া যায়
 
বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যাবে এই লিংকে http://somitykeeper.com/
সমবায় ব্যাবসা কি?

সমবায় একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান যেটি একদল সদস্য তাদের সম্মিলিত কল্যাণের জন্য পরিচালনা করেন। আন্তজাতিক সমবায় মৈত্রী (International Co-operative Alliance) তাদের সমবায় পরিচিতি নির্দেশিকাতে সমবায়ের সংজ্ঞা দিয়েছে এই ভাবে যে, সমবায় হল সমমনা মানুষের স্বেচ্ছাসেবামূলক একটি স্বশাসিত সংগঠন যা নিজেদের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের জন্য কাজ করে এবং এ লক্ষে অংশীদারিত্ব ভিত্তিতে গণতান্ত্রিকভাবে নিয়ন্ত্রিত ব্যবসা পরিচালনা করে।  একটি সমবায় প্রতিষ্ঠান এমনও হতে পারে যেখানে ব্যবসাটি এর সুবিধাভোগী সকলে সমভাবে নিয়ন্ত্রণ করে অথবা তারাই এই প্রতিষ্ঠানে কাজ করে। সমবায় ভিত্তিক ব্যবসা নিয়ে শিক্ষার যে ধারায় পড়ানো হয় তা ‘সমবায় অর্থনীতি’ নামে পরিচিত।

Accounts & Invoicing software in Bangladesh

এই সফটওয়্যার টি যেকোন ব্যাবসায়ের জন্য প্রযোজ্য। বিলিং, ইনভয়েজ, একাউন্টস, মেসেজ, ক্লায়েন্ট, সাপ্লায়ার, রিমাইন্ডার, রিপোর্ট সহ আরো অনেক মডিউল রয়েছে এতে।

বিস্তারিত জানতে কল করুনঃ ০১৬৮৯৬৫৫০৫৫

ডেমো দেখুনঃ

http://bill.businesskeeperbd.info/

User: akandmahfuz@gmail.com

password: 123456

ধরুন,

আপনার ডাটা ভিজুয়ালাইজেশনের জন্য ম্যাটল্যাব সফটওয়্যাটি দরকার কিন্তু আপনার পিসিতে তা নেই । তাই আপনি ইন্টারনেটের মধ্যমে কোন একটি সর্ভিস প্রভাইডারের কাছে ফ্রি / অর্থের বিনিময়ে কানেক্ট হবেন যা আপনাকে ম্যাটল্যাব সফটওয়্যাটির ইনভাইরনমেন্ট দেবে ব্যবহারের জন্য ।

অথবা,

আপনার ১৬/ ৩২ কোর প্রসেসরের প্রসেসিং পাওয়ার দরকার হতে পারে কোন বড় ক্যালকুলেশনের জন্য কিংবা মেশিন লার্নিং এর বড় কোন মডেল রান করার জন্য , যা আপনার / আমার মত গরিবের পক্ষে দিবাস্বপ্নের মত । কিন্তু সেই জন্য কি আমরা মেশিন লার্নিং শিখতে পারবো না ? অবশ্যই পারবো । আর এই জন্য আমরা ক্লাউড কম্পিউটিং এর মাধ্যমে (সাধারন পিসি থেকেই) কমমূল্য দিয়েই (হয়ত ঘন্টা হিসেবে) ঐ সার্ভিস পেতে পারি নেটওয়ার্কের মাধ্যেমে কানেক্টেড থেকে ।

-এটাই হল ক্লাউড কম্পিউটিং এর সাধারণ ধারণা ।

তাহলে এককথায় ক্লাউড কম্পিউটিং হলঃ “ কম্পিউটারের রিসোর্স গুলো মানে হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর সার্ভিস গুলো নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে প্রদান করা “ ।

যেভাবে কাজ করেঃ

ক্লাউড সার্ভারঃ

ক্লাউড সার্ভিস প্রভাইডাররা যে সার্ভার ব্যবহার করে তাই ক্লাউড সার্ভার বলে যেখানে এসব এনভারনমেন্ট গুলো সার্ভিস হিসেবে রাখা হয় ।

ক্লাউড সার্ভার এবং ডেডিকেটেড সার্ভারের (নরমাল সার্ভার) মধ্যে পার্থক্য

1.প্রাপ্যতাঃ

ক্লাউড সার্ভারগুলি কোনও সমস্যা হলে একেবারে ডাউন হয়ে যায় না, একাধিক নোডের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যর্থ নোডের ওয়্যারলোডটি ধরে নেয় এবং এটি আপনার ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ্লিকেশনের জন্য শূন্য ডাউনটাইম এবং সর্বাধিক নেটওয়ার্ক আপটাইম নিশ্চিত করে।

ডেডিকেটেড সার্ভারগুলির সাথে, ডাউনটাইম এবং হার্ডওয়্যার ব্যর্থতার ঝুঁকি থাকে কারণ তাদের লোড ভাগ করার জন্য একাধিক নোড নেই।

2. রিসোর্স বৃদ্ধিকরণঃ

ক্লাউড সার্ভারে বরাদ্দকৃত রিসোর্স বৃদ্ধি বা হ্রাস — কম্পিউটিং কোর, র‍্যাম, এবং স্টোরেজ ও সিস্টেমের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি খুব সহজ এবং সময় কম লাগে ।

ডেডিকেটেড সার্ভারে রিসোর্স বৃদ্ধি করা কঠিন এবং সময় ব্যয়কারী টাস্ক ।

3. তথ্য সুরক্ষা নিরাপত্তাঃ

ক্লাউড সার্ভারে আপনার পরিষেবার জন্য আপনার প্রোভাইডারকে নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। ডেডিকেটেড আইটি সাপোর্ট, সুরক্ষা এবং এনক্রিপশন, ফায়ারওয়াল এবং ডেটা পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে ক্লাউড সার্ভিস প্রদানকারীরা তথ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে ।

ডেডিকেটেড সার্ভারে আপনাকে আপনার সংবেদনশীল এবং গোপনীয় ব্যবসায়িক তথ্য নিরাপদ করার জন্য আপনার ডেডিকেটেড সার্ভার আপগ্রেড করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলি নিতে হবে।

ক্রেডিটঃ https://medium.com